-
নাঃ বিজ্ঞাপনে কাজ হয় সত্যিই!
হর্ষবর্ধন এসে ধপ করে বসলেন আমার ডেকচেয়ারে। হাঁপ ছেড়ে বললেন কথাটা।
‘হ্যাঁ, কথাটা যেমন বিজ্ঞাপনসম্মত তেমনি বিজ্ঞানসম্মতও বটে।’ বিজ্ঞজনের মতই তার কথায় আমার সায়।
‘সেদিন আপনাকে দিয়ে আনন্দবাজারে বার করার জন্যে সে বিজ্ঞাপনটা লিখিয়ে নিয়ে গেলুম না?...’
‘হ্যাঁ মনে আছে আমার।’ আমি বললাম, ‘রাতের পাহারাদারের জন্যে সেই ত?’
‘আমাদের কাঠের কারখানায় রোজের বিক্রির বহুৎ টাকা পড়ে থাকে ক্যাশ বাক্সে, বাড়ি নিয়ে আসা সম্ভব হয় না, পরদিন সে টাকা সোজা গিয়ে জমা পড়ে ব্যাঙ্কে—সেই কারণে, রাত্রে টাকাটা আগলাবার জন্যই কারখানায় থাকবার একজন সুদক্ষ লোক চেয়েছিলাম আমরা।...’
‘রাতের চার প্রহর পাহারা দেবার জন্য সুদক্ষ এক প্রহরী —বেশ
-
সময়টা ছিল ১৯৪২ সাল। ঢাকা শহরের এক সামান্য দারোয়ান ছিল দ্বারভাঙ্গার গিরিধারী প্রসাদ। পটুয়াটুলির গলিতে সে কতকগুলো দোকান আর অফিসের রক্ষণাবেক্ষণ করতো। পটুয়াটুলিতে রাস্তার দুপাশে দোকান আর ছোট ছোট অফিস ছিল সে সময়ে ৷ জন বসতি ছিল না। দারোয়ানরা ছিল জিম্মাদার। গিরিধারী প্রসাদ ছিল এদের একজন। অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও সৎ, কিন্তু সামান্য মাইনের লোক ছিল সে।
সময়টা ছিল কিন্তু সঙ্গীন। অনেক হিসেব করে ভারতের কংগ্রেস-নেতৃত্ব ৪২ সালের ৯ই আগস্টের ‘ইংরেজ ভারত ছাড়ো’ প্রস্তাব পাশ করেছিলেন। নৈতিক দিক দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফ্যাসিবাদী হিটলার মুসোলিনী তোজোর নিন্দা করেছিলেন তাঁরা ; কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ইংরেজের অধীনে ফ্যাসিবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামাও সম্ভব নয় বলে
-
'৪৮ সালের প্রথম ভাষা আন্দোলনের পরে তখনকার মুক্তিসংগ্রামী রাজ- নৈতিক কর্মীদের যে ধরপাকড় শুরু হয়, তার ধারাটা '৭১ পর্যন্ত প্রায় একই রকম ছিল। একবার ঢোকালে আর বের করার নাম নেই। দরকার হয়েছে বড় বড় ঠেলার। তবে জেলের দরজা খুলেছে। যেমন '৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারীর ঠেলা, '৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের জয়ের ঠেলা, '৬২ সালের এন, ডি, এফ'এর ঠেলা, '৬৯ এর এগারো দফার ঠেলা। তারপর '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কত জেলের রাস্তা তো সদর রাস্তা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রথম প্রথম জেলবন্ধের সময়টা বেশী হতো। ভেতরে যারা থাকতো তারা মনে করতো সারা পৃথিবীটা নিঝুম। কবে জাগবে ছাত্র-জনতা? নোয়াখালির কৃষকনেতা মমতাজ মিঞা গাঁয়ের চেয়ারম্যান, প্রথম
-
মাম্বেতের বয়স আট বছর। শীতের চারণমাঠে সে এল এই প্রথম।
সবই তার কাছে নতুন। ইচ্ছে হয় তক্ষুনি সারা এলাকাটা ঘুরে আসবে। ছুটে বেড়াবে ভেড়ার পালের পাহারাদার কুকুরগুলোর সঙ্গে। চেয়ে দেখবে তার আদরের শাদা-লেজো ভেড়াটাকে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, তার বাপ-মায়ের এখনকার ঘরটির তলে গিয়ে ঢুকবে, কেননা ওটা তো সাধারণ ঘর নয়, চাকায় বসানো। কোনো ভিত নেই তার, শুধু চারটে চাকা। সবচেয়ে আগে অবিশ্যি দরকার আশপাশটা দেখা।
মা-বাপে কিন্তু মাম্বেতকে ছাড়ছিল না। কেবলি জিজ্ঞেস করছিল গাঁয়ের লোকের খবর কী, কেমন আছেন দিদিমা, কাকু কী করছে...
এদিকে শীতের সন্ধে তো ছোট্ট। দেখতে-না-দেখতেই বাতি জ্বলে উঠল, শুরু হল রাতের খাওয়া। শুইয়ে দিল মাম্বেতকে।
-
১৮৯২ সালের ঘটনা। দুর্ভিক্ষের বৎসর জায়গাটা হল সুহুম আর ওচেম্চিরির মাঝামাঝি, কোদার নদীর ধারে, সমুদ্রের এত কাছে যে পাহাড়ী ঝরণার স্বচ্ছ জলের আনন্দ-উচ্ছল কলধ্বনির ভিতরও সমুদ্রের বজ্রগম্ভীর কল্লোল স্পষ্ট শোনা যায়।
করৎকালের দিন। কোদরের সাদা ফেনাগুলিতে চক্চকে নুয়ে-পড়া হলদে চেরি-লরেলের পাতা দেখে মনে হয় চঞ্চল সরপুঁটির ঝাঁক খেলা করে বেড়াচ্ছে। আমি নদীতীরের একটি টিলার উপর বসেছিলাম এবং মনে মনে এই কথাই ভাবছিলাম যে, গাংচিল ও করমর্যান্ট’রাও সেই চেরিপাতাগুলিকে নিশ্চয়ই মাছ মনে করেছে, সেইজন্যেই তারা ডান দিকের গাছগুলোর পিছনে যেখানে সমুদ্রের কল্লোল শোনা যাচ্ছে সেখানে প্রাণপণে চেঁচামিচি করেছে।
মাথার উপর বাদামগাছের শাখা-প্রশাখাগুলিতে সোনালী রঙ ধরেছে; আমার পায়ের তলায় মানুষের কটা করতলের
-
বড় মামা এসেছিলেন। আজ তিনি চলে যাবেন। যাওয়ার আগে আমাকে ৫টি টাকা দিয়ে বললেন: রসগোল্লা কিনে খাস।
আমি ত মামার হাত থেকে ছোঁ মেরে টাকাটা নিয়ে বোঁ করে একেবারে গেটের বাইরে রাস্তায় গিয়ে পড়লাম। রাস্তায় নেমেই হুমড়ি খেয়ে একটা রিকশার সাথে ধাক্কা খেতে খেতে বেঁচে গিয়ে ছুট লাগালাম। পেছনে তখন রিকশাওয়ালা আমাকে উদ্দেশ্য করে মেশিনগানের মত গালির শ্লোগান তুলছে। রিকশাওয়ালার গালি যে শ্লোলি বেরোচ্ছিল তা নয়, বরঞ্চ বুইক গাড়ীর মত একটু কুইকই বেরোচ্ছিল। আমার তখন ওসব দিকে খেয়াল ছিল না। হাতে টাকা পেয়ে মার্চ মাসের পয়লা তারিখে ডবল মার্চ করতে করতেই চললাম। কিন্তু রমনা পার্কের সামনে এসেই দেখি কামাল ভাই
-
কামাল ভাইয়ের দাপটে এখন পাড়ায় টিকে থাকাই দায়। এবার মাত্র কামাল ভাই ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিল। আর দু'মাস পরেই ফল বের হবে। কিন্তু তার আগেই নিজের পরীক্ষার ফলের কথা সুযোগ পেলেই আমাদের বলতে ছাড়ে না। আমরা হয়ত মাঠে বসে চীনা বাদামের খোসা ছাড়িয়ে খাচ্ছি, এমন সময় কামাল ভাই এসে আমিরী চালে বসে বলতে আরম্ভ করল: বলি কি খাওয়া হচ্ছে?
আমাদের মধ্যে একজন চীনা বাদামের খোসাগুলোর উপর তাড়াতাড়ি বসে বলত: কই, কিছুই ত খাচ্ছি না।
: হুঁ, আমার সাথে মিথ্যে কথা? জানিস, এবার আমি ম্যাট্রিক দিয়েছি। আর ফার্স্ট ডিভিশনে ত পাস করবই। এবারের প্রশ্নগুলোর প্রত্যেকটিই তো আমার কমন পড়েছিল। একটা প্রশ্ন এতই
-
রোববার সকাল। বেলা তখন নটা-দশটা হবে। আমরা সবাই ঝন্টুদের রোয়াকে বসে রয়েছি। বছরের নতুন ক্লাস আরম্ভ হবে কাল। তাই পড়াশোনার বড় একটা ঝামেলা নেই। সেইজন্য বসে বসে আড্ডা দেওয়া হচ্ছিল। এই সময় কটু বলল: জানিস কাল আমার বাঘা মামা আসছে।
আমি চমকে উঠলাম। কারণ 'ব্যাঘ্র' শব্দটার উপর আমার একটুও আস্থা নেই। শব্দ থেকে ওটা যে কখন আসল জিনিস হয়ে ওঠে, বলা যায় না।
বাঘ দেখার অভিজ্ঞতা একবার আমার হয়েছিল। না, চিড়িয়াখানায় নয়—বাঘের মাতৃভূমি একেবারে সেই সুন্দরবনে। ছোট চাচার কাছে একবার গিয়েছিলাম সুন্দরবনে। আমাকে নিয়ে গেলেন সুন্দরবন দেখাতে। ফরেস্ট অফিসের ডাক বাংলা থেকে হাঁটা পথে চললাম বনের দিকে। বনে গিয়েই বলতে
-
ছোট্ট মফস্বল শহর। তাই খবরটা ছড়িয়ে পড়তে বেশীক্ষণ লাগল না। পিন্টুরা তখন বাড়ীর সামনের মাঠটায় খেলা করছিল। তারাও খবরটা শুনেছে। যে সার্কাস পার্টিটা এসেছে, তাদের একটা বাঘ খাঁচা থেকে পালিয়েছে। খবরটা শুনে সারা শহরে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছে। যে যার বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে। রাস্তাঘাটে থাকতে কেউ আর সাহস করছে না। কে জানে কখন কোন্দিক থেকে এসে হঠাৎ করে ঘাড়টা ভেঙে দেবে। তাই লোক চলাচল খুব কম। শহরের সর্বত্রই যেন একটা চাঞ্চল্য। একটা চাপা বিভীষিকা।
কিন্তু পিন্টু ও তার সঙ্গী-সাথীরা এতে মোটেই ভয় পেল না। তারা যেন একটু খুশীই হয়ে উঠেছে। পিন্টু শওকতকে ডেকে বলল: এতদিন পরে একটা সত্যিকারের এডভেঞ্চারের স্বাদ
-
‘নেড় গার্লানের উত্তরাধিকারী’—পরিচিত লোকেরা ঠাট্টা করে ওদের এই আখ্যাই দিয়েছিল—ছিল সাতজন অল্পবয়সী ছাত্রছাত্রী, গার্লানেরই দেওয়া একটা মোটরবোটের যৌথ মালিক। গার্লান ক্ষয়রোগে সুইজারল্যাণ্ডে দেহত্যাগ করে।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি ‘উত্তরাধিকারীদের’ প্রথম ভ্রমণ শুরু হল। তারা বন্য জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্নার্ক হ্রদের তীরের দিকে যাত্রা করল।
অষ্টম একজন ব্যক্তি আমন্ত্রিত হয়েছিল—কোলবেয়র। যে ক’টি মেয়ে এই ভ্রমণে চলেছে তাদেরই একজন—জয় টেভিসের প্রতি কোলবেয়রের অসুখী প্রেম এক বছর আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং প্রায়ই মন্তব্যের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
ষোল বছর বয়স থেকে শুরু করে আজ অবধি জয় টেভিস একের পর এক ক্ষত সৃষ্টি করে গেছে, কিন্তু যেহেতু ক্ষত নিরাময়ের ক্ষমতা কিংবা ইচ্ছেও তার ছিল
-
অপরূপ একরাতে নাম-করা কেরানি ইভান দুমিত্রিচ্ চেরভিয়াকভ[☆]স্টলের দ্বিতীয় সারিতে বসে অপেরা গ্লাস দিয়ে 'লা ক্লশে দ্য কর্ণেভিল্' অভিনয় দেখছিলেন। মঞ্চের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে তাঁর মনে হচ্ছিল, মরজগতে তাঁর মতো সুখী বুঝি আর কেউ নেই। এমন সময় হঠাৎ... ‘হঠাৎ’ কথাটা বড়ো একঘেয়ে হয়ে পড়েছে। কিন্তু কী করা যায় বলুন, জীবনটা এতই বিস্ময়ে ভরা যে কথাটা ব্যবহার না করে লেখকদের গত্যন্তর নেই! সুতরাং, হঠাৎ, ও'র মুখখানা উঠল কুঁকড়ে, চক্ষু শিবনেত্র, শ্বাস অবরুদ্ধ...এবং অপেরা গ্লাস থেকে মুখ ফিরিয়ে সিটের ওপর ঝুঁকে পড়ে—হ্যাঁচ্চো! অর্থাৎ হাঁচলেন। হাঁচার অধিকার অবশ্য সকলেরই আছে, এবং যেখানে খুশি। কে না হাঁচে—চাষী হাঁচে, বড়ো দারোগা হাঁচে, এমন
-
AT half-past eight they drove out of the town.
The highroad was dry, a lovely April sun was shining warmly, but the snow was still lying in the ditches and in the woods. Winter, dark, long, and spiteful, was hardly over; spring had come all of a sudden. But neither the warmth nor the languid transparent woods, warmed by the breath of spring, nor the black flocks of birds flying over the huge puddles that were like lakes, nor the marvelous fathomless sky, into which it seemed one would have gone away so joyfully, presented anything new or interesting to
উৎস
- পাতাবাহার
- বনফুল গল্পসমগ্র
- রাঙা পাল
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- প্রক্রিয়াধীন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- অসাধারণ
- গল্পগুচ্ছ
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- বাংলাদেশ কথা কয়
- কুশলপাহাড়ী
- পরিচয়
- বিজ্ঞানচেতনা
- বারো মামার এক ডজন
- মানুষের জন্ম
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- মেঘমল্লার
- উপলখণ্ড
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- সুকান্তসমগ্র
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- ভেদ-বিভেদ (২)
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- রূপের ডালি খেলা
- কিন্নর দল
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- জন্ম ও মৃত্যু
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- নবাগত
- ক্ষণভঙ্গুর
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- বিধু মাস্টার
- ছায়াছবি
- রূপহলুদ
- তালনবমী
- অনুসন্ধান
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- ব্যথার দান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.