-
ভারতীয় ভাষার দরবারে বাংলা আজ দুয়োবানী। সর্বশ্রেষ্ঠ ভারতীয় ভাষা হিসাবে বাংলাকে স্বীকার করা তো দূরের কথা, বিজ্ঞানের ভাষা হিসাবে বাংলার যে উৎকর্ষ স্বাভাবিকভাবেই রয়েছে তা মেনে নিতেও অনেকের গায়ে বাধছে। অথচ দুরূহ বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার যে ক্ষমতা রয়েছে বিগত একশত চল্লিশ বৎসর ধরে রচিত অসংখ্য বাংলা বিজ্ঞান-গ্ৰন্থই তার প্ৰমাণ। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অক্ষয়কুমার দত্ত, রাজেন্দ্রলাল মিত্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বিংশ শতাব্দীতে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, জগদীশচন্দ্র বসু, প্রফুল্লচন্দ্র রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জগদানন্দ রায় প্রমুখ লেখকেরা প্রমাণ করে গেছেন দুরূহ বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ক্ষমতা কতখানি। কিন্তু এঁরা হলেন বাংলা বিজ্ঞান-সাহিত্যের দিক্পাল। এদের থেকে দৃষ্টি
-
আমার বিশ্বাস, অর্থনীতি ও সামাজিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন এমন ব্যক্তির পক্ষে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করতে যাওয়া নানাকারণেই ঠিক নয়।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা প্রথমে বিবেচনা করা যাক। মেথোডলজির (Methodological) দিক থেকে, মনে হয়, জ্যোতির্বিদ্যা ও অর্থনীতির মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই, উভয় ক্ষেত্রেই বৈজ্ঞানিকগণ সন্নিবিষ্ট ঘটনাবলীর মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র আবিষ্কারের জন্য সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য এমন কতগুলো সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করেন, যাতে বিষয়টা যতদূর সম্ভব সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। বাস্তবক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতিগত পার্থক্য থেকেই যায়। পর্যবেক্ষিত অর্থনৈতিক ঘটনাবলী প্রায়শই এমন কতগুলো কারণ দ্বারা প্রভাবান্বিত, যেগুলোর পৃথক পৃথক মূল্যায়ণ প্রায় অসম্ভব। এমন ক্ষেত্রে অর্থনীতির সাধারণ সূত্রাবলীর আবিষ্কার কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকন্তু, মানব-ইতিহাসের তথাকথিত
-
তুর্গিয়েনেফ : জীবন-সাহিত্য
১৮১৮—১৮৮৩
“আমার জীবনই আমার সাহিত্য।”— তুর্গিয়েনেফ
যে সমস্ত প্রতিভাধর সাহিত্যিকের রচনাসম্ভারে রুশ জাতীয় সংস্কৃতির গৌরব বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তুর্গিয়েনেফ। লেনিন এঁকে “স্বনামধন্য রুশ লেখক” বলে অভিহিত করেছেন।
সামন্ত-ভূমিদাস প্রথা থেকে বুর্জোয়া-ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে এক বিরাট পটপরিবর্তন হল, সেই এক সমগ্র ঐতিহাসিক যুগের রুশ জনজীবনের সার্থক প্রতিফলন দেখা যায় তুর্গিয়েনেফ-এর রচনায়। এই বিরাট শিল্পী-রিয়ালিস্ট রুশ সমাজ-আন্দোলনের যে সব উজ্জ্বল চিত্র এঁকেছেন তাদের সঞ্চারকাল ঊনবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ‘ছাত্র-চক্র’ থেকে শুরু করে ১৮৭৪-১৮৭৬ খৃষ্টাব্দের ‘জনগণের কাছে যাও’ আন্দোলনের সময় পর্যন্ত ৷
গভীর স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তুর্গিয়েনেফ, এবং তারই উদ্দেশে পরিপূর্ণরূপে নিয়োজিত করেছিলেন
-
বিজ্ঞান কংগ্রেস উপলক্ষে আজকাল প্রত্যেক বছরই বিদেশ থেকে শ্ৰেষ্ঠ বিজ্ঞানীরা এ দেশে নিমন্ত্রিত হয়ে আসেন। এবারে তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিশ্ব-বিশ্ৰুত প্রৌঢ় বিজ্ঞানী নিল বোর। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও সায়েন্স অ্যাসোসিয়েসন কর্তৃক আহূত হয়ে তিনি কলিকাতায় আসেন ও সেনেটে, অ্যাসোসিয়েসন সভায় ও নিউক্লিয়র ফিজিক্স আলয়ে বক্তৃতা দেন। এই মহাবিজ্ঞানীর দর্শন লাভে ও তাঁর বক্তৃতা শুনে কলিকাতাবাসী ধন্য হয়েছে।
শিক্ষিত সমাজে বোরের নাম অবিদিত নয় বললে ভুল হবে না। বিশ-শতকের শুরুতে পদার্থ-বিজ্ঞানে যে বিপ্লব ঘটে ও নব্য বিজ্ঞানের অভ্যুদয় হয়, বোর সেই বিপ্লবযজ্ঞের একজন পুরোহিত-প্রধান। প্লাঙ্ক যেমন কোয়ান্টাম বা শক্তি-কণাবাদ, আইনস্টাইন যেমন দৈর্ঘ্য প্রস্থাদি ও কাল গতি ভর প্রভৃতির সাপেক্ষতা ও রাদারফোর্ড যেমন
-
সম্প্রতি আমাদের দেশে সামাজিক ইতিহাস রচনার জন্য যথেষ্ট আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যে, এই আগ্রহ রাজনৈতিক ইতিহাস রচনার গতানুগতিকতার বিরুদ্ধে এক প্রতিক্রিয়াশীল মানসিকতার পরিচায়ক। সামাজিক ইতিহাসের সমস্যা সম্বন্ধে এবং এই জাতীয় ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে গবেষকের যে-সকল মৌলিক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়, তাদের সম্বন্ধে, আমাদের চেতনা কতটা প্রখর, সে কথা বুঝতে পারা যায় না; কেননা আমাদের দেশের পণ্ডিতগণ আজ পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন নি। প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ ও বর্তমান যুগ-কাল-বিভাজনের এই কাঠামো ইয়োরোপের ইতিহাস থেকে ধার করা। এই কালবিভাগ ইয়োরোপের ইতিহাসে বিশেষ অর্থ বহন করে এবং এই ধরনের কালবিভাগ ইয়োরোপীয় অর্থে এদেশের ইতিহাসের প্রতি আদৌ
-
বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তে মহাবীর সেনাপতি মেনাহাতীর মৃত্যুর পর রাজা সীতারাম রায় অল্পদিনই তাঁর রাজত্ব রক্ষা করতে পেরেছিলেন। দিঘাপতিয়ার দয়ারাম রায় যুদ্ধে পরাজিত সীতারামকে নিয়ে যান মুর্শিদাবাদে নবাবের দরবারে। পথে নাটোর রাজবাড়ির কারাগারে সীতারামকে বন্দী থাকতে হয়েছিল। সীতারামের বিপুল ভূসম্পত্তির একটি অংশ, বিরাহিমপুর পরগনাও হয়েছিল নাটোরের রাজার হস্তগত। এরপর নবাবদের পালা ফুরোলো। বাঙলার তথা ভারতবর্ষের রাজদরবারের প্রতিষ্ঠা হয় কলকাতা শহরে। যশোর থেকে এসে সেখানে বাসা বাঁধলেন ঠাকুর পরিবার। ঠাকুর বংশের কৃতী সন্তান দ্বারকানাথ লক্ষ্মীর কৃপালাভ করলেন এই নতুন শহরে। কিন্তু তখনকার দিনে আভিজাত্যের নিদর্শন ছিল ভূসম্পত্তি। তাই বিখ্যাত কার-ঠাকুর কম্পানির মালিক দ্বারকানাথ প্রভূত জমিদারি সম্পত্তি খরিদ করেন বাঙলাদেশের একাধিক অঞ্চলে। কিন্তু বিরাহিমপুর
-
পুরনো ছবিগুলো দিনে দিনে আবছা হয়ে আসছিল। অনেক দিনের পুরনো সব ছবি।
পূব বাঙলা এখন বাঙলাদেশ। বাঙলাদেশ আমার জন্মভূমি। সেখানে আমার জীবনের উদ্দাম দুরন্ত দিনগুলো কেটেছিল। সেই স্মৃতি আমার সত্তায় আমি বহন করেছি, সেই স্মৃতির গায়ে এখন শুধু রক্ত।
অনেক সব কথা মনে পড়ে এখন। অনেক মুখ জেগে ওঠে যেন। ঢাকা ছাড়ার কথা মনে পড়ে। দেশভাগ হওয়ার কথা মনে পড়ে। তারপর আর দেশে যাওয়া হয়নি। দেশ তখন বিদেশ।
জন্মভূমি পরভূমি হওয়ার ব্যাপারটা দিনে দিনে সয়ে গিয়েছিল। পুরনো স্মৃতির ওপর নতুন স্মৃতির স্তূপ জমা হচ্ছিল। মাঝে মাঝে ঢাকা ফেরত কোনো বন্ধুর মুখে শুনতাম শহরের গল্প। ঢাকা শহরের দিন বদলের গল্প। মন
-
বাঙলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা-সংগ্রাম সম্পর্কে ইতিমধ্যেই বিভ্রান্তি প্রচারের প্রয়াস শুরু হয়ে গিয়েছে।
বাঙলাদেশের অভ্যন্তরে মুসলীম লীগ কিংবা জামায়েত ঈ-ইসলামীর কথা বলছি না, বলছি না পশ্চিমবাঙলায় অখণ্ড বঙ্গ পরিষদ, কিংবা ‘জাগো বাঙালী’ আন্দোলনের কথা; কেননা, সমগ্র বাঙলাদেশে বা পশ্চিমবাঙলার জনজীবনে এরা এতই নগণ্য যে ব্যাপক ক্ষতি করার ক্ষমতাও এদের নেই।
বাঙলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে প্রকৃত কার্যকরী বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে কোনো কোনো বামপন্থী মহল থেকে, বিপ্লবী বুলির আড়ালে, তথাকথিত শ্রেণী-বিশ্লেষণের নামে।
কলকাতার রাস্তায় পোস্টার পড়ছে, ‘মুজিব মার্কিন দালাল। চীন বিরোধী যুদ্ধ ঘাঁটি হিসাবে পূর্ব-পাকিস্তানকে (এঁরা বাঙলাদেশ বলেন না) ব্যবহার করতে চায়’—ইত্যাদি।
এইসব বক্তব্য ইয়াহিয়া খাঁর প্রতি এমনই সমর্থনসূচক যে স্বাভাবিক কারণে এও কোনো
-
লেখক: আবদুল হক
এ-দেশের সংস্কৃতি-আলোচনায় অনেক সময় শিথিলভাবে এ-রকম একটা ধারণা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় যে পাকিস্তানের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী বৈশিষ্ট্যেই বিশিষ্ট, এবং ভবিষ্যতে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠবে তাও হবে ইসলামী সংস্কৃতি। পাকিস্তানের সংস্কৃতি যে সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি নয় তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না; কিন্তু ভবিষ্যতের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতি হবে কিনা, সেটা একটা প্রশ্ন। অনেকে বলেন, পাকিস্তানের সংস্কৃতি সর্বাত্মকভাবে ইসলামী সংস্কৃতিই হবে, কেননা পাকিস্তান একটা আদর্শভিত্তিক ‘রাষ্ট্র’ তার শাসন-সংবিধানেও সেই কথা বলা হয়েছে, এবং ইসলামী আদর্শ রূপায়ণের জন্যই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা।
এ-বিষয়ে বোধ হয়, দ্বিমতের অবকাশ নেই যে পাকিস্তানে ইসলামী সংস্কৃতি বিকাশ সাধন মুসলমানদের একটা বিশেষ দায়িত্ব। এ-দায়িত্ব উপলব্ধির নির্ভুল
-
বইখানি একজন কৃতবিদ্য ও যশস্বী অভিনেতার লেখা কতকগুলি অভিনয় প্ৰসঙ্গীয় বিবিধ প্রবন্ধের একত্র সংস্করণ। অভিনয়নৈপুণ্য খুব কম লোকেরই থাকে, কিন্তু যাদের আছে তাদের মধ্যেও দূরসঞ্চারী মন নিয়ে চিন্তা করবার শক্তি আরো কম জনের থাকে। লেখকের সেই চিন্তা করবার দুর্লভ শক্তি আছে। নিরপেক্ষ মন নিয়ে তিনি নাট্যশিল্পকে এবং চারিপাশের আবহাওয়াকে সমালোচকের ভঙ্গীতে দেখেছেন এবং আপন মতামত নিঃশঙ্ক ভাবে ব্যক্ত করেছেন। তাঁর কথাগুলির মধ্যে অনেক ভেবে দেখবার জিনিস আছে। যেমন ধরা যাক তিনি বাঙ্গালী মুসলমানদের সম্বন্ধে যে কথা বলেছেন। বাংলাদেশে অর্ধেকের বেশি অধিবাসী মুসলমান, অথচ তাঁদের মধ্যে কেউ বাঙ্গালী হয়েও বাংলা নাট্যবিষয়ে যোগদান করেন না কিংবা এই একটি বিশিষ্ট চারুশিল্প সম্বন্ধে উদ্যোগী
-
বিয়োগপঞ্জী : মোহিতলাল মজুমদার ও ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
গোপাল হালদার
মাস কয় মাত্র অতিবাহিত হয়েছে—কবি মোহিতলাল মজুমদার এই পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণ করেছেন। সে শোক বিস্মৃত না হতেই আবার পূজাবকাশে ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের বিয়োগে বাংলা সাহিত্যের জিজ্ঞাসু পাঠকমাত্রই নিরতিশয় ব্যথিত বোধ করবেন নিতান্ত অকালে এরা কেউ আমাদের ত্যাগ করেননি, তা সত্য। কিন্তু এদের অভাব বাঙলা দেশ সহনক্ষম হয়ে ওঠেনি, তা আরও নিদারুণ সত্য। যে স্থান রিক্ত হয়, তা আর পূর্ণ হয় না—এদের গুণগ্রাহী সুহৃদ ও অনুরাগী অনুজ হিসাবে আমরা অনেকেই তা জানি। ব্যক্তিমানুষ হিসাবে এমন দুইজন বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষ সম্ভবত আর দেখা যায় না। অথচ সততায়, আন্তরিকতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায়, বন্ধুবাৎসল্যে এরা সমগোত্রের
-
[১৯৩১ সালের ১৫ নভেম্বরে এক ব্রিটিশ কমরেডকে লেখা চিঠি থেকে উদ্ধৃত, যা ১৯৩২ সালের ১৬ জানুয়ারি দ্য মিলিটান্টে প্রকাশিত হয়।]
ফ্যাসিবাদ কী? শব্দটার উৎস ইতালিতে। সব ধরনের প্রতিবিপ্লবী একনায়কতন্ত্রই কি ফ্যাসিবাদী (বলতে গেলে ইতালিতে ফ্যাসিবাদ আসার পূর্বে)?
১৯২৩-১৯৩০ সালে স্পেনে প্রিমো ডে রিভরোর একনায়কতন্ত্রী শাসনকে কমিন্টার্ন অভিহিত করেছিল ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র হিসাবে। এই বিশ্লেষণটা কি সঠিক ছিল? আমরা মনে করি এটা সঠিক ছিল না।
ইতালিতে ফ্যাসিবাদী আন্দোলন ছিল ব্যাপক জনগণের এক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন—যেখানে নতুন নেতৃত্ব তৃণমূলের সাধারণ কর্মী থেকে উঠে আসছিল। এই আন্দোলন মূলগতভাবে ছিল বড় বড় পুঁজিপতি শক্তিদের দ্বারা পরিচালিত ও আর্থিক সাহায্যপ্রাপ্ত এক গণআন্দোলন, যার সামনের সারিতে ছিল পেটি-বুর্জোয়া
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- শিল্পকলা
- স্মৃতিকথা
- লোককাহিনী
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- বিজ্ঞান
- আলোচনা
- বই
- ছড়া
- মার্কসবাদ
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- ক্রিকেট
- মুক্তিযুদ্ধ
- রোজনামচা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- জীবনী
- লেখক
- ঢাকা
- কবিতা
- রবীন্দ্রনাথ
- ছোটগল্প
- চলচ্চিত্র
- ভারত
- সমাজতন্ত্র
- চিরায়ত
- পশ্চিমবঙ্গ
- পাকিস্তান
- নাট্যশালা
- ফ্যাসিবাদ
- অনুবাদ
- গদ্য
- দুর্ভিক্ষ
- বাংলা
- যুদ্ধ
- গদ্যকাব্য
- দর্শন
- নৃত্য
- সমাজ
- আধ্যাত্মিকতা
আর্কাইভ
লেখক
- অন্নদাশঙ্কর রায় (১)
- অরুণ সেন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আন্তোনিও ফ্রাঞ্চেস্কো গ্রামশি (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৫)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নিবারণ পণ্ডিত (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩৬)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিষ্ণু দে (১)
- মমতাজুর রহমান তরফদার (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সুশীল জানা (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.