-
সকালে একটি নিগ্রো খচ্চরটাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল বড় কুঠিতে। যাওয়ার পথে কর্নেল হেনরি ম্যাকস্ওয়েলকে ব্যাপারটা জানিয়ে এল। তারপর কর্নেল হেনরি ফোন করলেন শেরিফকে। শেরিফ ঝটপট জিমকে শহরে পাকড়াও করে আনলেন। তারপর তাকে গারদে আটকে বাড়ী চলে গেলেন শেরিফ এবং গিয়ে সকালের খানা খেতে বসলেন।
শার্টের বোতাম আঁটতে আঁটতে জিম শূন্য গারদখানার চারদিকে ঘুরে বেড়ালো কিছুক্ষণ। তারপর এসে বসল বিছানায়। জুতোর ফিতে বাঁধল বসে বসে। সবটা এমন তাড়াতাড়ি ঘটে গেল সেদিন সকালে যে এক গ্লাস জল খাওয়ারও সময় পায় নি জিম। উঠে সে দরোজার কাছে রাখা জলের বালতীটার কাছে গেল। কিন্তু শেরিফ ভুলে গেছে বালতীতে জল রাখতে।
ইতিমধ্যে জেলের প্রাঙ্গনে এসে
-
সময়টা তখন অগ্রহায়ণের শেষ। শীত পড়েছে বেশ। উত্তরে হাওয়া বইছে। গা-কাঁপিয়ে, রক্ত জমিয়ে আনে বুঝি। আকাশে মেঘের দেখা নেই। গাঢ় নীল রঙের আকাশটা ঝক্ ঝক্ করছে রঙের দীপ্তিতে।
রাস্তার দুপাশে বিস্তৃত ধানের খেত। সোনালী ফসলের চোখ-জুড়ানো সমারোহ। ধানের শীষের উপর রাতের শিশির টল টল করছে আর সকাল বেলার সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করছে রূপোলি বিন্দুর মতো।
একছিলিম তামাক টানবার জন্য কাস্তেটা পাশে রেখে বসল প্রাণকেষ্ট। মালসার ঘুঁটের আগুনটা উসকে দিল হাত দিয়ে। অন্ধকার থাকতেই ধান কাটতে বেরিয়েছে সে। কড়া শীতে হাত দুটো অবশ হয়ে এসেছে। একটু গরম হয়ে নেবে সে তামাক টানতে টানতে। গায়ে জড়ানো পাতলা কাঁথাটা কাজে ব্যাঘাত ঘটালেও ছাড়তে
-
দুর্ভাগ্যের কথা হলেও সত্য যে, প্রায় আদিকাল থেকেই শিল্পসাহিত্যের মার্কসবাদী দৃষ্টি ভ্রান্তি ও বিচ্যুতির মধ্যে যতটা প্রকাশ্য, তার সঠিক ও নির্ভুল ব্যবহারে ততটা নয়। আমরা ভিত ও ওপরতলার উপমাসূত্রে বস্তুজীবন ও শিল্পসাহিত্যমনের পরোক্ষ, জটিল ও দূরান্বয়ী সম্পর্কের কথা বলাবলি করেছি অনেক—কিন্তু কার্যত শিল্পসাহিত্যের বিচারে সেই ভারসাম্যের প্রমাণ রেখেছি সামান্যই। শুধু স্তালিন যুগের ঝ্দানভীয় অন্ধতাকে দোষ দিলে কী হবে, স্বয়ং মার্কস বা এঙ্গেলসকেও তো অনেক সাবধানবাণী উচ্চারণ করে যেতে হয়েছে, নিজেদেরই আবিষ্কৃত তত্ত্বের ভ্রান্ত প্রয়োগের জন্য খেদ করতে হয়েছে। আর এখনও পর্যন্ত, অনেক ঠেকে, অনেক জেনেও, মার্কসীয় শিল্পতত্ত্বের প্রথম ভ্রান্তির পুনরাবৃত্তি দেশে দেশে।
আমাদের দেশের অভিজ্ঞতাতেই আসা যাক। এখনও, এমন কী
-
প্রেমচন্দের এই প্রবন্ধটি প্রেমচন্দের শেষ রচনা, মৃত্যুর দু'মাস আগে লেখা। তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৩৬ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যা “হংস” পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। নিবন্ধগুলির মধ্যে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এটি পড়লে বোঝা যায়, প্রেমচন্দ, কত দ্রুত ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদের স্বরূপ বুঝতে পেরেছিলেন ও সোভিয়েট গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল্য বিচার করে তাকে স্বীকার করে নিয়েছিলেন। সেজন্য এই নিবন্ধটি প্রেমচন্দের টেস্টামেন্ট ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর বিরোধিতার বলিষ্ঠ সাক্ষ্য।
“মজুদ এ দিল মসীহা নফ্সে মী আয়দ;
কি জ অনফাস খুশশ বুএ একসে মী আয়দ। "
[“হৃদয়, তুই প্রসন্ন হ—মুক্তিদাতা তোর দিকে এগিয়ে আসেন সশরীরে, দেখিস্ নাকি জনতার নিঃশ্বাসে কার সুগন্ধ ভেসে আসে।”]
সামন্ততান্ত্রিক সভ্যতায় মজবুত শরীর আর বলিষ্ঠ
-
সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ
লেখক: রেবতী বৰ্মণ
প্রকাশক: ন্যাশনাল বুক এজেন্সি লিমিটেড, কলিকাতা
বন্ধুবর রেবতী বর্মণ আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তার বিয়োগোত্তর প্রকাশনী ‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ তার সর্বশেষ গ্রন্থ। স্বভাবতই এই গ্রন্থ-সমালোচনার সময় আগে রেবতীবাবুর বিয়োগ-ব্যথাই তার অগণিত বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে বড় হয়ে উঠবে। তাই অনেকটা হৃদয়াবেগ সংযত করেই আলোচনায় অবতীর্ণ হচ্ছি।
‘সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশ’ মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস বিশ্লেষণ করার মহৎ প্রচেষ্টা। বাংলা ভাষাতে অমিত সেনের ‘ইতিহাসের ধারা’র পরে এইরূপ সার্থক গ্রন্থ আর সম্ভবত প্রকাশিত হয়নি।
‘ইতিহাসের ধারা’য় মানব-সমাজের বিভিন্ন যুগের ধারা বিভাগ ও বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ অসাধারণ-রকমের সহজ ভঙ্গিতে বলা হয়েছে ৷ ‘সমাজ ও সভ্যতার
-
পূর্ব পাকিস্তানে ‘পরিচয়’-এর প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়েছে। পূর্ব পাকিস্তান আদেশক্রমে জ্যৈষ্ঠ, ১৩৫৯ সংখ্যা ও তৎপরবর্তী কোনো সংখ্যা ‘পরিচয়’ পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে পারবে না।
কেন এই আদেশ, আমরা জানি না। প্রকাশ ‘পরিচয়’-এ নাকি ‘আপত্তিকর সংবাদাদি’ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু কথাটা কি মূলত ঠিক?
‘পরিচয়’-এর পাঠকেরা জানেন, কী ধরনের লেখা ‘পরিচয়’ সাধারণত প্রকাশ করে এসেছে। বাঙলা ভাষায় যে সাহিত্য আমাদের আছে, তাকে অগ্রসর করাই ছিল ‘পরিচয়’-এর প্রধান কাজ। প্রগতিশীল সংস্কৃতির উজ্জীবনই ‘পরিচয়’-এর প্রধান লক্ষ্য।
এই লক্ষ্যসাধনে অন্যান্য অবশ্য প্রয়োজনীয় কর্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে ‘পরিচয়’ যে বিশেষ একটি ভূমিকা পালন করেছে তা আবার মনে করিয়ে দেই। সে-ভূমিকাটি হল শান্তির জন্য সংগ্রামের ভূমিকা ;
-
প্রায় ৮৪ বৎসর বয়সে সরলা রায় (মিসেস্ পি. কে. রায়) দেহত্যাগ করেছেন। যথাকালেই তাঁর জীবনাবসান হয়েছে, বলতে হবে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে তিনি এখনো এতটা দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গে অধিষ্ঠিতা ছিলেন যে, তাঁর অনুপস্থিতি স্বীকার করে নেওয়া তাঁর দেশের ও সমাজের পক্ষে সহজ নয়। সম্ভবত, তাঁর উত্তরাধিকারিণীও আর একাল কেউ আসবেন না।
আমাদের অনেকেরই নিকট মিসেস্ পি. কে. রায় “গোখলে মেমোরিয়েল গার্লস্ স্কুলের” (এবং তার কলেজ শাখারও) প্রতিষ্ঠাত্রী ও প্রধান পরিচালিকা হিসাবেই সুপরিচিতা ছিলেন। হয়ত এজন্যই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের প্রথম নারী সদস্যা মনোনীত হন। বাংলা দেশের উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কন্যাদের শিক্ষাবিষয়ে সে স্কুলটির যে বিশেষ দান আছে তা সুপরিজ্ঞাত।
বিলেতী ধনিকশ্রেণীর উদারনৈতিক
-
আইনস্টাইন-রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ নিয়ে আজ কিছু আলোচনা করব। আইনস্টাইন ছিলেন বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞানবিদ আর রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বিশ্বকবি, শিল্পী ও দার্শনিক। এই দুই মহামনীষীর মধ্যে কোথায় কতটুকু মিল ও পার্থক্য তা এই আলোচনা প্রসঙ্গে অনেকটা বোঝা যাবে।
বৈজ্ঞানিক খ্যাতির জন্যই যে রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন তা নয়। আইনস্টাইন বৈজ্ঞানিক অপেক্ষা আরও বড়-কিছু ছিলেন, যার জন্যে তাঁকে বিশ্বের মানুষ বলে বিশ্ববাসী স্বীকার করে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল। বিজ্ঞানজগতে তাঁর অবদানের তুলনা নেই—এ কথা যেমন সত্য, তাঁর বিশ্বমানবতা ও মানবপ্রীতি পৃথিবীর ইতিহাসে তাঁকে সমুচ্চ স্থান দিয়েছে—এ কথাও তেমনি সত্য। বিশ্বমানবতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হলেও আইনস্টাইন ছিলেন জাতীয়তাবাদী। এইখানেই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আইনস্টাইনের 'আশ্চর্য মিল। স্বজাতি ও স্বদেশকে স্বীকার
-
রুশ দেশ ও রুশ জাতির সঙ্গে আমার কালের বাঙালীদের অনেকেরই পরিচয় করিয়েছে রুশ সাহিত্য। আর শুধু রুশিয়ার নয়, নিজেদের সঙ্গেও আমরা তাতে পরিচিত হয়েছি। আসলে পরিচিত হয়েছি মানুষের সঙ্গে, আর মানুষের জীবন-সত্যের সঙ্গে। সব সাহিত্যেরই এই ব্রত। রুশ সাহিত্যে সে ব্রত সার্থকভাবে পালন করতে পেরেছে বলেই আমরা অনুবাদে পড়া রুশ-সাহিত্যের নামেও পাগল হতাম। তাই আজও আমরা শুধু লেনিনের নামেই রুশিয়ার সম্মুখে প্রীতি ও শ্রদ্ধাভরে দাঁড়াই না, দাঁড়াই তার রুশ সাহিত্যিকদের নামেও। চেখফ তেমনি একটি নাম।
একটা প্রশ্ন তবু আছে—রুশ-জীবনের এই পরিণতির কী আভাস ছিল চেখফ-এর গল্পে নাট্যে? একথা তো জানি এবং অনুভব করতে পারি—সেদিনের রাজনৈতিক দল ও মতবাদ সম্বন্ধে চেখফ
-
যেখানে যা কিছু ঘটে অনিষ্টি
সকলের মূলে কমিউনিষ্টি।
মুর্শিদাবাদে হয় না বৃষ্টি
গোড়ায় কে তার? কমিউনিষ্টি।
পাবনায় ভেসে গিয়েছে সৃষ্টি
তলে তলে কেটা? কমিউনিষ্টি।
কোথা হতে এলো যত পাপিষ্ঠি
নিয়ে এলো প্লেগ কমিউনিষ্টি।
গেল সংস্কৃতি গেল যে কৃষ্টি
ছেলেরা বললো কমিউনিষ্টি।
মেয়েরাও ওতে পায় কী মিষ্টি
সেধে গুলি খায় কমিউনিষ্টি।
যে দিকেই পড়ে আমার দৃষ্টি
সে দিকেই দেখি কমিউনিষ্টি।
তাই বসে বসে করছি লিষ্টি
এ পাড়ায় কে কে কমিউনিষ্টি।
পরিচয়, ফাল্গুন ১৩৬৯
(বৰ্ষ ৩২ ॥ সংখ্যা ৮)
-
ছায়া 'পূর্বগামিনী'। কিন্তু দুর্ভিক্ষের শুধু ছায়া নয়, দুর্ভিক্ষই আবার এসে গেল! কর্তৃপক্ষ এখনো জানাচ্ছেন, ‘সব ঠিক হ্যায়। এদিকে মফঃস্বল থেকে প্রতিদিন যে সংবাদ কাগজে প্রকাশিত হচ্ছে তাতে দেখছি চালের দর ২৫/৩০ টাকা ছাড়িয়ে দু'একখানে এখনি ৪০ টাকায় পৌঁছচ্ছে। সরকারের গুদামে চাল ক্রমেই কমে আছে—তারা আমন ফসল মোটেই সংগ্রহ করতে পারেনি—অবশ্য সরকারের নাম করে তাদেরই অনুগ্রহভাজন এজেন্টরা যে সে ফসল নিজেদের চোরাগুদামে সংগ্রহ করে বসে আছে, তাতে সন্দেহ নেই। অন্য দিকে আই. সি. এস ও মিলিটারি অফিসারের রাজত্বে সাপ্লাই ডিপার্টমেন্টের গুদামে গুদামে যা চাল আটা আছে, তাও পচছে। এবার দুর্ভিক্ষ আরও ভয়ংকর হবার কথা। কারণ, একে 'ফসল ফলেছে কম; তাতে ভারতবর্ষ
-
“একটা ভাল ফিল্ম-স্টুডিয়ো তৈরি করা এমন কিছু কঠিন নয়। কিন্তু একটা ভাল ফিল্ম তৈরি করা খুবই কঠিন। বিষয় আর নির্মিতির অভাব ভাল স্টুডিয়ো আর ভাল যন্ত্রপাতি দিয়ে মেটানো যায় না। শিল্পের মানে শিল্পই। কোনো কিছুই শিল্পের বিকল্প নয়। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ হয় না। নতুন যন্ত্রপাতি দিয়েও হয় না। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলে শুধু শ্লোগান-বানানো হয়। যন্ত্রপাতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলেও ভাল কিছু হয় না। মানবজমিনই, হচ্ছে আসল কথা।
‘(শিল্প) প্রতিভার বিকাশ অত সহজ কাজ নয়, দু-এক বছরে এ কাজ হয়, না, এর জন্যে ধৈর্য দরকার। ...শিল্পীদের বেশি খাটানো কখনোই উচিত নয়। শিল্পীদের পক্ষে রাতদিন খাটা সম্ভব
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- মার্কসবাদ
- সমাজতন্ত্র
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- জীবনী
- লেখক
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- কবিতা
- রবীন্দ্রনাথ
- নৃত্য
- আলোচনা
- বই
- পাকিস্তান
- ফ্যাসিবাদ
- অনুবাদ
- গদ্যকাব্য
- চলচ্চিত্র
- লোককাহিনী
- ওষুধ
- বিজ্ঞান
- চিরায়ত
- মুক্তিযুদ্ধ
- ছোটগল্প
- যুদ্ধ
- ছড়া
- দুর্ভিক্ষ
- বাংলা
- স্মৃতিকথা
- পশ্চিমবঙ্গ
- গদ্য
- দর্শন
- রোজনামচা
- ক্রিকেট
- উদ্ভাবন
- ভারত
- সমাজ
- ঢাকা
- নাট্যশালা
- আধ্যাত্মিকতা
আর্কাইভ
লেখক
- অন্নদাশঙ্কর রায় (১)
- অরুণ সেন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আন্তোনিও ফ্রাঞ্চেস্কো গ্রামশি (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৫)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নিবারণ পণ্ডিত (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩৬)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিষ্ণু দে (১)
- মমতাজুর রহমান তরফদার (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সুশীল জানা (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.