সন্তানের পরিবেশ-সচেতনতায় মায়ের ভূমিকা
আমাদের চিরচেনা জগৎ ধীরে ধীরে হারিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে চলেছে ধ্বংসের দিকে। এর মূল কারণ পরিবেশদূষণ। পবিবেশদূষণ, গাছপালার নিধন আমাদের জলবায়ুকে করে তুলছে প্রতিকূল। গ্লোবাল ওয়ার্মিং আজ সারা বিশ্বের জন্যই ভয়াবহ অভিশাপ। এ পরিবেশদূষণ ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে করে তুলছে বসবাসের অযোগ্য; তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে করে তুলছে অনিশ্চিত।
পৃথিবীর অন্য বহু দেশের তুলনায় বাংলাদেশ অতি ক্ষুদ্র। তবে আমাদের পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে প্রতিটি দেশকে হতে হবে পরিবেশ-সচেতন এবং পৃথিবীকে করে তুলতে হবে চিরসবুজ ও দূষণমুক্ত। একজন মানুষের মধ্যে মানবজাতি রক্ষার্থে এই পরিবেশ-সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ-দূষণ রোধের মূল্যবোধ তৈরিতে মায়ের চেয়ে বড় শিক্ষক আর কেউ নন। একজন মা-ই পারেন তার সন্তানের মধ্যে পরিবেশ-সচেতনতা সৃষ্টি করতে। একজন শিশুর মধ্যে তৈরিকৃত এ মূল্যবোধ তাকে সারা জীবন পরিবেশদূষণ থেকে বিরত রাখবে। একজন মা-ই তার সন্তানকে প্রথম গাছকে ভালোবাসতে শেখান। শিশু তার মায়ের কাছ থেকেই জানে যে প্রতিটি গাছের জীবন আছে।
একজন মানুষের মধ্যে মানবজাতি রক্ষার্থে এই পরিবেশ-সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ-দূষণ রোধের মূল্যবোধ তৈরিতে মায়ের চেয়ে বড় শিক্ষক আর কেউ নন। একজন মা-ই পারেন তাঁর সন্তানের মধ্যে পরিবেশ-সচেতনতা সৃষ্টি করতে। একজন শিশুর মধ্যে তৈরিকৃত এ মূল্যবোধ তাকে সারা জীবন পরিবেশদূষণ থেকে বিরত রাখবে।
একটি ছোট গাছ মাটি থেকে উপড়ে ফেলা আর একটি প্রাণ হত্যা করা একই কথা। আমরা প্রতিনিয়ত ঢাকা শহরে গাছ কেটে বিল্ডিংয়ের পর বিল্ডিং তুলে এ শহরকে করে তুলছি বসবাসের অনুপযোগী। যে পরিমাণ গাছ প্রতিনিয়ত এ দেশে কাটা হচ্ছে তার সমপরিমাণ তো নয়ই, খুবই সামান্য পরিমাণ গাছ রোপণ করা হচ্ছে। একজন মা তার শিশুকে গাছ রোপণে আগ্রহী করে তুলতে পারেন। ঢাকা শহরের বাড়ির সামনে জায়গার অভাবে গাছ লাগানোর উপায় নেই। তবু উঁচু উঁচু বিল্ডিংগুলোর ছাদ হয়ে উঠতে পারে এক একটি স্বপ্নের বাগানঘর। প্রতিটি বাসার ছাদে সে ব্যবস্থা থাকা উচিত, যেন মা ও সন্তানেরা মিলে ছোটখাটো এক বাগান তাতে তৈরি করতে পারে। আবার এক-একটি বারান্দাও হয়ে উঠতে পারে ছোট ছোট বৃক্ষ ও লতাপাতা-শোভিত।
বর্তমানে শুধু ঢাকা শহর নয়, সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশকে ধূসর অন্ধকার করে তুলতে শহরের লোকজন বহু গাছপালা কেটে গ্রামে গ্রামে গড়ে তুলছে কারখানা, ফ্যাক্টরি। যা প্রতি মুহূর্তে দূষিত করছে পরিবেশকে। কীভাবে সর্বনিম্ন দূষণের মধ্য দিয়ে এই কারখানা, ফ্যাক্টরির কাজগুলো করা সম্ভব, তা উদ্ভাবন করতে হবে এবং আমাদের দেশকে বাঁচাতে হলে সে নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। ঢাকা শহরের রাস্তার আইল্যান্ডে লাগানো হয়েছে গাছের সারি। সেসব গাছে নিয়মিত পানি দেওয়া হয় না। সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় বাড়িঘরের নানা আবর্জনা। মানুষকে উপলব্ধি করতে হবে যেখানে-সেখানে এভাবে ময়লা ফেলে সম্পূর্ণ ঢাকা শহরকেই আবর্জনার শহরে পরিণত করা মানে নিজ জীবনের ধ্বংসকে ডেকে আনা।
শিক্ষাজীবনের শুরু শিশুকালে। একজন মা-ই তার সন্তানকে বড় করতে করতে গাছের জীবনের মূল্য বোঝানো থেকে শুরু করে গাছ লাগানো, যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলা, কী কী উপায়ে পরিবেশ দূষিত হয়, তা বোঝানো এবং বড় হয়ে যেন সেসব কাজ থেকে বিরত থাকে তার নিশ্চয়তা দিতে পারেন। আমাদের সমাজের খুব সাধারণ দৃশ্য একজন শিশু তার মা-বাবার সঙ্গে পার্কে গিয়ে খেলছে, শিশু আইসক্রিম খাচ্ছে তো মা-বাবা বাদাম, মুড়ি খাচ্ছে। খাওয়া শেষে দেখা যায় সন্তানসহ বাবা-মা সবাই বাদামের খোসা, আইসক্রিমের খোলস, পলিথিন ব্যাগ সবই পার্কের মাটিতে ফেলছে, যা পার্কের চিরসবুজ পরিবেশকেও দূষিত করছে। এই সমস্যার সমাধান সম্ভব তখনই, যখন বাবা-মা পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন এবং সন্তানকেও তা শেখাবেন। বিদেশে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার জন্য জরিমানা অনেক টাকা। কিন্তু বাংলাদেশে এভাবে
লেখাটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
এক বছর
এক মাস
রেজিস্ট্রেশন করা নেই? রেজিস্ট্রেশন করে ৭ দিন বিনামূল্যে ব্যবহার করুন
যোগাযোগ করতে
Leave A Comment
Don’t worry ! Your email address will not be published. Required fields are marked (*).


Comments