-
বিক্রমপুরের সুদূর গ্রামাঞ্চলে বসে ভারতীয় বেতারের প্রচারিত সংবাদ শুনছিলাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে আকাশবাণী ঘোষণা করছে, ময়মনসিংহ জেলার মধুপুরগড়ে পাক-সৈন্যদলের আর মুক্তিবাহিনীর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ চলছে।
মধুপুরগড়? চমকে উঠলাম। একসময় এই মধুপুরগড়কে কেন্দ্র করে কতো রোমাঞ্চকর স্মৃতি নিয়ে রোমন্থনই না করেছি। শতাধিক বছর আগে এই মধুপুরগড় আমাদের দেশের রাজনৈতিক আবর্তনের ইতিহাসের পাতায় একটু স্থান করে নিয়েছিল। আজকের দিনে আমাদের কাছে সেই ঐতিহ্য হয়তো তুচ্ছ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু সেদিন এই মধুপুরগড়ে একদল বিদ্রোহীর অভ্যুত্থান সারা বাংলার মানুষের মনে আলোড়ন জাগিয়ে তুলেছিল। সেই বিদ্রোহ আকারে ছোটো হলেও তখনকার দিনের ব্রিটিশ রাজপুরুষরা তাই নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিল।
আমি সন্ন্যাসী-বিদ্রোহের কথা
-
ইয়াহিয়ার জঙ্গী বাহিনী ২৫-এ মার্চ তারিখে পাবনা শহরে এসে ঢুকে পড়ল। শহরের মানুষ আতঙ্কিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিল। শীগ্গিরই এই ধরনের একটা ঘটনা ঘটে যাবে, তারা মনে মনে এই আশঙ্কা করছিল। কিন্তু সেই ঘটনা যে এতো তাড়াতাড়ি ঘটবে, সেটা তারা ভাবতে পারে নি। এই তারিখেই ঢাকা শহরে আক্রমণ শুরু হয়েছিল, কিন্তু সেটা গভীর রাত্রিতে। ওরা ২৫-এ মার্চ শেষ রাত্রিতে পাবনা শহরে এসে হামলা করল।
শহর থেকে মাইল চারেক দূরে হেমায়েতপুরের কাছে ইপসিক (ঊচঝওঈ)-এর অফিস। পাক-সৈন্যরা সেইখানে এসে ঘাঁটি গেড়ে বসল। তারপর সেখান থেকে কিছু সৈন্য শহরে এসে ট্রেজারী দখল করে নিল। তাছাড়া ২৭ জন সৈন্য টেলিফোন এক্সচেঞ্জ কেন্দ্র দখল করে বসল।
-
ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম পরিচয় বনগাঁ শহরে। তিনিই আমাকে খুঁজে নিয়েছিলেন, না আমিই তাঁকে খুঁজে বের করেছিলাম, সে কথাটা এখন ঠিক মনে করতে পারছি না। তবে খুব অল্প সময়ের ভেতরেই আমাদের দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে একথা ওকথা বলতে বলতে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক বিয়োগবিধুর ও মর্মস্পর্শী কাহিনী বলে চলেছিলেন। ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে ইতিপূর্বে পরিচয় না থাকলেও আমি তাঁর নাম শুনেছি। তাঁর বাড়ি যশোর জিলার ঝিনাইদহ মহকুমায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে তিনি কোনো এক কলেজে অধ্যাপকের কাজ শুরু করেছিলেন। ভেবেছিলেন, অধ্যয়ন ও অধ্যাপনার মধ্য দিয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন। এর চেয়ে আনন্দময় জীবন আর কি হতে পারে! কিন্তু
-
২৫-এ মার্চ থেকে শুরু হলো ওদের আক্রমণ। ওদের নিশাচর বাহিনী গভীর রাত্রিতে অতর্কিতে ঢাকা শহরে হিংস্র বাঘের মত ঝাঁপিয়ে পড়ল, সারা শহর রক্তের প্লাবনে প্লাবিত করে দিল। সেই আক্রমণের ঢল দ্রুতবেগে নেমে এলো, দেখতে দেখতে সারা প্রদেশময় ছড়িয়ে পড়ল। এই ধরনের পৈশাচিক আক্রমণের জন্য প্রস্তুত ছিল না কেউ। ওদের অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ে দাঁড়াবার মতো প্রস্তুতিও গড়ে ওঠে নি। ওরা ধ্বংসের আগুনে শহরের পর শহর আর গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করতে করতে এগিয়ে চলল। ওদের কামান, মেসিনগান আর আধুনিক যুগের উন্নত ধরনের মারণাস্ত্রের বিরুদ্ধে যা দিয়ে লড়াই করবে, এমন কি হাতিয়ার আছে জনসাধারণের হাতে?
তাহলেও বিদ্রোহী বাঙালি এই
-
চন্দ্রগঞ্জের যুদ্ধের পর সুবেদার লুৎফর রহমান নোয়াখালীর বিভিন্ন অঞ্চলে শিকারের সন্ধানে ছুটে চলেছিলেন। তাঁর এক মুহূর্তও বিশ্রামের অবকাশ নেই। তিনি পাক-সৈন্যদের গতিবিধি সম্পর্কে দক্ষ শিকারীর মতো তীক্ষè সন্ধানী দৃষ্টি নিয়ে ফিরছিলেন। মুক্তিবাহিনীর গুপ্তচরেরা নিত্য নতুন সংবাদ নিয়ে আসছে। আর সেই সূত্র অনুসরণ করে তাদের মুক্তিবাহিনী যেখানেই সুযোগ পাচ্ছে, সেখানেই শত্রুদের উপর ঘা দিয়ে চলেছে।
আঘাতের পর আঘাত হানো-কখনও ডাইনে কখনও বাঁয়ে, কখনও সামনে থেকে, কখনও বা পেছন থেকে। ওদের অস্থির আর পাগল করে তোলো। ওদের কোনো সময় স্বস্তিতে বা শান্তিতে থাকতে দিও না, ওদের প্রতিটি মুহূর্ত দুর্ভাবনায় কাটুক। ওরা যেন ঘুমের মধ্যেও দুঃস্বপ্ন দেখে আঁতকে উঠে। মুক্তিবাহিনী এই নীতি অনুসরণ
-
গভীর রাত্রিতে ওরা দিনাজপুর শহরে এসে ঢুকল। এ রাত্রি সেই ২৫-এ মার্চের রাত্রি, যে-রাত্রির নৃশংস কাহিনী পাকিস্তানের ইতিহাসকে পৃথিবীর সামনে চির-কলঙ্কিত করে রাখবে।
ওরা সৈয়দপুর থেকে এসে অতি সন্তর্পণে শহরের মধ্যে ঢুকল। শ’খানেক পাঞ্জাবী সৈন্য। শহরের ঢোকার মুখে প্রথমেই থানা। সৈন্যরা প্রথমে থানা দখল করে নিয়ে সেখানে তাদের ঘাঁটি করে বসল। তারপর তারা তাদের পূর্ব-নির্ধারিত পরিকল্পনা-অনুসারে শহরের টেলিগ্রাম ও টেলিফোনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলো। সেইদিনই শেষ রাত্রিতে দিনাজপুরের বিখ্যাত কৃষক নেতা গুরুদাস তালুকদার এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট হিন্দু নাগরিক তাদের হাতে গ্রেফতার হলেন। এমন নিঃশব্দে ও সতর্কতার সঙ্গে এ সমস্ত কাজ করা হয়েছিল যে, শহরের অধিকাংশ লোক তার বিন্দুমাত্র আভাস
-
বাড়ি? বাড়ি আমার বরিশার জেলার মূলাদি গ্রামে। মূলাদির নাম শোনেন নি?
হ্যাঁ, শুনেছি বৈ কি, উত্তর দিলাম আমি।
ছোটো বেলাতে সখ ছিল মিলিটারিতে যাব। শেষ পর্যন্ত সাংসারিক প্রয়োজনে সেই মিলিটারিতেই ঢুকতে হলো। সৈনিকের জীবনটা ভালোই লাগছিল আমার। বছর কয়েক পরে আমাকে স্পেশিয়াল ট্রেনিং-এর জন্য কোয়েটায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে আমি প্যারাট্রুপারের ট্রেনিং নিচ্ছিলাম। একটা শত্রু-অধিকৃত অপরিচিত এলাকায় কি করে ধ্বংস কার্য চালাতে হয় এই ট্রেনিং-এর মধ্য দিয়ে তারই শিক্ষা দেওয়া হয়। এ লাইনে যাঁরা অভিজ্ঞ, তাঁরা বলেন, একজন দক্ষ প্যারাট্রুপার বহু অসাধ্য সাধন করতে পারে। কথাটা যে কত বড় সত্য, আমার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি তা বুঝতে পেরেছি। এই ট্রেনিংটা
-
সংবিধান হচ্ছে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বপ্রথম সংবিধান সম্পর্কে মহামতি লেনিন মন্তব্য করেছিলেন যে—এ যাবৎ সব সংবিধানই শাসক শ্রেণির স্বার্থকে সুরক্ষা প্রদান করেছে। সোভিয়েত সংবিধানই প্রথম কোনো সংবিধান যা শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থকে সংহত করতে ভূমিকা রাখবে। সোভিয়েত সংবিধান হবে সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান লাভ করে, যা ছিল বাংলা ভাষায় লেখা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রথম কোনো সংবিধান। পাকিস্তান আমলে সংবিধান প্রণয়নে প্রায় নয় বছর লেগেছিল, যদিও সেটি আড়াই বছরের বেশি কার্যকর ছিল না। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাপ(মোজাফ্ফর) কিছু পরিবর্তন ও সংশোধনের সুপারিশসহ
-
যুদ্ধ-সাহিত্যের সমাদর সব দেশেই রয়েছে। তার তাৎক্ষণিক প্রচার ও জনপ্রিয়তা ব্যাপক। যে-কারণে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের উপরে লেখা এককালের জনপ্রিয় ইংরেজি বা রুশ উপন্যাসও আজ আর তেমন সমাদৃত নয়, ঠিক একই কারণে যুদ্ধ ও মন্বন্তর নিয়ে লেখা চল্লিশের বাংলা গল্প ও উপন্যাসও পাঠক-মনে আর তেমন রেখাপাত করে না।
যুদ্ধ ও বিপ্লব সব সময় সমার্থবোধক নয়। এজন্যেই গণ-বিপ্লব, রাষ্ট্রবিপ্লব ও গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি নিয়ে রচিত কোন কোন যুদ্ধ-সাহিত্য যুগোত্তীর্ণ সাহিত্য। যে কাহিনীতে কেবল যুদ্ধই মুখ্য নয়, যুদ্ধের পেছনের সামাজিক ও রাজনৈতিক দিগন্ত বিস্তৃত, তা রসোত্তীর্ণ হলে যুগজয়ী সাহিত্যের ধ্রুপদী-চরিত্র লাভ করে—যেমন টলস্টয়ের ‘ওয়ার এণ্ড পীস্’, এরেনবুর্গের ‘ফল্ অব পারি’। বাংলাদেশের বর্তমান মুক্তিযুদ্ধও কেবল যুদ্ধ
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
কবিতায় আসে বাংলাদেশের গান
রংয়ের বাহার শিশিরের কণা যত
ভাবি না কখনো জাগিবে কবিতাখান
যেন বন্দর খোলে নাবিকের কথামতো।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার দিনটিতে, ২৬শে মার্চ ১৯৭১, এই দেশের সঙ্গে আমার ভবিষ্যৎ যোগাযোগের ভাবনা না ভেবেই দীর্ঘ পথযাত্রার প্রস্তুতি আমি নিচ্ছিলাম। ঝড়ে ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধারের দায়িত্বে নিয়োজিত উত্তরাঞ্চলীয় নৌবহরে ২৭শে মার্চ সকালে আমার যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রাপথেও এবং শ্বেত সাগরে কঠিন দায়িত্ব পালনের সময়েও আরো অনেক সোভিয়েত মানুষের মতোই আমি চিন্তাক্লিষ্ট মনযোগ নিয়ে সুদূর দক্ষিণপূর্ব ভারতীয় উপমহাদেশের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করছিলাম। সংবাদপত্রে সেখানকার হৃদয়বিদারক কাহিনী আমরা তখন যথেষ্ট সহানুভূতির সঙ্গে অনুসরণ করেছি। দিনা নদীর
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
সামরিক নৌবাহিনীতে চাকরির দীর্ঘ বৎসরসমূহে, বিশেষত উত্তরাঞ্চলীয় নৌবহরে উদ্ধারকারী ও সহায়তাকারী ইউনিটসমূহের অধিনায়কের পদে থাকাকালীন আমি নানা ধরনের আকস্মিক কর্মকাণ্ডে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। আমার দায়িত্বের ধরনটাই এমন ছিল যে, যেখানে যখনই কোনো জাহাজ কিংবা মানুষ দুর্ঘটনাকবলিত হোক তৎক্ষণাৎ সেখানে উদ্ধারকর্মে বেরিয়ে যেতে হবে তা নৌযানে কিংবা উড়োজাহাজে বা হেলিকপ্টারে বা মোটরগাড়ি বা রেলগাড়িতে যেভাবেই হোক। এ সমস্ত ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় জাহাজে রিপোর্ট করার বিষয়ে খুব কড়াকড়িভাবে নিয়ম মানা হত। এ জন্য যেখানেই থাকি আর যাই করি না কেন আমার অবস্থান সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবগত রাখা ছিল বাধ্যতামূলক। ফলে, আমার ঘরে সব সময়ে একটা বিশেষ 'দুর্যোগ বাক্স' রাখা
-
লেখক: রিয়ার-অ্যাডমিরাল সের্গিয়েই পাভিচ্ জুয়েল্কো
এপ্রিল মাসে বড়ো কঠিন সময় কাটল, তবে তার ইতিবাচক ফলাফল ক্রমশ দেখা দিতে লাগল; এবং যা-কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল সবই বাস্তবায়িত হতে লাগল। বিচ্ছিন্ন কিছু জাহাজ আমাদের নৌবহরের গতিপথ অনুসরণ করে বন্দরে এসে ভিড়ল এবং মাল খালাস করল।
মে মাসের প্রথম দিকে ১৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট 'সুদর্শনা হংকং' ট্যাঙ্কার জ্বালানি বহন করে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করল। এটা ছিল উদ্ধারাভিযানের প্রথম সাফল্য। এর ফলে এদেশে প্রেরিত যাবতীয় সহায়তা ও মালামাল বন্দরে খালাস করার সুযোগ মিলল।
বাংলাদেশের জনজীবনে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা সম্পর্কে কিছু বলা দরকার। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় এই বন্দর অবস্থিত। তার পানি পলিমাটি-ভরা হওয়ার কারণে
ক্যাটাগরি
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অজিত চক্রবর্তী (১)
- অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক (২)
- অনু ইসলাম (১)
- অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (৪)
- আবদুল গাফফার চৌধুরী (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমীন আহম্মেদ চৌধুরী (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- কল্লোল বনিক (১)
- কাইফি আজমি (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- কে জি মুস্তফা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গোপাল হালদার (১)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- জর্জ হ্যারিসন (১)
- জসীম উদ্দীন মণ্ডল (১)
- জহির রায়হান (২)
- তপন কুমার দে (১)
- তাজউদ্দীন আহমদ (১)
- দাউদ হোসেন (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (২)
- নির্মলেন্দু গুণ (২)
- প্রক্রিয়াধীন (৪১)
- প্রযোজ্য নয় (১)
- ফকির আলমগীর (২)
- ফেরদৌসী মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- মণি সিংহ (১)
- মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (২)
- মোহাম্মদ শাহ আলম (১)
- যতীন সরকার (৪)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- রিঙ্গো স্টার (১)
- শওকত ওসমান (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- সত্যেন সেন (২২)
- সন্তোষ গুপ্ত (১)
- সামিহা সুলতানা অনন্যা (৪)
- সিদ্দিক সালিক (২)
- সিমিন হোসেন রিমি (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (১)
- সৈয়দ আলী আহসান (১)
- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম (১)
- হায়দার আকবর খান রনো (১)
- হাসান মুরশিদ (৬)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
- হুমায়ুন আজাদ (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.