-
বেগম সুফিয়া কামাল এদেশের প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ও নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক চরিত্র। মানব ইতিহাসে কেউ মহৎ হয়ে জন্মগ্রহণ করেন, কেউ স্বীয় সাধনায় মহত্ত্ব অর্জন করেন, আবার কারও ওপর মহত্ত্ব আরোপ করা হয়। আলোচ্য বেগম সুফিয়া কামালকে আমরা দ্বিতীয় শ্রেণিতে ফেলতে পারি। কারণ, মহত্ত্ব অর্জন করার জন্য তাকে নিরন্তর আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকে শেষাবধি প্রদেশের নারী আন্দোলনে ও সংগ্রামে সংম্পৃক্ত থেকে এবং নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতিহাসে আলোচনায় এসেছেন।
বরিশালের শায়েস্তায়াদের নবাব পরিবারে জন্ম নিয়ে তিনি কিভাবে নারীর স্বাধীনতা ও অধিকারের আন্দোলনে সামিল হন সে কাহিনী সকলেরই কমবেশি জানা। তার কর্মজীবন শুরু হয় আধুনিকতার অন্যতম স্মৃতিকাগার
-
লকলকিয়ে বেড়ে ওঠা গোপন দুঃখগুলো হঠাৎ করেই জানান দিচ্ছে জীবন্ত অস্তিত্বের কথা। ফরহাদ স্যার অদূরে চেয়ে ফিরলেন নিজের মধ্যে। নিজে বলতে তিনি আজ অন্যকেউ—দখল হয়েছেন বহুদিন। এ দখল চর দখলের মত নয়, ব্রিটিশ উপনিবেশের মত—সুই হয়ে ঢুকে ফলার মত বেরুনো! দখলমুক্তির কোনো চেষ্টা করতেও সচেষ্ট হননি তিনি। যেন দখল হয়েই বেঁচে গেছেন।
ফরহাদ স্যার সম্ভবত ভীতু মানুষ নন, তবে সাহস বলতে কদাচ স্কুলের দপ্তরী ঝুমুরকে হালকা ধমকের সুরে কথা বলেছেন। কিন্তু আজ তিনি সাহসের সীমান্তের বিপজ্জনক কাঁটাতার পেরিয়ে দুঃসাহসের সীমায় পা রেখেছেন। তিনি শুনেছেন মরার সবচে’ কম কষ্টকর ও ঝুঁকিমুক্ত পদ্ধতি হলো রেললাইনে মাথা দেয়া। তাই আর বিকল্প খোঁজেননি। তবে
-
তোমার অশরীরি উপস্থিতি কি ভয়ঙ্কর!
না, ভয়ের কিছু নেই, আমি ভূত-প্রেতের কথা বলছি না।
বলছি, তোমার শারীরিক উপস্থিতির চেয়ে
অশরীরী উপস্থিতি আমাকে নিয়ত উদ্বিগ্ন করে।
যখন ছিলে, ভাবনা বলতে ছিল শুধু—তুমি আছো।
আর আজ যখন নেই, অষ্টপ্রহর ভাবনা—তুমি নেই, অথচ ছিলে।
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.