-
১৯৩৯ সনের পূর্বেই পূর্ববঙ্গের ঢাকা ও অন্যান্য শহরে রাজনৈতিক চিন্তার ক্ষেত্রে নতুন ধ্যানধারণার সূত্রপাত হয়েছিল। বৃটিশ কারাগারগুলোতে যেসব রাজবন্দী ছিলেন তাঁদের অনেকেই জেলে থাকাকালীন মার্কসবাদের দিকে ঝোঁকেন এবং জেলের বাইরে এসে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান করেন। ট্রেড ইউনিয়ন ও কৃষক সভাকে কেন্দ্র করে নতুন জীবন্ত প্রগতিশীল আন্দোলন সংগঠিত হতে থাকে এবং অল্প সময়ের মধ্যে লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের একটি গরিষ্ঠ অংশ, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে প্রগতিশীল চিন্তাধারায় অনুপ্রাণিত হন। এঁদের মধ্যে যেমন পুরোপুরি কমিউনিস্ট মতবাদের সমর্থক লেখক ছিলেন তেমনি অকমিউনিস্ট, সাধারণভাবে মানবতাবাদী বা হিউম্যানিস্ট লেখকও ছিলেন। এইসব লেখকদের সহায়তায় ঢাকায় প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ স্থাপিত হয় ১৯৩৯ সনেই। ঐ বছরেই, সকলেরই
-
আমাদের দেশের শিক্ষিত সম্প্রদায় মার্কসবাদ সম্বন্ধে খোঁজখবর রাখবার কোনো দরকার আছে বলে মনে করেন না। বুদ্ধিজীবীসুলভ কৌতূহলের বশবর্তী হয়ে অনেকে হয়তো হিটলার মুসোলিনি প্রমুখ সংস্কৃতিবিধ্বংসী মহাপুরুষদের জীবনী ও বর্তমান ইতালি ও জার্মানির রাষ্ট্রিক ও আর্থিক পরিকল্পনার প্রতি উৎসাহ-প্রদর্শন করেন; কিন্তু যে মার্কসীয় চিন্তাধারা ও কর্মপদ্ধতির সাহায্যে লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার মতো পৃথিবীর ইতিহাসে অভূতপূর্ব ব্যাপার-ঘটল, তার প্রতি অতি-বুদ্ধি-প্রসূত একটা ঔদাসীন্যের ভাব আমাদের দেশের উচ্চ-শিক্ষিত মহলে বেশ মজ্জাগত। এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম যে একেবারেই নাই তা অবশ্য নয়; কিন্তু মার্কসবাদ নিয়ে চিন্তা বা আলোচনা করেন, এমন লোকের সংখ্যা অন্যান্য সভ্য দেশের তুলনায় এ দেশে অতি নগণ্য বললেও অত্যুক্তি হয় না।
-
পয়লা মে-র ভোর।
জেলখানার গম্বুজের ঘড়িতে বাজল তিনটে। এই প্রথম আমি স্পষ্ট শুনতে পেলাম। এখন আমি পূর্ণ সচেতন। খোলা জানলা দিয়ে বিশুদ্ধ-হাওয়া আসছে, মেঝেয় পাতা গদির চারদিকে খেলে বেড়াচ্ছে, হাঁ, অনুভব করতে পারছি খড়গুলো লাগছে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, আমার দেহের-প্রতি জায়গায় যেন হাজার বেদনা জড়িয়ে আছে। হঠাৎ জানালা খুলে দিলে যেমন সব স্পষ্ট দেখা যায়, তেমনি স্পষ্ট বুঝলাম আমার অন্তিমকাল এসেছে। আমি মরছি।
অনেক দেরি করে এলে মরণ। একসময়ে আশা ছিল, বহু বহুদিন পরে তোমার সঙ্গে হবে আমার পরিচয়। স্বাধীন মানুষ হয়ে বাঁচতে চেয়েছিলাম। কত কাজ করতেও তো চেয়েছিলাম, চেয়েছিলাম ভালোবাসতে। ভেবেছিলাম ঘুরে বেড়াব পৃথিবীতে, আনন্দে গান গাইব। তখন
-
মুমূর্ষু ধনতন্ত্রের জঘন্য বিকাররূপে যখন ফ্যাসিজমের উদ্ভব ঘটেছিল, তখন থেকেই সকল দেশের মুক্তিকামী, সকল দেশের জনসাধারণ, তাকে নিজেদের পরম শত্রু বলে মনে করে এসেছে।
আসন্ন বিপ্লবের আশংকায় দিগ্বিদিকশূন্য হয়ে পৃথিবীর সাম্রাজ্যবাদ এই ফ্যাসিজমের শক্তিবৃদ্ধিতে সাহায্য করে এসেছে। এশিয়ায় জাপানকে, আফ্রিকার ইতালিকে, ইয়োরোপে জার্মানিকে ইংরেজ-ফরাসী-আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ উৎসাহ দিয়েছে, সাহায্য করেছে, ছলে বলে কৌশলে দেশের জনসাধারণের ফ্যাসিজম-বিরোধকে নিষ্ফল করে দিয়েছে, আর বকধার্মিকের মতো নিজেদের গণতান্ত্রিক বলে পরিচয় দেবার চেষ্টা করে এসেছে।
এর কারণ ফ্যাসিজমের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদ যে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত ছিল, ফ্যাসিজমের দংশনভয় যে তার ছিল না, তাও নয়। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদের ভরসা ছিল ফ্যাসিস্টরা প্রথমে আক্রমণ করবে দুনিয়ার মালিকদের চক্ষুশূল সোভিয়েত ভূমিকে।
-
রাশিয়ার রণাঙ্গনে নির্ধারিত হবে গণতন্ত্রের জীবনমরণ। মিত্রশক্তির ভাগ্য এখন কমিউনিস্টদের হাতে। রাশিয়া যদি পরাভূত হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও সমৃদ্ধ মহাদেশ এশিয়া চলে যাবে নাৎসিদের অধীনে। প্রায় পুরো প্রাচ্যদেশ জাপানীদের করতলগত হওয়ায় নাৎসিরা পৃথিবীর প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ রণসামগ্রী একেবারে নাগালের মধ্যে পেয়ে যাবে। এরপর হিটলারকে হারাবার আর কি সুযোগ থাকবে আমাদের?
এদিকে যানবাহনের অসুবিধা, হাজার হাজার মাইল দূরে আমাদের যোগাযোগ রক্ষার সমস্যা, ইস্পাত, তেল ও রাবারের সমস্যা এবং বিভেদ সৃষ্টি করে জয় করার হিটলারি রণকৌশল—এ অবস্থায় রাশিয়া যদি পরাজিত হয়, আমাদের অবস্থা হবে সঙ্গিন।
কেউ কেউ বলেন, তাতে আর কি? যুদ্ধ না হয় আরও দশ কি কুড়ি বছর চলবে। আমার
-
কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের কার্যনির্বাহী কমিটির ত্রয়োদশ প্লেনাম সঠিকভাবেই শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ফ্যাসিবাদকে সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল, সবচেয়ে জাতিদাম্ভিক এবং লগ্নী পুঁজির সবচেয়ে সাম্রাজ্যবাদী প্রতিভূর প্রকাশ্য সন্ত্রাসবাদী একনায়কত্ব বলে বর্ণনা করেছিল।
সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধরনের ফ্যাসিবাদ হল জার্মান ফ্যাসিবাদ। এর নিজেকে জাতীয় সমাজতন্ত্র বলে অভিহিত করায় ধৃষ্টতা রয়েছে, যদিও সমাজতন্ত্রের সঙ্গে এর কোনই মিল নেই। হিটলারের ফ্যাসিবাদ শুধুমাত্র বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদ নয়, এ হল পাশবিক জাতিদম্ভ। এ হল রাজনৈতিক দস্যুতার এক শাসনব্যবস্থা, শ্রমিকশ্রেণী, কৃষক, পেটি বুর্জোয়া ও বুদ্ধিজীবীদের বিপ্লবী অংশের বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও নির্যাতনের ব্যবস্থা। এ হল মধ্যযুগীয় বর্বরতা ও পাশবিকতা, অন্যান্য জাতিদের সম্পর্কে বল্গাহীন আক্রমণ।
জার্মান ফ্যাসিবাদ আন্তর্জাতিক প্রতিবিপ্লবের উদ্যত খড়গ হিসাবে, সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের প্রধান প্ররোচক
-
আজ এই রাতে মৃতরা ঠান্ডায় সিঁটিয়ে গিয়ে ঘুমোয়। তুষার বইছে জলপাই বাগানের মধ্য দিয়ে, ঝরে যাচ্ছে শিকড়ের আঁকি বুঁকি ছাঁকনির মধ্য দিয়ে। স্মৃতিফলকলাঞ্ছিত কবরস্তূপের উপর দিয়ে উড়ে চলেছে তুষার (স্মৃতিফলকের সময় ছিল একদিন!) জলপাই গাছগুলি এই শীতের হাওয়ায় কেমন ন্যাড়া ন্যাড়া দেখায়। ট্যাঙ্কগুলি গোপন করার জন্য নিচের দিকের ডালপালা কেটে নেওয়া হয়েছিল। জারামা নদীর উপরে ছোট টিলাগুলিতে এখন মৃতেরা ঘুমোচ্ছে ঠান্ডায় সিটিয়ে গিয়ে। সেই ফেব্রুয়ারি মাসের শীতে ওরা মাটি নিয়েছে, আর তারপর থেকে কত-যে ঋতুচক্র পার হল তার হদিশ আর ওরা রাখেনি।
আজ থেকে ছ-বছর আগে জারামার চড়াই সাড়ে চার মাস দখলে রেখেছিল লিঙ্কন ব্যাটেলিয়ান। আর স্পেনের মাটিতে মাটি হয়ে
-
স্মরণে রাখার মতো অন্য একটি ঘটনা হল, ফ্রন্ট থেকে তিন-চার মাইল দূরে শহরে এক অংশ আধুনিক অস্ত্র ও কামানের গোলায় বিধ্বস্ত ট্যামবভ স্ট্রীটের একটি স্কুলবাড়ি পরিদর্শন। এটি পরিচালনা করতেন টিকোমিরভ নামে একজন বয়স্ক ব্যক্তি, যিনি ‘সোভিয়েত দেশের অন্যতম একজন ভালো শিক্ষক’ এই সুনাম অর্জন করেছিলেন। মাত্র ১৯০৭-এ একজন সাধারণ শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। চরম দুর্ভিক্ষের দিনগুলিতেও যেসব স্কুল বন্ধ হয়ে যায়নি, এটি তাদের মধ্যে একটি। চার-চার বার স্কুলটি জার্মান গোলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু স্কুলের ছেলেরাই ভাঙা কাচের টুকরো সাফ করে, ভাঙা দেওয়াল সারিয়ে জানালাগুলোতে প্লাইউড লাগিয়ে নিয়েছে। গত মে মাসের শেষ-গোলাবর্ষণে একজন শিক্ষয়িত্রী স্কুলের প্রাঙ্গণেই মারা পড়েছেন।
স্কুলের ছেলেগুলো
-
যুদ্ধের গোড়ার দিকে কয়েকমাস আমাদের সৈনিকরা ফ্যাসিস্ট সৈন্যদের প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিল। কাজেই বিপক্ষের সৈনিকদের ওরা শত্রু বলে ভাবতে পারত না। ঐ সময় আমাদের সৈনিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় কখনও নিরাশ হয়েছি, আবার কখনও গৌরব বোধ করেছি।
গৌরবের বিষয় এই যে আমাদের সৈনিকরা সৌভ্রাত্রের শিক্ষা পেয়েছে, আর নৈরাশ্য এজন্য যে ফ্যাসিস্ট সৈনিকদের প্রকৃতি না বুঝে ওদের উপর আমাদের-সৈন্যরা আস্থা রেখেছিল।
যখন হিটলারের সৈন্য একটার পর একটা শহর অধিকার করে এগিয়ে আসছে, তখনও লালফৌজ ভাবছে জার্মানির শ্রমিক-কৃষক-যারা এই যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে—কখনও ফ্যাসিজমকে মেনে নিতে পারবে না। হিটলারের জার্মানি ফ্যাসিস্ট জার্মানি; সে তুলনায় এই সব সাধারণ সৈনিকদের জার্মানির প্রকৃতি ভিন্ন; যখনই সুযোগ আসবে,
-
...তারপর অকস্মাৎ ইয়োরোপে ইটালির আবিসিনিয়া আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে আমি এক প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল মানুষের জীবনে বর্বরতার আর মনুষ্যত্বের এক টাগ অব ওয়ার আরম্ভ হয়ে গেল এই বিংশ শতাব্দীতে। মানুষ যখন সর্ব বর্বরতাকে সমাহিত করে বৃহত্তর কল্যাণের দিকে চলেছে ঠিক সেই সময়েই মানুষের আত্মস্বার্থপন্থী পদ্ধতি সকল মুখোশ খুলে তাণ্ডব নৃত্য আরম্ভ করে দিয়েছে। জার্মানিতে ইহুদি নির্যাতন দেখে শিউরে উঠলাম। ফ্রয়েড, আইনস্টাইনের দুর্দশা ও অপমান, মেয়েদের অধিকার লোপ, স্পেনের গৃহযুদ্ধ, চীনের বিরুদ্ধে জাপানের অভিযান দেখলাম। মনে মনে বার বার প্রশ্ন করেছিলাম—মানুষ কি এই সহ্য করবে, এক-এক সময় প্রত্যাশা করতাম—ওই ওই দেশের মানুষেই এই বর্বরতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মনুষ্যত্বের এই চরম
-
১৯৩০-১৯৩১ সালে ধরা পড়ে আমরা বিপ্লববাদীরা যখন জেলে গেলাম—তখন ফ্যাসিবাদ কেন, সাম্রাজ্যবাদ কথাটারও সঠিক মানে বুঝতাম না। আমরা বুঝতাম আমাদের শত্রু বিদেশী ইংরেজ রাজত্ব; তারা শোষক ও লুণ্ঠনকারী। তাদের তাড়াতে হবে, পরাধীনতার শৃঙ্খল চূর্ণ করতে হবে। আন্দামানে দ্বীপান্তরে যখন গেলাম, তখনও এই রকমই মনোভাব।
আন্দামানেই প্রথম শুরু হল সবকিছু তলিয়ে বুঝবার চেষ্টা। পৃথিবীর নতুন নতুন ঘটনাবলী, নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং দেশকে স্বাধীন করবার উদগ্র বাসনা—সবকিছু মিলিয়ে আমরা অসীম আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলাম, বুঝতে চাইলাম—সাম্রাজ্যবাদ কি, সমাজতন্ত্রই বা কি, মুক্তির পথই বা কি রকম?
আন্দামানে প্রথম দিকে ওরা আমাদের কাছে খবরের কাগজ, পত্রিকা, বই, কিছুই আসতে দিত না। পরে অনশন ধর্মঘটে
-
[১৯৩৫ সালে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের সপ্তম কংগ্রেসে কমরেড জর্জি ডিমিট্রভের যুক্তফ্রন্ট তত্ত্ব গৃহীত হওয়ার পূর্বই ১৯৩৪ সালে গ্রেট ব্রিটেনের কমিউনিস্ট পার্টি এবং বিশ্ব-কমিউনিস্ট আন্দোলনের সুপরিচিত নেতা ও তাত্ত্বিক কমরেড রজনী পাম দত্ত ‘ফ্যাসিজম অ্যান্ড সোশাল রেভলিউশন’ গ্রন্থ মারফত শ্রমিকশ্রেণীর হাতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের একটি তীক্ষ্ণ তত্ত্বগত হাতিয়ার তুলে দেন।
আর্থনীতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি দেখান ফ্যাসিবাদ হচ্ছে ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদের মরিয়ার মতো টিকে থাকার চেষ্টা। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম তাই শ্রমিকশ্রেণীর আন্তর্জাতিক কর্তব্য।বইটির দ্বাদশ অধ্যায়ে তিনি পুঁজিবাদের প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বজোড়া সংকট, ‘পুজিবাদের স্থিতিশীলতা’ তত্ত্বের অন্তঃসারশূন্যতা এবং ক্ষয়িষ্ণু পুঁজিবাদের গর্ভ থেকে কিভাবে ফাইনান্স ক্যাপিটালের মালিকদের সাহায্যপুষ্ট চরম সন্ত্রাসবাদী ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রযন্ত্র
ক্যাটাগরি
লেখক
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেকজান্ডার ওয়ার্থ (১)
- ইলিয়া এরেনবুর্গ (১)
- এম এ আজিজ মিয়া (২)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গ্যাব্রিয়েল পেরি (১)
- চার্লি চ্যাপলিন (১)
- জঁ-পল সার্ত্র (১)
- জর্জ বার্নার্ড শ (১)
- জর্জি ডিমিট্রভ (১)
- জুলিয়াস ফুচিক (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নলিনী দাস (১)
- নৃপেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩)
- বুদ্ধদেব বসু (১)
- মোহিত সেন (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রজনীপাম দত্ত (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- সরোজ আচার্য (১)
- সুরেন্দ্রনাথ গোস্বামী (১)
- হাসান তারেক (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.