-
বাংলাদেশ ছিল নদীমাতৃক। নদী ছিল বাংলার জীবনযাত্রার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কিন্তু আজ যে-টুকু বাংলা আমাদের, সে বাংলা তেমন নদীবহুল নয়। যে-অংশ নদীবহুল এবং নদীর খেয়ালখুশীর সঙ্গে যে অংশের মানুষের জীবনযাত্রা একসূত্রে বাঁধা সে অংশ আজ আমাদের কাছে বিদেশ। অদৃষ্টের এ পরিহাস রবীন্দ্রনাথের কাছে ভয়ানক দুঃখের কারণ হত।
প্রকৃতি রবীন্দ্রনাথকে আবিষ্ট করেছিল। সেদিক থেকে তিনি ওয়ার্ডসওয়ার্থের সগোত্র ছিলেন। কিন্তু প্রকৃতির বিভিন্ন প্রকাশের মধ্যে নদী কবিকে বোধহয় সবচেয়ে বেশী মুগ্ধ ক’রেছিল। তাই কবি নদীর কাছে সময়ে অসময়ে ছুটে গেছেন। তাই তিনি নদীর বুকে নৌকাতে ভাসতে এত ভালবাসতেন। নদীর তরুণীসুলভ চাপল্য এবং গতি কবির চিরতরুণমনে গভীর দাগ কেটেছিল। তাছাড়া সংসারের কোলাহল থেকে মুক্তি
-
লেখক: উজ্জ্বলকুমার মজুমদারশেষ পর্যন্ত রবীন্দ্ররচনার গ্রন্থস্বত্বের মেয়াদ অর্ডিন্যান্স্ জারি করে আরো দশ বছর বাড়িয়ে দেওয়া হলো। এবং এই অর্ডিন্যান্সে রাষ্ট্রপরি স্বাক্ষর করলেন একেবারে মেয়াদ শেষ হবার তিনদিন আগে।গত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রবীন্দ্রগ্রন্থস্বত্ব নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক চলেছে। বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষও সভা ডেকে গ্রন্থস্বত্ব নিয়ে নানাজনের মতামত শুনেছেন, নিজেদের মতামত দিয়েছেন। কিন্তু তারও অনেক আগে থেকে, অন্তত পাঁচ-ছ বছর আগে থেকে, বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষ রবীন্দ্রগ্রন্থস্বত্ব যাতে বিশ্বভারতীরই থাকে সে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। গ্রন্থস্বত্বের আইনকানুন নিয়েও তাঁরা ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন এবং স্বত্বের মেয়াদ বৃদ্ধির সমর্থনে কিছু কিছু দেশের নিজস্ব আইনকানুন সম্পর্কেও খোঁজখবর নিয়েছেন। অন্যদিকে, চেষ্টা চরিত্র স্বত্ত্বেও অনিশ্চয়তা
-
মানুষের আচরণে অসংগতি-অশোভনতার অন্ত নেই, এই বিচিত্র অসংগতির প্রতিক্রিয়ায় আমাদের মনে যে বিরক্তি ক্রোধ প্রভৃতি আবেগের উদয় হয় তারও অন্ত নেই। এই আবেগগুলি নির্ভর করে দ্রষ্টার মানসিক অবস্থা কিংবা মননভঙ্গির উপরে। এসব আবেগের মধ্যে একমাত্র কৌতুকানুভূতিই আমাদের পক্ষে বিশেষভাবে প্রীতিকর। তাই স্বভাবতই এই কৌতুকবোধকে সাহিত্যের উপজীব্য বলে স্বীকার করা হয়েছে। এই কৌতুককে আশ্রয় করে যে সাহিত্যরসের উদ্ভব হয় তারই নাম হাস্যরস। ভারতীয় আলংকারিকদের মতে হাস্যরসসৃষ্টি সাহিত্যরচনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য এবং সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাসের আদিপর্ব থেকেই হাস্যরস সৃষ্টির প্রয়াস দেখা যায়। সংস্কৃত সাহিত্যে যে হাস্যরসের সাক্ষাৎ পাই এবং অলংকারশাস্ত্রে যার বর্ণনা দেখা যায়, মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্যে তারই অনুবর্তন চলে। উনবিংশ শতকের মধ্যভাগ
-
রবীন্দ্রনাথের জন্ম কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। বাংলার সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও স্বাদেশিকচেতনা উন্মেষে যে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) বয়স যখন পাঁচ বছর, ১৮৬৬ সালে ঠাকুর পরিবারের সুহৃদ, রবীন্দ্রনাথের গৃহশিক্ষক রাজনারায়ণ বসু (১৮২৬-১৮৯৯) কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা সভা’ এবং ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭)। পরবর্তী সময় থেকে এ মেলার নামকরণ করা হয় ‘চৈত্রমেলা’। স্বাদেশিকতাবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যেই ১৮৭৮ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সঞ্জিবনী সভা’। কিশোরকাল থেকেই রবীন্দ্রনাথ এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাঁরআত্মপরিচয়গ্রন্থে লিখেছেন:
জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈপ্লবিক ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বৈপ্লবিক সংগঠন ‘সঞ্জিবনী সভা’ নামে একটি গুপ্ত সমিতি স্থাপন করেছিলেন। সমিতির সভাপতি ছিলেন হিন্দুমেলার উদ্যোক্তা রাজনারায়ণ বসু
-
পূর্ব বাংলায় বর্তমানে একটি অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ রচিত হয়েছে বলে আমবা অনেক সময়েই দাবি করি এবং গর্বিত হই। কোনো একজন মানুষ অথবা একটি প্রতিষ্ঠানের নয় বরং বহুজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই পূর্ব বাংলার সংস্কৃতির এ রূপান্তর ঘটতে পেরেছে। সরকারি প্রতিকূলতা কী করে একটি মহৎ কাজে অন্যথায় নিষ্ক্রিয় মানুষকে সকর্মক করে তুলতে পারে, তার চমৎকার দৃষ্টান্ত দেখতে পাই রবীন্দ্রশতবার্ষিকী উৎসবকে কেন্দ্র করে। বাঙালি সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণরূপে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা তখনো যথেষ্ট ছিলেন না পূর্ব বাংলায়। তবু অনেকেই ছিলেন। এরা শতবার্ষিকীর কিছুকাল আগে ঠিক করেন যে, সাড়ম্বরে তাঁরা শতবর্ষ পূর্তি উৎসব পালন করবেন রাজধানী ঢাকাতে। জাস্টিস মুরশেদ, প্রেস ক্লাব ও বেগম সুফিয়া কামালের নামে এরা তিনটি
-
বিংশশতাব্দীর মহাদিকপাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) এবং বিশ্ববিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫)। প্রাচ্যের কবি ১৯১৩ সালে, আর পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানী ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেন। গত শতাব্দীর বিশের দশকের আগে এদের দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু উভয়ই উভয়কে জানতেন। তাঁদের চলার পথ ভিন্ন হলেও সত্যসন্ধানে তাঁরা ছিলেন একই আলোর পথযাত্রী। সত্য ও সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রয়াসী ছিলেন। মানবতার সুমহান আদর্শকে তাঁরা উর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। দু দুটি বিশ্বযুদ্ধের ফলে বিশ্বজোড়া অনাহার, অবদমন ও অশান্তির প্রতিটি দিকেই ছিল তাঁদের সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টি। তাছাড়া স্ব-স্ব দেশে নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন এবং জনমত গঠনের প্রচেষ্টা নিয়েছেন। ১৯১৯ সালে রবীন্দ্রনাথ জালিয়ানওয়ালাবাগের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছেন এবং
-
আজি এই পূণ্য দিনে
গাঁয়ের কিসান
কি গাহিব গান—
নাই ভাষা
দৈন্য হতাশায়
মন ম্রিয়মান।
হয়ত বা কেহ কেহ
বসি নিজে চৌতালের ‘পরে
গর্ব করে
শিখিয়াছি রবীন্দ্রের গীতি
গাই নিতি
বেহাগ খাম্বাজ ও ভৈরবী
নানাবিধ সুরে।
হয়ত বা দু’একটি পল্লীর গান
কাকডাকা সুরে
আমিও দিয়াছি টান
লোক দেখানোর তরে,
সে-সুর বেসুর বাজে
পৌঁছে নাই সবার অন্তরে।
ভেঙ্গে গেছে মানুষের মন
ভেঙ্গে গেছে কুঁড়ে ঘর
কামার ছেড়েছে গ্ৰাম
গুটায়ে হাপর,
জেলে কাঁদে জাল নাই
তাঁতী ব'সে গুটাইয়া তাঁত
এদের কান্নার সুরে
কেবা করে কর্ণপাত।
অজ্ঞতায় অন্ধকারে আছি
কোটি কোটি পুরুষ রমণী
কেউ দেয় নাই জানি
তব বাণী—
দীপশিখা খানি
এদের সম্মুখে
-
বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তে মহাবীর সেনাপতি মেনাহাতীর মৃত্যুর পর রাজা সীতারাম রায় অল্পদিনই তাঁর রাজত্ব রক্ষা করতে পেরেছিলেন। দিঘাপতিয়ার দয়ারাম রায় যুদ্ধে পরাজিত সীতারামকে নিয়ে যান মুর্শিদাবাদে নবাবের দরবারে। পথে নাটোর রাজবাড়ির কারাগারে সীতারামকে বন্দী থাকতে হয়েছিল। সীতারামের বিপুল ভূসম্পত্তির একটি অংশ, বিরাহিমপুর পরগনাও হয়েছিল নাটোরের রাজার হস্তগত। এরপর নবাবদের পালা ফুরোলো। বাঙলার তথা ভারতবর্ষের রাজদরবারের প্রতিষ্ঠা হয় কলকাতা শহরে। যশোর থেকে এসে সেখানে বাসা বাঁধলেন ঠাকুর পরিবার। ঠাকুর বংশের কৃতী সন্তান দ্বারকানাথ লক্ষ্মীর কৃপালাভ করলেন এই নতুন শহরে। কিন্তু তখনকার দিনে আভিজাত্যের নিদর্শন ছিল ভূসম্পত্তি। তাই বিখ্যাত কার-ঠাকুর কম্পানির মালিক দ্বারকানাথ প্রভূত জমিদারি সম্পত্তি খরিদ করেন বাঙলাদেশের একাধিক অঞ্চলে। কিন্তু বিরাহিমপুর
-
রবীন্দ্রনাথের সমগ্র চিন্তা ও সাহিত্যসৃষ্টির ধারা অনুসরণ ও অনুধাবন করলে দেখা যায় তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিকাহিনী’ থেকে শুরু করে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এক বিশেষ মৌল জীবনসত্তার অনুভব বিকশিত ও পুষ্ট হতে হতে চলেছিল—যাকে আমরা বলতে পারি অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে, লোভী হিংস্র আগ্রাসনের বিরুদ্ধে—অতন্দ্র অভিযান, শাণিত প্রতিবাদ।
উচ্চ অভিজাতকুলে জন্মে, তৎসাময়িক জীবনধারা ও ধারণাকে আত্মস্থ করেও পদে পদে তিনি নিজেকে উত্তীর্ণ করে চলেছেন প্রাগ্রসর জীবনবোধের দিকে। মনে হয়, যেন ব্রাহ্মসমাজদর্শন ও উপনিষদের মূল ধারাকে তিনি অঙ্গীকৃত করেও রূপান্তরিত করেছিলেন বৈজ্ঞানিক সমাজচেতনা ও মূল্যায়নের দিকে। তাই দেখতে পাই যখনই বিশ্বমানবসমাজের কোনো অংশ হিংস্র আগ্রাসনের শিকার, তখনই সদাজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ প্রতিবাদে মুখর।
-
...বঙ্গীয়-সাহিত্য-সম্মিলনের এক অধিবেশন ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আহূত হয়। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ তখন ঢাকা-সাহিত্য-পরিষদের সভাপতি ও পৃষ্ঠপোষক। বঙ্গীয় সাহিত্য- সম্মিলনের ঢাকা- অধিবেশনের অভ্যর্থনা-সমিতির সভাপতি নির্বাচন লইয়া সাহিত্য-সমাজে ও সাহিত্য-পরিষদে তুমুল দ্বন্দ্ব উপস্থিত হইল। পরিষৎ দাশ সাহেবকে অভ্যর্থনা-সমিতির সভাপতি করিতে চাহে, সমাজ চাহে ঢাকার বিখ্যাত উকিল আনন্দ রায়কে। এই দ্বন্দ্বের ফলে অভ্যর্থনা-সমিতির সভ্য-সংখ্যা হু করিয়া বাড়িয়া চলিল। অর্থাভাবে এই সম্মিলনকে আর কোন অসুবিধা ভোগ করিতে হয় নাই। যাহা হউক, বিষম ভোটযুদ্ধে দাশ সাহেবই জয়লাভ করিলেন। আমি অভ্যর্থনা-সমিতির অন্যতম সহকারী সম্পাদক নির্বাচিত হইয়াছিলাম। সম্মিলনের সভাপতিরূপে রবীন্দ্রনাথকে পাইতে আমরা আগ্রহবান হইলাম এবং কলিকাতায় গিয়া রবীন্দ্রনাথকে সম্মত করাইবার ভার আমার উপর প্রদত্ত হইল।
এই আনন্দময়
-
জয়ন্তীতে-জয়ন্তীতে পুষ্পমাল্যের অর্ঘ্যনিবেদন সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে, বাদবিসংবাদের অবসান হয়নি কখনো। সেকাল থেকে একাল পর্যন্ত অনুরাগ ও বিদ্বেষের শাদা-কালো ধারায় আপ্লুত হয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়েই সকল গর্ব আমাদের, আবার বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থলে পাতা হয়েছে তাঁর আসন।
শতাব্দীর প্রথমার্ধে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাঙালি মুসলমান সমাজে যে ভাবনা দেখা দিয়েছিল, তার কয়েকটি দিকের উল্লেখ করা চলে এখানে। রবীন্দ্রনাথ যে মহাকাব্য রচনায় নামলেন না, এ-নিয়ে নবীন সেনের মতো কবি কায়কোবাদও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। ঐ আঙ্গিকের মোহে তিনি এমনই আবদ্ধ ছিলেন যে, যিনি মহাকাব্যকার নন, তাঁকে বড় কবি বলতে কুণ্ঠাবোধ করেছিলেন তিনি। ‘গীতাঞ্জলি’র কাব্য-সৌন্দর্য মেনে নিতে সরাসরি অস্বীকার করেছিলেন ‘মোহম্মদী’ পত্রিকা। রবীন্দ্রনাথের রচনায় মুসলমানের জীবন উপেক্ষিত, এ-বিষয়ে
-
হীরন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়
রবীন্দ্রনাথের ইংরাজি গীতাঞ্জলির রচনা ও প্রকাশন কাহিনী একদিকে যেমন রোমাঞ্চকর অন্য দিকে তেমন গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। ঠিক বলতে কি, তা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে তাঁকে একটি নূতন ভূমিকা গ্রহণে বাধ্য করেছিল। যিনি ছিলেন বাঙালীর কবি, তিনি পরিণত হয়েছিলেন বিশ্বের কবিতে। যিনি ছিলেন ঘরের মানুষ, তিনি হলেন বিশ্বের মানুষ। তাই হল বর্তমান প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয়।
রবীন্দ্রনাথের প্রথম তাৎপর্যপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ ‘সন্ধ্যাসংগীত’ প্রকাশিত হয় ১৮৮১ খৃষ্টাব্দে। বঙ্কিমচন্দ্র তার মধ্যে ভাবী সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেখে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তার পর যে কাব্যশক্তি মুকুল আকারে এই গ্রন্থে দেখা দিয়েছিল তা পরবর্তী কুড়ি বছরের মধ্যে পরিণতরূপে প্রকট হয়ে কাব্যে ও কথাসাহিত্যে তাঁর অনন্যসাধারণ প্রতিষ্ঠা এনে
ক্যাটাগরি
উৎস
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.