-
সামান্য একজন দোকানদার হিমু। রেওয়ারীতে তাঁর বাবার মুদিখানার দোকান ছিল সত্যি সত্যিই। সেই অবস্থা থেকে যে তিনি একদিন আদিল শা শূরের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠবেন, তা কে ভেবেছিল!
শুধু কি প্রধানমন্ত্রী। বলতে গেলে তিনিই আদিলের রাজ্য শাসন করতেন। শেরশাহের পুত্রের মৃত্যুর পর তাঁর শিশুপুত্রকে বধ ক’রে যে সুরবংশ রাজ্য অধিকারের চেষ্টা করে তাদের মধ্যে সিকান্দার, ইব্রাহিম ও আদিল শা এই তিনজনে বলতে গেলে রাজ্যটা ভাগাভাগি ক’রে নিয়েছিলেন। তার মধ্যে পাঞ্জাবের সিকান্দার সুরকে পরাজিত ক’রেই হুমায়ূন দিল্লী পুনরধিকার করেন। বাকী দুজনকে পরাজিত করার ওঁর আর অবসরই হ’ল না—দিল্লী প্রাসাদে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে বেচারী মারা গেলেন।
এঁদের মধ্যে আদিল ছিলেন নামে রাজা
-
কামরূপ-রংপুর
কোনো দেশের ইতিহাস লিখিতে গেলে সেই দেশের ইতিহাসের প্রকৃত যে ধ্যান, তাহা হৃদয়ঙ্গম করা চাই। এই দেশ কী ছিল? আর এখন এ দেশ যে অবস্থায় দাঁড়াইয়াছে, কী প্রকারে—কীসের বলে এ অবস্থান্তর প্রাপ্তি, ইহা আগে না বুঝিয়া ইতিহাস লিখিতে বসা অনর্থক কালহরণ মাত্র। আমাদের কথা দূরে থাক, ইংরেজ ইতিহাসবেত্তাদিগের মধ্যে এই ভ্রান্তির বাড়াবাড়ি হইয়াছে। ‘বাঙ্গালার ইতিহাস’ ইহার এক প্রমাণ। বাঙ্গালার ইতিহাস পড়িতে বসিয়া আমরা পড়িয়া থাকি, পালবংশ সেনবংশ বাঙ্গালার রাজা ছিলেন, বখ্তিয়ার খিলিজি বাঙ্গালা জয় করিলেন, পাঠানেরা বাঙ্গালায় রাজা হইলেন, ইত্যাদি ইত্যাদি। এ সকলই ভ্রান্তি; কেন না, সেন, পাল ও বখ্তিয়ারের সময় বাঙ্গালা বলিয়া কোনো রাজ্য ছিল না। এখনকার এই
-
“সেদিন এ বঙ্গপ্রান্তে পণ্য বিপণীর এক ধারে
নিঃশব্দচরণ।
আনিল বণিকলক্ষ্মী সুরঙ্গ পথের অন্ধকারে
রাজসিংহাসন ॥
বঙ্গ তারে আপনার গঙ্গোদকে অভিষিক্ত করি নিল চুপে চুপে।
বণিকের মানদণ্ড দেখা দিল পোহালে শর্বরী
রাজদণ্ডরূপে।।”
—রবীন্দ্রনাথ
ইংরেজরা এসেছিল এদেশে বাণিজ্য করতে, ফরাসীরাও তাই। কিন্তু দৈবাৎ ফরাসী অধিনায়ক ডুপ্লের মাথায় গেল যে এই ষড়যন্ত্রপ্রিয়, অকর্মণ্য, কলহপরায়ণ অসংখ্য রাজা ও নবাবের দেশে একটু শক্তির খেলা দেখালে লাভ বই লোকসান নেই। ইউরোপীয় সৈন্যের যে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা, তা সেদিন ভারতীয় সৈন্যের ছিল না, অস্ত্রশস্ত্রও খুব আধুনিক ছিল বলে মনে হয় না। সুতরাং শীঘ্রই এই দুটি দেশের বণিকরা ভারতের ইতিহাসে ভাগ্যনিয়ন্ত্রা সেজে বসলেন। কর্ণাটকের যুদ্ধে প্রথমে ফরাসী ও পরে
-
সাক্ষাৎকার গ্রহণ: মুসা সাদিক
“শত্রুর কামানের গোলায় বুক পেতে দিয়ে আত্মদানের ঘটনা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও শোনা যায় না“
[১৯৭১-এর ৭ ডিসেম্বর যুদ্ধের শেষ পর্যায়। কিন্তু কেউ জানত না যে যুদ্ধ শেষ হয়ে আসছে, অন্তর্যামী ব্যতীত। রণাঙ্গনের বাতাস মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর রক্তের গন্ধে একাকার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরের শত শত ফ্রন্ট তখন মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর বীরদের পদভারে কাঁপছে। তাঁদের মিলিত শোণিতে সিক্ত হয়ে উঠেছে শত শত রণাঙ্গনের মাটি-ঘাস-ফুল। সেই ৭ ডিসেম্বরে ইস্টার্ন সেক্টর গোপন সফরে এলেন জেনারেল এস.এইচ.এফ.জে. মানেকশ'। কোন কর্মসূচী ও সংবাদ ছাড়াই জেনারেল ওসমানীসহ জেনারেল মানেকশ' আকস্মিকভাবে ৮নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্যারের অফিসে
উৎস
আর্কাইভ
লেখক
- অন্নদাশঙ্কর রায় (১)
- আসাদ চৌধুরী (১)
- এম এন রায় (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (৫)
- ড. আব্দুস সাঈদ (১)
- ধীরাজ কুমার নাথ (১)
- নীরদচন্দ্র চৌধুরী (১)
- নীহাররঞ্জন রায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৯)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১)
- বিকাশ সাহা (১)
- মুজফ্ফর আহমদ (১)
- যতীন সরকার (১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১)
- রাজনারায়ণ বসু (১)
- শাহরিয়ার কবির (১)
- সত্যেন সেন (২৩)
- হুমায়ুন কবির (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.