-
হরি মুখুয্যের মেয়ে উমা কিছু খায় না। না-খাইয়া রোগা হইয়া পড়িয়াছে বড়।
উমার বয়স এই মোটে চার। কিন্তু অমন দুষ্টু মেয়ে পাড়া খুঁজিয়া আর একটি বাহির করো তো দেখি!… তাহার মা সকালে দুধ খাওয়াতে বসিয়া কত ভুলায়, কত গল্প করে, সব মিথ্যা হয়। দুধের বাটিকে সে বাঘের মতো ভয় করে—মায়ের হাতে দুধের বাটি দেখিলেই সোজা একদিকে টান দিয়া দৌড়।
মা বলে—রও দুষ্টু মেয়ে, তোমার দুষ্টুমি আমি…দুধ খাবেন না, সুজি খাবেন না, খাবেন যে কী দুনিয়ায় তাও তো জানিনে—চলে আয় ইদিকে…
খুকী নিরুপায় দেখিয়া কান্না শুরু করে। তাহার মা ধরিয়া ফেলিয়া জোর করিয়া কোলে শোয়াইয়া ঝিনুক মুখে পুরিয়া দুধ খাওয়ায়। কিন্তু
-
দেশ থেকে রবিবারে ফিরছিলাম কলকাতায়। সন্ধ্যার আর বেশি দেরি নেই, একটু আগে থেকেই প্ল্যাটফর্মে আলো জ্বেলেছে, শীতও খুব বেশি। এদিকে এমন একটা কামরায় উঠে বসেছি, যেখানে দ্বিতীয় ব্যক্তি নেই যার সঙ্গে একটু গল্পগুজব করি। আবার যার-তার সঙ্গে গল্প করেও আনন্দ হয় না। আমার দরের কোনো লোকের সঙ্গে গল্পে করে কোনো সুখ পাইনে, কারণ তারা যে-কথা বলবে সে আমার জানা। তারা আমারই জগতের লোক, আমার মতোই লেখাপড়া তাদেরও, আমারই মতো কেরানিগিরি কী ইস্কুল-মাস্টারি করে, আমারই মতো শনিবারে বাড়ি এসে আবার রবিবারে কলকাতায় ফেরে। তারা নতুন খবর আমায় কিছুই দিতে পারবে না, সেই একঘেয়ে কলকাতার মাছের দর, এম. সি. সি-র খেলা, ইস্টবেঙ্গল
-
পাড়ায় ছ’সাত ঘর ব্রাহ্মণের বাস মোটে। সকলের অবস্থাই খারাপ। পরস্পরকে ঠকিয়ে পরস্পরের কাছে ধার-ধোর করে এরা দিন গুজরান করে। অবিশ্যি কেউ কাউকে খুব ঠকাতে পারে না, কারণ সবাই বেশ হুঁশিয়ার। গরিব বলেই এরা বেশি কুচুটে ও হিংসুক, কেউ কারো ভালো দেখতে পারে না বা কেউ কাউকে বিশ্বাসও করে না।
আগেই বলেছি, সকলের অবস্থা খারাপ এবং খানিকটা তার দরুন, খানিকটা অন্য কারণে সকলের চেহারা খারাপ। কিশোরী মেয়েদেরও তেমন লালিত্য নেই মুখে, ছোট ছোট ছেলেরা এমন অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে এবং এমন পাকা পাকা কথা বলে যে, তাদের আর শিশু বা বালক বলে মনে হয় না। কাব্যে বা উপন্যাসে যে শৈশবকালের কতই প্রশস্তি
-
আষাঢ় মাসের প্রথমে জ্যৈষ্ঠের গরমটা কাটিয়া গিয়াছে তাই রক্ষা, যে কষ্ট পাইয়াছিলাম গতমাসে! এই বাগানঘেরা হাটতলায় কি একটু বাতাস আছে?
কিছু করিতে পারিলাম না এখানেও। আছি তো আজ দেড় বছর। শুধু এখানে কেন, বয়স তো প্রায় বত্রিশ-তেত্রিশ ছাড়াইতে চলিয়াছে, এখনও পর্যন্ত কী করিলাম জীবনে? কত জায়গায় ঘুরিলাম, কোথাও না-হইল পসার, না-জমিল প্র্যাকটিস। বাগআঁচড়া, কলারোয়া, শিমুলতলী, সত্রাজিৎপুর, বাগান গাঁ—কত গ্রামের নামই বা করিব! কোথাও মাস-কয়েকের বেশি চলে। এই পলাশপাড়ায় যখন প্রথম আসি, বেশ চলিয়াছিল কয়েক মাস। ভাবিয়াছিলাম ভগবান মুখ তুলিয়া চাহিলেন বুঝি। কিন্তু তার পরেই কি ঘটিল, আজ কয়েক মাস একটি পয়সারও মুখ দেখিতে পাই না।
এখন মনে হয় কুণ্ডবাবুদের আড়তে
-
আমার তখন বয়স নয় বছর। গ্রামের উচ্চ-প্রাইমারি স্কুলে পড়ি এবং বয়সের তুলনায় একটু বেশি পরিপক্ক। বিনু একদিন ক্লাসে একখানা বই আনিল, ওপরে সোনালিফুল হাতে একটি মেয়ের ছবি (ত্রিশ বছর আগেকার কথা বলিতেছি মনে রাখিবেন), রাঙা কাগজের মলাট, বেশি মোটা নয়, আবার নিতান্ত চটি বইও নয়।
আমি সেই বয়সেই দু-একখানা সুগন্ধি তেলের বিজ্ঞাপনের নভেল পড়িয়া ফেলিয়াছি; পূর্বেই বলি নাই যে বয়সের তুলনায় আমি একটু বেশি পাকিয়াছিলাম! সেজন্য বিনু আমাকে ক্লাসের মধ্যে সমঝদার ঠাওরাইয়া বইখানি আমার নাকের কাছে উঁচাইয়া সগর্বে বলিল, “এই দ্যাখো, আমার দাদা এই বই লিখেছেন, দেখেছিস?”
বলিলাম, “দেখি কী বই?”
মলাটের ওপরে লেখা আছে ‘প্রেমের তুফান’। হাতে লইয়া দেখিলাম,
-
দু-দিন থেকে জিনিসপত্র গুছোনো চলল। পাড়ার মধ্যে আছে মাত্র তিনঘর প্রতিবেশী—কারো সঙ্গে কারো কথাবার্তা নেই। পাড়ার চারিধারে বনজঙ্গল, পিটুলিগাছ, তেঁতুলগাছ, বাঁশঝাড়, বহু পুরোনো আম-কাঁঠালের বাগান। দ্রব ঠাকরুনের বাড়ির চারিধার বনে বনে নিবিড়, সূর্যের আলো কস্মিনকালে ঢোকে না, তার ওপর বাড়ির সামনে একটা ডোবা, বর্ষার জলে টইটম্বুর, দিনরাত ‘ষাঁকো’ ‘ষাঁওকো’ ব্যাঙের একঘেয়ে ডাক, দিনেরাতে মশার বিনবিনুনি।
দ্রব ঠাকরুনের নাতি বললে—ঠাকুমা, সাবু আছে ঘরে, না বাজার থেকে আনব?
দ্রব ঠাকরুনের কণ্ঠস্বর অতি ক্ষীণ শোনাল, কারণ আজ দু-মাসকাল তিনি ম্যালেরিয়ায় ভুগছেন—পালাজ্বর, ঘড়ির কাঁটার নিয়মে তা আসবে একদিন অন্তর অন্তর ঠিক বিকেল বেলাটিতে। দ্রব ঠাকরুন পুরোনো কাঁথা-লেপ চাপা দিয়ে শুয়ে পড়বেন, উঃ-আ : করবেন—জ্বরের
-
ওর ভালো নাম বোধ হয় ছিল নিস্তারিণী। ওর যৌবন বয়সে গ্রামের মধ্যে অমন সুন্দরী বউ ব্রাহ্মণপাড়ার মধ্যেও ছিল না। ওরা জাতে যুগী, হরিনাথ ছিল স্বামীর নাম। ভদ্রলোকের পাড়ায় ডাকনাম ছিল ‘হরে যুগী’।
নিস্তারিণীর স্বামী হরি যুগীর গ্রামের উত্তর মাঠে কলাবাগান ছিল বড়ো। কাঁচকলা ও পাকাকলা হাটে বিক্রি করে কিছু জমিয়ে নিয়ে ছোটো একটা মনিহারি জিনিসের ব্যাবসা করে। রেশমি চুড়ি ছ-গাছা এক পয়সা, দু-হাত কার এক পয়সা—ইত্যাদি। প্রসঙ্গক্রমে মনে হল, ‘কার’ মানে ফিতে বটে, কিন্তু ‘কার’ কী ভাষা? ইংরেজিতে এমন কোনো শব্দ নেই, হিন্দি বা উর্দুতে নেই, অথচ ‘কার’ কথাটা ইংরেজি শব্দ বলে আমরা সকলেই ধরে নিয়ে থাকি! যাক সে। হরি
-
বুধো মণ্ডলের মায়ের হাতে টাকা আছে সবাই বলে। বুধো মণ্ডলের অবস্থা ভালো, ধানের গোলা দু-তিনটে। এত বড়ো যে দেশব্যাপী দুর্ভিক্ষ গেল গত বছর, কত লোক না-খেয়ে মারা গেল, বুধো মণ্ডলের গায়ে এতটুকু আঁচ লাগেনি। বরং ধানের গোলা থেকে অনেককে ধান কর্জ দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছিল।
সবাই বলে, বুধোর টাকা বা ধান সবই ওই মায়ের। বুধোর নিজের কিছুই নেই। বুড়ির দাপটে বুধো মণ্ডলকে চুপ করে থাকতে হয়, যদিও তার বয়েস হল এই সাতচল্লিশ। ওর মার বয়স বাহাত্তর ছাড়িয়ে গিয়েছে। আমি কিন্তু অত্যন্ত বাল্যকাল থেকে ওকে যেমন দেখে এসেছি, এখনও (অনেককাল পরে দেশে এসে আবার বাস করছি কিনা) ঠিক তেমনি আছে। তবে মাথায়
-
অনেকদিন আগেকার কথা। কলকাতায় তখন ঘোড়ার ট্রাম চলে। সে সময় মশলাপোস্তায় গঙ্গাধর কুণ্ডুর ছোটোখাটো একখানা মশলার দোকান ছিল।
গঙ্গাধরের দেশ হুগলি জেলা, চাঁপাডাঙার কাছে। অনেক দিনের দোকান, যে সময়ের কথা বলছি, গঙ্গাধরের বয়েস তখন পঞ্চাশের ওপর। কিন্তু শরীরটা তার ভালো যাচ্ছিল না। নানারকম অসুখে ভুগত প্রায়ই। তার উপর ব্যবসায়ে কিছু লোকসান দিয়ে লোকটা একেবারে মুষড়ে পড়েছিল। দোকানঘরের ভাড়া দু-মাসের বাকি, মহাজনদের দেনা ঘাড়ে; দুপুর বেলা দোকানে বসে থেলো হুঁকো হাতে নিয়ে নিজের অদৃষ্টের কথা ভাবছিল। আজ আবার সন্ধের সময় গোমস্তা ভাড়া নিতে আসবে বলে শাসিয়ে গিয়েছে। কী বলা যায় তাকে!
এক পুরোনো পরিচিত মহাজনের কথা তার মনে পড়ে গেল। তার
-
ভৈরব চক্রবর্তীর মুখে এই গল্পটি শোনা। অনেকদিন আগেকার কথা। বোয়ালে-কদরপুর (খুলনা) হাই স্কুলে আমি তখন শিক্ষক। নতুন, কলেজ থেকে বার হয়ে সেখানে গিয়েছি।
ভৈরব চক্রবর্তী ওই গ্রামের একজন নিষ্ঠাবান সেকেলে ব্রাহ্মণ পণ্ডিত। সকলেই শ্রদ্ধা করত, মানত। এক প্রহর ধরে জপ আহ্নিক করতেন, শূদ্রযাজক ব্রাহ্মণের জল স্পর্শ করতেন না, মাসে একবার বিরজা হোম করতেন, টিকিতে ফুল বাঁধা থাকত দুপুরের পরে। স্বপাক ছাড়া কারও বাড়িতে কখনো খেতেন না। শিষ্য করতে নারাজ ছিলেন, বলতেন শিষ্যদের কাছে পয়সা নিয়ে খাওয়া খাঁটি ব্রাহ্মণের পক্ষে মহাপাপ। আর একটি কথা, ভৈরব চক্রবর্তী ভালো সংস্কৃত জানতেন, কিন্তু কোনো ইস্কুলে পণ্ডিতি করেননি। টোল করাও পছন্দ করতেন না। ওতে নাকি
-
রোহিণী রায় আমাদের গ্রামের জমিদার ছিলেন শুনেছিলাম।
আমাদের পাড়ায় তাঁদের মস্ত দোতলা বাড়ি। তিন-চার শরিকে ভাগ হয়ে এক একখানা ঘরে বাস করে এক-এক শরিক— এই অবস্থা। ধানের জোতজমি যা আছে, তাতে একটা গোলাও ভরে না। রোহিণী রায়ের বর্তমান বংশধরগণ পেটপুরে দু-বেলা খেতেও পান না।
আমি আর নন্তু রোহিণী রায়ের চণ্ডীমণ্ডপে, বেণীমাধব রায়ের পাঠশালায় রোজ পড়তে যাই। রোহিণী রায়ের চণ্ডীমণ্ডপের অবস্থাও ওদের বাড়ির মতোই।
মস্ত বড়ো চণ্ডীমণ্ডপের এধারে-ওধারে টানা রোয়াকে চুন-সুরকি খসে পড়চে, চালের খড় উড়ে যাচ্ছে, দেওয়াল ফেটে গিয়েছিল ১৩০৪ সালের বড়ো ভূমিকম্পে। এখন যদিও ১৩১৮ সাল হল, এই চোদ্দো-পনেরো বছর সে দেওয়াল যেমন তেমনি রয়েছে। সেকেলে চওড়া মজবুত মাটির
-
উপেন ভটচাজের পুত্রবধূ বেশ সুন্দরী। একটিমাত্র ছোটো ছেলে নিয়ে অত বড়ো পুরোনো সেকেলে ভাঙা বাড়ির মধ্যে একাই থাকে। স্বামীর পরিচয়ে বউটি এ গ্রামে পরিচিতা নয়, অমুকের পুত্রবধূ এই তার একমাত্র পরিচয়। কারণ এই যে স্বামী ভবতারণ ভটচাজ ভবঘুরে লোক। গাঁজা খেয়ে মদ খেয়ে বাপের যথাসর্বস্ব উড়িয়ে দিয়েছে, এখন কোথায় যেন সামান্য মাইনেতে চাকরি করে, শনিবারে শনিবারে বাড়ি আসে, কোনো শনিবারে আসেই না। শ্বশুর উপেন ভটচাজ গ্রামের জমিদার মজুমদারদের ঠাকুরবাড়িতে নিত্যপূজা করেন। সেখানেই থাকেন, সেখানেই খান। বড়ো-একটা বাড়ি আসেন না তিনিও। ভালো খেতে পান বলে ঠাকুরবাড়িতেই পড়ে থাকেন, নইলে সকালের বাল্যভোগের লুচি ও হালুয়া, পায়েস, দই ও বৈকালির ফলমূল বারোভূতে লুটে
উৎস
- গল্পগুচ্ছ
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- বিজ্ঞান পাঠ
- প্রক্রিয়াধীন
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- রূপহলুদ
- পাতাবাহার
- কথা পাঞ্জাব
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বারো মামার এক ডজন
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বনফুল গল্পসমগ্র
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- বাংলাদেশ কথা কয়
- অসাধারণ
- কুশলপাহাড়ী
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- বিজ্ঞানচেতনা
- ভেদ-বিভেদ (২)
- মানুষের জন্ম
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- নবাগত
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- কিন্নর দল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- ক্ষণভঙ্গুর
- জ্যোতিরিঙ্গন
- গল্প ভারতী
- সুকান্তসমগ্র
- ফুলকি ও ফুল
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- মৌরীফুল
- জন্ম ও মৃত্যু
- তালনবমী
- উপলখণ্ড
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- বিধু মাস্টার
- ছায়াছবি
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.