বছর
সুপ্রিয়া আচার্য্য
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
লেখক:কু ইউ
ছেলেমেয়ের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের মনের ভাব লক্ষ্য করে ওয়াং-এর মা আর মেয়ের বাপ তাদের বিয়ের ব্যাপারে কোনো আপত্তি তুললো না। ওয়াং বেশ বলিষ্ঠ চমৎকার ছেলে, জেলা শাসন বিভাগে কাজ করবার জন্য তৈরি হচ্ছে। ফান ফেং-ল্যানকে সবাই জানে শক্ত সমর্থ, দক্ষ খেত কর্মী বলে। কৃষকরা সকলে তাদের দুজনকে বেশ পছন্দই করে। তাদের ধারণা দুজনে মিলেছে ভালো।
পৃথক পৃথক দুই গ্রামে দুজনের বাস, তবে এক গ্রাম থেকে অন্যটাতে যেতে হলে ছোট্ট একটা নদী পার হতে হয় মাত্র। বাগদত্ত অবস্থায় ফেং-ল্যানকে দেখতে আসার জন্য ওয়াং সবসময় কোনো না কোনো ছুতো একটা খুঁজে বার করতোই। তাই অচিরেই ওর ঘন ঘন আসা
-
[ভ্যালেনটিনা আইয়োভোভনা ডিমিট্রিয়েভা (১৮৫৯-১৯৪৭) সারাটোভ গুরেবিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন ভূমিদাসের কন্যা। গ্রামার স্কুলে শিক্ষালাভ করে চিকিৎসা বিদ্যা শিক্ষার জন্য ১৮৮৬ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গে যান। গ্রামের একটি স্কুলে শিক্ষকতাকালে জনশিক্ষা ব্যবস্থার শোচনীয় অবস্থার সমালোচনা করে তিনি পত্রপত্রিকায় নানা প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এর ফলে তার চাকরি যায় এবং শিক্ষকতা করার ব্যাপারে তার ওপর চিরকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর পর বহুকাল ধরে তিনি ভোরোনেজ গুবেরনিয়ায় চিকিৎসক হিসাবেই খুবই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করেন।
বহু ঐতিহাসিক ঘটনার তিনি ছিলেন প্রত্যক্ষদর্শী এবং অংশগ্রহণকারী। ছাত্রদের বৈপ্লবিক মিছিলগুলিতে যোগদান করার জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। ম্যাক্সিম গোর্কি, লিওনিড অ্যানড্রাইয়েভ
-
“ঠাকুমা! বলি ও ঠাকুমা!”
আনিসিয়া চোখ তুলে তাকালো। বেড়ার ও ধার থেকে নাতালকা তাকে ডাকছে।
“কি হলো?”
“এক মিনিটের জন্যে একটু ভেতরে আসতে পারি কি?”
“তোমার ভেতরে আসতে না পারার কোনো কারণ তো দেখছি না। আসতে চাও তো এসো!” আনিসিয়া অস্পষ্টভাবে বিড় বিড় করে তাব স্বভাবসিদ্ধ রুক্ষতার সঙ্গে বললো।
আঃ, রৌদ্রটা আজ কি চমৎকার গরম! অবশেষে তার আড়ষ্ট বেদনা জর্জরিত হাড় পাঁজরাগুলো একটু উত্তাপ পাবে। জুলাইয়ের মঙ্গলময় করুণাময় সূর্য! শুধু যদি বৃষ্টি না পড়ে আর। শুধুমাত্র তার সম্ভাবনার কথাতেই আগের থেকেই তার দুশ্চিন্তা আরম্ভ হয়ে গেলো। বৃষ্টি—না, তার থেকে খারাপ আর কিছু নেই। সে সময় তার প্রত্যেকটি হাড়-পাঁজরা ব্যথা করে,
-
লেখক: আন দাক
বা আর তার স্ত্রী অনেক রাত পর্যন্ত জেগে বসে রযেছে। বা র বয়স প্রায় চল্লিশ, তার স্ত্রী তার থেকে বছর দুই তিনেক ছোট হবে। একটা খুঁটির গায়ে ঠেস দিয়ে মাদুরের ওপর পা ছড়িয়ে বসে ছিল সে। অনেকক্ষণ তারা চুপচাপই ছিল হঠাৎ মুঠি পাকিয়ে মাটিতে সজোরে একটা ঘুষি মারলো সে।
“আমি এটাই ঠিক করেছি।”
ওর স্ত্রী কিছু বললো না কিন্তু চোখ দুটো তার জলে ভরে গেলো। মুখটা তার করুণ লাগছিল। মাঝে মাঝে পাহারা দেবার উঁচু বুরুজ থেকে ছোঁড়া রাইফেলের এক আধটা গুলির আওয়াজ রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে দিচ্ছিল। “যুদ্ধ পরিচালনার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছোট একটা গ্রামে” এতো নিত্যকার ঘটনা।
-
হোঁচট খেতে খেতে, টলতে টলতে বুড়ো লোকটি বালির রাস্তায় বেয়ে উঠছিল। সরু সরু আগাছা আর ঝোপে ঢাকা নিচু একটা টিলার গা বেয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে রাস্তাটা।
কাছে পিঠের শহরতলি থেকে কাজের শেষে ফেরার মুখে মেরি তাকে পার হয়ে এলো। পিছন থেকে বুড়ো লোকটির ডাকে মেরি থমকে দাঁড়ালো, সে কোন রকমে টলতে টলতে মেরির দিকে এগিয়ে এলো। ছেঁড়া জুতোর ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা, রাঙাধুলোর পুরু প্রলেপ মাখা ফাটা ফাটা আঙুলগুলো মেরিকে বলে দিলো লোকটি আসছে বহু দূর থেকে।
“এন’ গুলা!” লোকটি চেঁচিয়ে উঠলো। “হ্যাঁ গো মা, ‘নেটিভ ক্যাম্পে (আদিবাসী শিবির) এন’ গুলা বলে কোনো মেয়ে আছে কিনা জানো?”
“কস্মিন কালে
ক্যাটাগরি
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.




