৩৭ বছর
সামিহা সুলতানা অনন্যা
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
দাম্পত্য জীবনে মান-অভিমান, ঝগড়া-বিবাদ চিরসঙ্গী। বাবা-মায়ের এ বিবাদেরই নির্মম বলি হতে হলো ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী হৃদিতাকে। বাবা ও মায়ের মধ্যে ঝগড়া এবং তারই সূত্রে আলাদা বসবাসের কারণে অভিমান থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিল হৃদিতা। একটি নিষ্পাপ কিশোরীর জীবন ঝরে পড়ল অসময়ে। কীভাবে এ জীবন রক্ষা করা সম্ভব?
দিন দিন বাংলাদেশে বিবাহবিচ্ছেদের হার যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি নানা কারণে দাম্পত্যজীবনে অশান্তি লেগেই রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি সম্মান, বিশ্বাসের অভাব থেকেই সাধারণত বিবাদের শুরু এবং সম্পর্কে টানাপড়েন। বাবা-মায়ের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি, ডিভোর্স সন্তানের মানসিক বিকাশে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে এবং এক্ষেত্রে সন্তানের লেখাপড়া, জীবন সবকিছুই হয়ে ওঠে অনিশ্চিত। অনেক
-
কয়েক দিন ধরে নিলুফার ইয়াসমীন খুব চিন্তায় আছেন। তাদের একমাত্র ছেলে বর্ণকে খুব অন্যমনস্ক মনে হচ্ছে। হঠাৎ করেই ও একধরনের দূরত্ব রেখে চলছে। আগে এসেই স্কুলের সব গল্প করত। তার পাশে বসে থাকত। এখন ও ক্লাস নাইনে উঠেছে। একটু বড় বড় ভাব। তাকে এড়িয়ে চলছে। শুধু তা-ই নয়, খাওয়ার সময়ও নিজের ঘরে গিয়ে দরজা আটকে একাই খাচ্ছে। তার মনে হচ্ছে, তিনি নিজের ছেলেকেই আর চিনতে পারছেন না।
হঠাৎ করে কেন এই দূরত্ব তৈরি হলো তাদের মাঝে? এই ছেলেকেই তিনি কিছুদিন আগে নিজ হাতে খাইয়েও দিয়েছেন। তিনি বুঝতে পারছেন যে ছেলেটা মানসিকভাবে এখন একটা কঠিন সময় পার করছে। কিন্তু তিনি কোনো
-
‘কখন থেকে মেয়েটা কেঁদে যাচ্ছে। অথচ আমি ওই ঘরে যেতেই পারছি না। অপারেশনের ব্যথার কারণে অনেক সময় লাগছে যেতে। ওর কান্না বন্ধই হচ্ছে না। আমি প্রায় চিৎকারই করছি, আমার স্বামীকে ডাকছি। এমন সময় ঘুমটা ভেঙে গেল।’ যেন মেয়েটা ক্ষুধায় কান্না না শুরু করে, সেজন্য রাতে বেশ কয়েক ঘণ্টা পরপরই অ্যালার্ম দিয়ে ঘুমাই। তবে চিন্তায় অ্যালার্মের আগেই ঘুম ভেঙে যায় আমাদের। এই প্রবাসে সন্তান জন্ম, লালন পালন এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা। একজন মা হিসেবে একাকী লালন-পালন, খাওয়ানো সব করা আসলেই খুব কঠিন। মাত্র পাঁচ মাস হতে চলল আমার মেয়ের। এই আমেরিকাতেই ওর জন্ম। আমি আর ওর বাবা মিলে ওর জন্মের বহু আগে
-
আমাদের চিরচেনা জগৎ ধীরে ধীরে হারিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে চলেছে ধ্বংসের দিকে। এর মূল কারণ পরিবেশদূষণ। পবিবেশদূষণ, গাছপালার নিধন আমাদের জলবায়ুকে করে তুলছে প্রতিকূল। গ্লোবাল ওয়ার্মিং আজ সারা বিশ্বের জন্যই ভয়াবহ অভিশাপ। এ পরিবেশদূষণ ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে করে তুলছে বসবাসের অযোগ্য; তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে করে তুলছে অনিশ্চিত।
পৃথিবীর অন্য বহু দেশের তুলনায় বাংলাদেশ অতি ক্ষুদ্র। তবে আমাদের পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে প্রতিটি দেশকে হতে হবে পরিবেশ-সচেতন এবং পৃথিবীকে করে তুলতে হবে চিরসবুজ ও দূষণমুক্ত। একজন মানুষের মধ্যে মানবজাতি রক্ষার্থে এই পরিবেশ-সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ-দূষণ রোধের মূল্যবোধ তৈরিতে মায়ের চেয়ে বড় শিক্ষক আর কেউ নন। একজন মা-ই পারেন তার সন্তানের মধ্যে পরিবেশ-সচেতনতা
-
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাঙালি নারীর প্রতিবাদী মুখ আবার সারা বিশ্বের কাছে উদ্ভাসিত হলো শাহবাগে গণজাগরণের মধ্য দিয়ে। শাহবাগ আন্দোলনে প্রায় প্রতিদিন এই আন্দোলনকে চাঙ্গা রেখেছে নারীদের জ্বালাময়ী কণ্ঠের স্লোগান। পৃথিবীতে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর—কাজী নজরুল ইসলামের এই বাণীর যথার্থতা প্রমাণের মধ্য দিয়ে পুরুষের পাশাপাশি এক মঞ্চে স্লোগান দিয়ে নারীরা বীরের মতো নেতৃত্ব দিয়েছে এ আন্দোলনে। স্লোগানকন্যা লাকি আক্তারের পাশাপাশি দিন-রাত স্লোগানের ঝড় তুলেছে মুক্তা বাড়ৈ, প্রগতি বর্মন, সুস্মিতা রায় সুপ্তি, জয়শ্রী রায়, তানিয়া, সামিয়া রহমান, উম্মে হাবিবা বেনজির, তানজিদা তুবা প্রমুখ। তাদের এই
-
‘এ্যাই, সাবলেট থাকতে কেমন রে? অসুবিধা হয় না?’
রাত দশটা না বাজতেই গৃহকর্তার বজ্রকণ্ঠের হাঁক, ‘এত রাতে লাইট জ্বলে কেন? বিদ্যুৎ বিলের রেইট বেড়েছে, জানো না?’—এইসব আর কী! ক্যাম্পাসে একটা হাসির ঢেউ উঠল। ইডেন কলেজে ক্লাসের ফাঁকে বান্ধবীদের আড্ডা চলছিল।
পরিবার থেকে দূরে ঢাকায় পড়তে আসা শিক্ষার্থী বা অবিবাহিত কর্মজীবী নারীদের জন্য আবাসস্থল এক বড় সংকট। কারণ, ঢাকায় তাদের থাকার জন্য চাহিদা অনুযায়ী হল বা মেসের সংখ্যা খুবই কম। এজন্য গড়ে উঠেছে সাবলেট প্রথা। এ ক্ষেত্রে কোনো পরিবার বাড়ির একটি বা দুটি ঘর ভাড়া দেয় নিজেদের প্রয়োজনে। সম্পূর্ণ নতুন পরিবারের সঙ্গে থাকতে নারীরা যেমন নিরাপত্তার অভাব অনুভব করে, তেমনি কঠিন
ট্যাগ
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.





