-
অনুবাদ: কানাই লাল মুখোপাধ্যায়
বস্তুত, প্রাচীনকাল কথাটা একটা অস্পষ্ট ধারণামাত্র। অতএব, এই শিরোনামে একাধিক মৌলের আলোচনার বেশীভাগ হবে বিধিবহির্ভূত, যদিও ইতিহাসে আলোচনাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই অধ্যায়ে যে মৌলগগুলির (প্রধানত ধাতব মৌল) আলোচনা আছে, সেগুলির ব্যবহার প্রাচীনকালের বিভিন্ন লেখাপত্রে উল্লেখ আছে, না হয় প্রত্মতাত্ত্বিক তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে পারা যায়।
এই সব ক্ষেত্রে “আবিষ্কার” শব্দটির ব্যবহার বিধিবহির্ভূত। ঐতিহাসিক পটভূমিকায় বলতে গেলে, এই অধ্যায়ের মুখ্য চরিত্রগুলি, স্বাধীন রাসায়নিক মৌল হিসেবে তুলনামূলকভাবে সম্প্রতি স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রাচীনকালে জানা মৌলের আদি ইতিহাসটি বর্ণনায় মৌলগুলির আবিষ্কারের তারিখ এবং আবিষ্কারকদের নাম উল্লেখ না করেই চুপিচুপি চলে যেতে হবে। অতএব, এই অধ্যায়ে মৌলগগুলির উপস্থাপনার ধরনটি একটু অস্বাভাবিক
-
রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ছোট্ট রুবাইয়াৎ অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে মা তার কিভাবে ম্যাচবক্স থেকে একটা কাঠি বের করে সেটা বক্সটার একপাশে ঘষে দিতেই কাঠিটার মাথায় আগুন ধরে গেল। সে আগুন আবার চুলোর কাছে নিয়ে ধরতেই চুলোয় ধপ করে আগুন জ্বলে উঠলো।
রুবাইয়াৎ মাকে প্রশ্ন করলো—আগুন জ্বলে কেমন করে, আম্মু? মা বললো—যাও, রাফসান ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করো। যদি ভাইয়া বলতে না পারে তাহলে আমি বলবো, কেমন?
রুবাইয়াৎ দৌড়ে রাফসান ভাইয়ার কাছে গেল। দেখলো সে পড়াশুনায় ব্যস্ত, সামনের মাসেই তার বড়সড় একটা পরীক্ষা আছে কিনা। তবুও তাকে সাহস করে প্রশ্ন করে বসলো রুবাইয়াৎ—আচ্ছা ভাইয়া, আগুন জ্বলে কেমন করে?
পড়াশুনায় বাধা পড়ায় রাফসান প্রথমে বিরক্ত
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
উৎস
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.