-
হাতে এত অবসর যে মনে হয় আকাশটা কত বড় হয়ে উঠেছে : এত বিশাল এত গভীর এবং এত মৌন আকাশ সে যেন দেখে নি কখনো। দেহ শুধু ক্লান্তিতে জড়িয়ে ওঠে, আর সে ক্লান্তিতে কেমন নেশা।
এখন সকাল। বোশেখি রোদ এখনো তেতে ওঠে নি, পশ্চিমের ঘরটায় এখনো কোমল ছায়া। দক্ষিণের জানলার পাশে ডেক-চেয়ারে আমজাদ বসে রয়েছে নিশ্চুপ হয়ে, আর হয়তো চেয়ে দেখছে অদূরে মাইল-স্তম্ভের পাশে বুড়ো জামগাছটার পানে। মৃদু-মৃদু হাওয়া বইছেই, জামগাছের পাতা নড়ছেই। কিন্তু কখনো-কখনো হাওয়া জোর হলে জোরে কেঁপে ওঠে, আবার স্তব্ধ হয়ে গেলে গাছময় এ-অবসরের মতো নিশ্চলতা জমে ওঠে। বাসাটা শহরের প্রান্তে বলে এধারে কোলাহল নেই এবং কোলাহল
-
লতুর ধরা পড়বার খবরটা নীলার চিঠিতেই পেয়েছিলাম।
নীলা লিখেছে। তখন রাত বোধ হয় বারোটা হবে। রাস্তায় গাড়িঘোড়ার কোনো সাড়াশব্দ ছিল না। উত্তরঙ্গ পৃথিবী রাতের শিশিরে মুখ গুঁজে ঝিমুচ্ছিল ক্লান্তিতে। বড় কাটরা লেনের বাসিন্দাদের চোখে গাঢ় ঘুম নেবেছিল তখন। ঘুম নেবেছিল আমাদের চোখেও। দোরগোড়ায় হঠাৎ ঘা পড়ল। অসহিষ্ণু কড়া নাড়ার শব্দে চোখের পলক জোড়া খুলে গেল আমার। পাশেই শুয়ে ছিল লতু। পিঠে মৃদু নাড়া দিয়ে জাগালাম ওকে। ‘এই শুনছ! কারা এসে কড়া নাড়ছে। এই শুনছ?’ ‘কে, কারা?’ লতুর কণ্ঠে গভীর উদ্বেগ। গায়ের চাদরটা এক পাশে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে উঠে বসল সে। পা টিপে টিপে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। মুহূর্ত কয়েক নিচের
-
সকালে একটি নিগ্রো খচ্চরটাকে খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল বড় কুঠিতে। যাওয়ার পথে কর্নেল হেনরি ম্যাকস্ওয়েলকে ব্যাপারটা জানিয়ে এল। তারপর কর্নেল হেনরি ফোন করলেন শেরিফকে। শেরিফ ঝটপট জিমকে শহরে পাকড়াও করে আনলেন। তারপর তাকে গারদে আটকে বাড়ী চলে গেলেন শেরিফ এবং গিয়ে সকালের খানা খেতে বসলেন।
শার্টের বোতাম আঁটতে আঁটতে জিম শূন্য গারদখানার চারদিকে ঘুরে বেড়ালো কিছুক্ষণ। তারপর এসে বসল বিছানায়। জুতোর ফিতে বাঁধল বসে বসে। সবটা এমন তাড়াতাড়ি ঘটে গেল সেদিন সকালে যে এক গ্লাস জল খাওয়ারও সময় পায় নি জিম। উঠে সে দরোজার কাছে রাখা জলের বালতীটার কাছে গেল। কিন্তু শেরিফ ভুলে গেছে বালতীতে জল রাখতে।
ইতিমধ্যে জেলের প্রাঙ্গনে এসে
-
‘দারোগা বাবু,—দারোগা বাবু!’—
ডাকাডাকিতে দারোগাবাবু উঠল বিলম্বিত প্রাতঃশয্যা থেকে। তখন প্রায় বেলা আটটা। গোঁফ বাগাতে বাগাতে বাইরে এল। বনওয়ারীবাবুর গোমস্তা তখন হাঁপাচ্ছে।
‘কি হলো আবার?’
গোমস্তা শুধু, বললে, ‘বড়বাব, খুন’—
‘খুন! বনওয়ারী বাবু!' দারোগা ভুরু কুঁচকে বললে, ‘কাল অতো রাত পর্যন্ত গল্প-গুজোব ক'রে এলাম – আর’...
গোমস্তা দম নিয়ে বললে, ‘আজ্ঞে বেঙা মাঝি। শালা আজ সকালে কয়েকজনাকে নিয়ে বনে কাঠ কাটতে যাচ্ছিল জবরদস্তি। তা আপনার বুদ্ধিমতো শালাকে ভজিয়ে টজিয়ে ডেকে এনেছিলাম, না-না ক'রে বৈঠকখানায় শালা ঢুকেও ছিল। তারপর বড়বাবর সঙ্গে দুটো একটা কথা হতে না হতেই ধাঁই ক'রে কোপ মারলে কাঠ-কাটা টাঙি দিয়ে। বাস্।’
'ঘরে ঢুকেছিল যখুনি তখুনি সব ধরে
-
সিমেন্ট ঘাঁটতে এমন ভাল লাগে রঘুর। দশটা আঙ্গুল সে ঢুকিয়ে দেয় সিমেন্টের স্তূপে, দু'হাত ভর্তি করে তোলে, আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে ঝুর ঝুর করে ঝরে যায়। হাত দিয়ে সে থাপড়ায় সিমেন্ট, নয় শুধু এলোমেলোভাবে ঘাঁটাঘাঁটি করে। যোয়ান বয়সে ছেলেবেলার ধুলোখেলার সুখ। কখনো খাবলা দিয়ে মুঠো করে ধরে, যতটা ধরতে চায় পারে না, অল্পই থাকে মুঠোর মধ্যে। হাসি ফোটে রঘুর ঠোঁটে। এখনো গঙ্গামাটির ভাগটা মেশাল পড়েনি—ও চোরামিটা কোম্পানি একটু গোপনে করে। কি চিকন মোলায়েম জিনিষটা, কেমন মিঠে মেঘলা বরণ। মুক্তার বুক দুটির মত। বলতে হবে মুক্তাকে তামাসা করে, আবার যখন দেখা হবে।
‘এই শালা খচ্চর!’
গিরীনের গাল, ছিদামের নয়। ছিদাম বিড়ি টানছে
-
দেবতারা সত্যিই একটি উপযুক্ত বিধান দিয়েছেন—গরিবেরাও হাসতে পারবে।
কুঁড়ে ঘরে শুধুই যে কান্নাকাটি, হা-হুতাশ শোনা যায়, তা নয়; প্রাণখোলা অনেক হাসিও সেখানে ওঠে। এমনকি, বলতে গেলে, যখন কাঁদা উচিত, তখনই বরং হেসে ওঠে গরিবেরা।
এই দুনিয়াটা আমার ভালোই জানা। আমার বাবা হলেন সুস পরিবারের লোক (নুন সংক্রান্ত জাতিবাচক পদবীবিশেষ, উত্তর ভারতের নুনিয়াদের মতো—অনুবাদক) নুনিয়াদের তখন দারুণ অভাব অনটনের অবস্থা। একটা ইঞ্জিন কারখানায় দিনমজুরের কাজ করতেন বাবা। এই সময়কার দিনগুলো নিয়ে তাঁর তখন আর কোন অহংকার ছিল না, কারই বা থাকে! অথচ এ দিনগুলোও কিন্তু মিথ্যা ছিল না।
আর এও মিথ্যে নয় যে ছেলেবেলার এই কটি বছরে আমি যতো হেসেছি, তেমন
-
সময়টা তখন অগ্রহায়ণের শেষ। শীত পড়েছে বেশ। উত্তরে হাওয়া বইছে। গা-কাঁপিয়ে, রক্ত জমিয়ে আনে বুঝি। আকাশে মেঘের দেখা নেই। গাঢ় নীল রঙের আকাশটা ঝক্ ঝক্ করছে রঙের দীপ্তিতে।
রাস্তার দুপাশে বিস্তৃত ধানের খেত। সোনালী ফসলের চোখ-জুড়ানো সমারোহ। ধানের শীষের উপর রাতের শিশির টল টল করছে আর সকাল বেলার সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করছে রূপোলি বিন্দুর মতো।
একছিলিম তামাক টানবার জন্য কাস্তেটা পাশে রেখে বসল প্রাণকেষ্ট। মালসার ঘুঁটের আগুনটা উসকে দিল হাত দিয়ে। অন্ধকার থাকতেই ধান কাটতে বেরিয়েছে সে। কড়া শীতে হাত দুটো অবশ হয়ে এসেছে। একটু গরম হয়ে নেবে সে তামাক টানতে টানতে। গায়ে জড়ানো পাতলা কাঁথাটা কাজে ব্যাঘাত ঘটালেও ছাড়তে
-
আমি পুলিসের ডিটেকটিভ কর্মচারী। আমার জীবনের দুটিমাত্র লক্ষ্য ছিল—আমার স্ত্রী এবং আমার ব্যবসায়। পূর্বে একান্নবর্তী পরিবারের মধ্যে ছিলাম, সেখানে আমার স্ত্রীর প্রতি সমাদরের অভাব হওয়াতেই আমি দাদার সঙ্গে ঝগড়া করিয়া বাহির হইয়া আসি। দাদাই উপার্জন করিয়া আমাকে পালন করিতেছিলেন, অতএব সহসা সস্ত্রীক তাঁহার আশ্রয় ত্যাগ করিয়া আসা আমার পক্ষে দুঃসাহসের কাজ হইয়াছিল।
কিন্তু কখনো নিজের উপরে আমার বিশ্বাসের ত্রুটি ছিল না। আমি নিশ্চয় জানিতাম, সুন্দরী স্ত্রীকে যেমন বশ করিয়াছি বিমুখ অদৃষ্টলক্ষ্মীকেও তেমনি বশ করিতে পারিব। মহিমচন্দ্র এ সংসারে পশ্চাতে পড়িয়া থাকিবে না।
পুলিসবিভাগে সামান্যভাবে প্রবেশ করিলাম, অবশেষে ডিটেক্টিভ-পদে উত্তীর্ণ হইতে অধিক বিলম্ব হইল না।
উজ্জ্বল শিখা হইতেও যেমন কজ্জলপাত হয়
-
আমার পাঁচ বছর বয়সের ছোটো মেয়ে মিনি এক দণ্ড কথা না কহিয়া থাকিতে পারে না। পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়া ভাষা শিক্ষা করিতে সে কেবল একটি বৎসর কাল ব্যয় করিয়াছিল, তাহার পর হইতে যতক্ষণ সে জাগিয়া থাকে এক মুহূর্ত মৌনভাবে নষ্ট করে না। তাহার মা অনেকসময় ধমক দিয়া তাহার মুখ বন্ধ করিয়া দেয়, কিন্তু আমি তাহা পারি না। মিনি চুপ করিয়া থাকিলে এমনি অস্বাভাবিক দেখিতে হয় যে, সে আমার বেশিক্ষণ সহ্য হয় না। এইজন্য আমার সঙ্গে তাহার কথোপকথনটা কিছু উৎসাহের সহিত চলে।
সকালবেলায় আমার নভেলের সপ্তদশ পরিচ্ছেদে হাত দিয়াছি এমন সময় মিনি আসিয়াই আরম্ভ করিয়া দিল, “বাবা, রামদয়াল দরোয়ান কাককে কৌয়া বলছিল,
-
আমার স্ত্রী-বর্তমানে প্রভা সম্বন্ধে আমার কোনো চিন্তা ছিল না। তখন প্রভা অপেক্ষা প্রভার মাতাকে লইয়া কিছু অধিক ব্যস্ত ছিলাম।
তখন কেবল প্রভার খেলাটুকু হাসিটুকু দেখিয়া, তাহার আধো আধো কথা শুনিয়া, এবং আদরটুকু লইয়াই তৃপ্ত থাকিতাম; যতক্ষণ ভালো লাগিত নাড়াচাড়া করিতাম, কান্না আরম্ভ করিলেই তাহার মার কোলে সমর্পণ করিয়া সত্বর অব্যাহতি লইতাম। তাহাকে যে বহু চিন্তা ও চেষ্টায় মানুষ করিয়া তুলিতে হইবে এ কথা আমার মনে আসে নাই।
অবশেষে অকালে আমার স্ত্রীর মৃত্যু হইলে একদিন মায়ের কোল হইতে খসিয়া মেয়েটি আমার কোলের কাছে আসিয়া পড়িল, তাহাকে বুকে টানিয়া লইলাম।
কিন্তু মাতৃহীনা দুহিতাকে দ্বিগুণ স্নেহে পালন করা আমার কর্তব্য এটা আমি বেশি
-
প্রথম কাজ আরম্ভ করিয়াই উলাপুর গ্রামে পোস্টমাস্টারকে আসিতে হয়। গ্রামটি অতি সামান্য। নিকটে একটি নীলকুঠি আছে, তাই কুঠির সাহেব অনেক জোগাড় করিয়া এই নূতন পোস্টআপিস স্থাপন করাইয়াছে।
আমাদের পোস্টমাস্টার কলিকাতার ছেলে। জলের মাছকে ডাঙায় তুলিলে যেরকম হয়, এই গণ্ডগ্রামের মধ্যে আসিয়া পোস্টমাস্টারেরও সেই দশা উপস্থিত হইয়াছে। একখানি অন্ধকার আটচালার মধ্যে তাঁহার আপিস; অদূরে একটি পানাপুকুর এবং তাহার চারি পাড়ে জঙ্গল। কুঠির গোমস্তা প্রভৃতি যে-সকল কর্মচারী আছে তাহাদের ফুরসত প্রায় নাই এবং তাহার ভদ্রলোকের সহিত মিশিবার উপযুক্ত নহে।
বিশেষত কলিকাতার ছেলে ভালো করিয়া মিশিতে জানে না। অপরিচিত স্থানে গেলে, হয় উদ্ধত নয় অপ্রতিভ হইয়া থাকে। এই কারণে স্থানীয় লোকের সহিত তাঁহার
-
প্রথম পরিচ্ছেদ
কাঁঠালিয়ার জমিদার মতিলালবাবু নৌকা করিয়া সপরিবারে স্বদেশে যাইতেছিলেন। পথের মধ্যে মধ্যাহ্নে নদীতীরের এক গঞ্জের নিকট নৌকা বাঁধিয়া পাকের আয়োজন করিতেছেন এমন সময় এক ব্রাহ্মণ বালক আসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “বাবু, তোমরা যাচ্ছ কোথায়।” প্রশ্নকর্তার বয়স পনেরো-ষোলোর অধিক হইবে না।
মতিবাবু উত্তর করিলেন, “কাঁঠালে।”
ব্রাহ্মণ বালক কহিল, “আমাকে পথের মধ্যে নন্দীগাঁয়ে নাবিয়ে দিতে পার?”
বাবু সম্মতি প্রকাশ করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “তোমার নাম কী।”
ব্রাহ্মণ বালক কহিল, “আমার নাম তারাপদ।”
গৌরবর্ণ ছেলেটিকে বড়ো সুন্দর দেখিতে। বড়ো বড়ো চক্ষু এবং হাস্যময় ওষ্ঠাধরে একটি সুললিত সৌকুমার্য প্রকাশ পাইতেছে। পরিধানে একখানি মলিন ধুতি। অনাবৃত দেহখানি সর্বপ্রকার বাহুল্যবর্জিত; কোনো শিল্পী যেন বহু যত্নে নিখুঁত নিটোল
উৎস
- পুরাণের গল্প
- শিউলি-মালা
- বনফুল গল্পসমগ্র
- পাতাবাহার
- প্রক্রিয়াধীন
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- বাংলাদেশ কথা কয়
- কুশলপাহাড়ী
- গল্পগুচ্ছ
- বিজ্ঞানচেতনা
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বিজ্ঞান পাঠ
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- বারো মামার এক ডজন
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মানুষের জন্ম
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- কিন্নর দল
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- রূপহলুদ
- জ্যোতিরিঙ্গন
- অগ্রন্থিত গল্পাবলি
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- পরিচয়
- ভেদ-বিভেদ (২)
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- রূপের ডালি খেলা
- বিধু মাস্টার
- নবাগত
- মেঘমল্লার
- জন্ম ও মৃত্যু
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- বুলগেরিয়ার ছোট গল্প
- সুকান্তসমগ্র
- গল্প ভারতী
- সেকেলে ফ্যাসিবাদ
- ছায়াছবি
- মৌরীফুল
- যাত্রাবদল
- তালনবমী
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- অনুসন্ধান
- নয়নচারা
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প
- ব্যথার দান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৬)
- ২০২৫ (৬৪)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৫ (১০)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৭০ (১)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (৩৫)
- ১৯৬৩ (৪)
- ১৯৬১ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৪)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১২)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (৩)
- ১৯৪৮ (৪)
- ১৯৪৭ (৪)
- ১৯৪৬ (৯)
- ১৯৪৫ (২২)
- ১৯৪৪ (৮)
- ১৯৪৩ (৮)
- ১৯৪২ (৮)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৪০ (১)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯২২ (৫)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯১৩ (৬)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আবু ইসহাক (৩)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সান্দ্র কোনোনভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (১০)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৪)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- নীহাররঞ্জন গুপ্ত (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১৯)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (৪)
- মাৎভেই তেভেলেভ (৯)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শওকত ওসমান (১০)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখ ওয়াজেদ আলি (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেভতোশ্লাভ মিনকভ (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ (৪৮)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.