১৮৭৯–১৯৪৫
আলবার্ট আইনস্টাইন
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
See more >>-
[নিচের প্রবন্ধটি আমেরিকায় উচশিক্ষার ত্রি-শততম বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে নিইউয়র্কের অ্যালবানি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত আইনস্টাইনের ভাষণ। এই ভাষণ তিনি দিয়েছিলেন ১৯৩৬ সনের ১৫ অক্টোবর। বর্তমান বাঙলা অনুবাদটি Lina Arronet-এর ইংরেজি অনুবাদ অবলম্বনে করা হয়েছে। অনূদিত ইংরেজি লেখাটি সঙ্কলিত আছে Albert Einstein-এর Ideas and Opinions (Rupa & Co., Calcutta, 1991) গ্রন্থে। আইনস্টাইনের জন্ম ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে এবং মৃত্যু ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে। হিটলারের শাসনকালে তিনি মাতৃভূমি জার্মানি ত্যাগ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেজন্য এই ভাষণে তিনি নিজেকে যাযাবর বলে অভিহিত করেছেন।
বাঙলাদেশের বর্তমান অধঃপতিত শিক্ষাব্যবস্থার পটভূমিতে আইনস্টাইনের চিন্তা বিবেকবান ভাবুক ও কর্মীদের নিকট মূল্যবান বিবেচিত হতে পারে—এই ধারণাবশে এটি বাঙলায় অনুবাদ করেছি। শৈশব-কৈশোরে আইনস্টাইন জার্মানিতে
-
আমার বিশ্বাস, অর্থনীতি ও সামাজিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন এমন ব্যক্তির পক্ষে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করতে যাওয়া নানাকারণেই ঠিক নয়।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা প্রথমে বিবেচনা করা যাক। মেথোডলজির (Methodological) দিক থেকে, মনে হয়, জ্যোতির্বিদ্যা ও অর্থনীতির মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই, উভয় ক্ষেত্রেই বৈজ্ঞানিকগণ সন্নিবিষ্ট ঘটনাবলীর মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র আবিষ্কারের জন্য সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য এমন কতগুলো সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করেন, যাতে বিষয়টা যতদূর সম্ভব সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। বাস্তবক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতিগত পার্থক্য থেকেই যায়। পর্যবেক্ষিত অর্থনৈতিক ঘটনাবলী প্রায়শই এমন কতগুলো কারণ দ্বারা প্রভাবান্বিত, যেগুলোর পৃথক পৃথক মূল্যায়ণ প্রায় অসম্ভব। এমন ক্ষেত্রে অর্থনীতির সাধারণ সূত্রাবলীর আবিষ্কার কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকন্তু, মানব-ইতিহাসের তথাকথিত
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
উৎস
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.

