-
পূর্ব বাংলার বাঙালিত্বকে মুছে ফেলার প্রয়াস ছিলো পাকিস্তানি নেতাদের। তাঁরা আশা করেছিলেন পূর্ব দিগন্তে বাস করেও বাঙালিরা স্বপ্নে বিচরণ করবেন আরব-ইরানে। দোয়েল-কোয়েল ডাকা তাল-তমাল-জারুল-হিজল বনে বেষ্টিত থাকলেও সে দেশের কবিরা কবিতা লিখবেন খেজুর-বাবলা আর বলবুলি নিয়ে। কিন্তু স্বভাব স্বীকরণ করে না এমন অসম্ভব এবং উদ্ভট পরিকল্পনাকে। সংস্কৃতি কি কলকারখানার ছাচে ঢেলে তৈরি করা যায়? সে থাকে মনোলোকের গভারে। ভাষার মতো সব অত্যাচারকে অগ্রাহ্য করে সে প্রকাশ করে আপন স্বরূপকে। পূর্ব বাংলার সংস্কৃতির ওপর সরকারি জলুম এসেছে নানাপথে। রবীন্দ্রনাথের ওপর উদ্ধত আক্রমণ তার অন্যতম। রবীন্দ্রনাথের পরাজয় এবং বিলোপ যেহেতু বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পরাজয় এবং বিলোগের নামান্তর তাই তিনি হিন্দু বলে,
-
লেখক: অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন
কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানেই এক অপার বিস্ময়, বহুমুখী প্রতিভার সমন্বয়। শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি শাখায়ই তাঁর ছিল দাপুটে বিচরণ। দর্শন, অর্থনীতি, কৃষি, সমাজ, পল্লীজীবন ইত্যাদি নিয়ে তাঁর ছিল মৌলিক ভাবনা। পরিবেশ সচেতনতা তথা পরিবেশ-ভাবনা সাম্প্রতিক কালের বিষয় বলে বিবেচিত হলেও, অনেক আগেই রবীন্দ্রনাথ পরিবেশ নিয়ে ভেবেছেন। পরিবেশকেন্দ্রিক নানা উদ্যোগের সঙ্গে তিনি নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। পরিবেশ-ভাবনা ছিল তাঁর স্বদেশ ভাবনার বড় অংশ জুড়ে। পরিবেশ-ভাবনায় তিনি ছিলেন তাঁর যুগের চেয়ে বিস্ময়করভাবে অনেক অগ্রসর।
রবীন্দ্রনাথের পরিবেশ-ভাবনা নগরকে কেন্দ্র করে অগ্রসর হয়নি, অগ্রসর হয়েছে গ্রামবাংলাকে কেন্দ্র করে। ‘বধূ’ কবিতায় তিনি নগরকে তুলে ধরেছেন এভাবে—“ইটের পরে ইট, মাঝে মানুষ কীট,/ নাইকো ভালবাসা, নাইকো
ক্যাটাগরি
উৎস
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.