-
অনুবাদ: অজয় গুপ্ত
বাচ্চাদের মধ্যে যারা প্রথমে সাগরের ওপর দিয়ে কালো ফুলে ওঠা জিনিসটাকে ধীরে-ধীরে ভেসে আসতে দেখেছিলো, ভেবেছিলো বুঝি শত্রুপক্ষের কোনো জাহাজ। পরে তারা দেখতে পেলো ওর কোনো নিশান বা মাস্তুল নেই, তখন তারা ভাবলো ওটা তিমিমাছ। কিন্তু জিনিসটা যখন ঢেউয়ের দোলায় কূলে এসে পড়লো, তারা সামুদ্রিক আগাছার ঝাড়, জেলিফিশের, মাছের আর সমুদ্রে ভেসেবেড়ানো জিনিসের টুকিটাকি তার গা থেকে সরিয়ে ফেললো, আর তখনই কেবল তারা দেখতে পেলো, ওটা একজন ডুবে-যাওয়া মানুষ।
সারাটা বিকেল তারা তার সঙ্গে খেলা করলো, বালির নিচে তাকে কবর দিলো, কবর খুঁড়ে আবার তাকে তুললো, সেইসময় কেউ একজন হঠাৎ তাদের দেখে ফেললো আর খবরটা গাঁয়ে রটিয়ে
-
“It is very unfair, we will not study under a new teacher,” the boys said.
The new teacher, who is arriving, has the name Kalikumar Tarkalankar. Even though the boys had not seen him yet, they had nicknamed the teacher as “Black pumpkin fresh chilli”, a ridiculous translation of the teacher’s name.
The vacations had ended and the boys were returning back to school from their homes in a train. Among them was a jolly fellow who had composed a poem entitled “The black pumpkin’s sacrifice” and the boys were reciting the poem at the top of their voice. Just
-
A couple of years after the partition of the country, it occurred to the respective governments of India and Pakistan that inmates of lunatic asylums, like prisoners, should also be exchanged. Muslim lunatics in India should be transferred to Pakistan and Hindu and Sikh lunatics in Pakistani asylums should be sent to India.
Whether this was a reasonable or an unreasonable idea is difficult to say. One thing, however, is clear. It took many conferences of important officials from the two sides to come to the decision. Final details, like the date of actual exchange, were carefully worked out. Muslim
-
অনুবাদ: আশিস মুখোপাধ্যায়
আমিও তাদের মধ্যে একজন, যারা এমনকি একটি সাধারণ আকৃতির মূষিককেও বিরক্তিকর বলে মনে করে। সম্ভবত, তারা বিরক্তিতে মারা যেত, যদি তারা সেই বড়ো আকারের মূষিকটিকে দেখত; যেটি আমাদের প্রতিবেশী একটি গ্রামে কয়েক বছর আগে দেখা গিয়েছিল। এবং স্বভাবতই যেটি একরকম অল্পকালস্থায়ী প্রসিদ্ধি অর্জন করেছিল। তারপর অনেকদিন হল ঘটনাটি বিস্মৃতিতে ডুবে গেছে। এ ব্যাপারে কেবলমাত্র কিছু অস্পষ্টতা থেকে গেছে যা ব্যাখ্যা করা একেবারেই অসাধ্য। কিন্তু স্বীকার করা উচিত, সেটিকে ব্যাখ্যা করার জন্য সাধারণ মানুষ খুব একটা কষ্ট স্বীকার করেনি। এবং তাই, যে বিষয়টি নিয়ে তাদের ভাবা উচিত ছিল, যেহেতু তারা অনেক বেশী তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে ইতিপূর্বে প্রচুর আগ্রহ
-
নানাবাড়ি পুকুরঘাটে কাত হয়ে থাকা ঝাকড়া-পাতার চালতা গাছটায় বসে ভীষণ জটিল এবং চরম আপমানজনক একটা বিষয় নিয়ে চিন্তা করছিলাম আমরা চারজন অর্থাৎ দুলুমামা, রবিন, মনি আর আমি। সবার মুখই খুব গম্ভীর, রাগে থমথমে, উত্তেজনায় লাল। কেউ কোনো বলছে না। আসলে কথা বলার মতো মনের অবস্থাই নেই কারও।
বিষয়টা খুলেই বলি তা হলে—
আমাদের তোতা মামা থাকেন কানাডায়, সেখানেই চাকরি করেন, প্রচুর আয়-রোজগার। কদিন আগেই তিনি বাড়িতে বেশ কিছু টাকা পাঠিয়েছেন। কেন জানি, সেই টাকা পাওয়ার পর থেকেই বাড়ির প্রায় সবাই খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, শরীর স্বাস্থ্যের হয়ে যাচ্ছিল চরম অবনতি। সমুদ্রের বাতাস গায়ে না লাগালে নাকি সেই স্বাস্থ্য উদ্ধারের আর
-
‘লোভে পাপ’—কথাটা কী নিদারুণ হতে পারে, সেটা এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলাটা বড়-পর্দার প্লাজমা টিভিতে দেখতে গিয়ে শাকের মামা আর আমি খুব ভালো করেই উপলব্ধি করেছিলাম। আর সেই উপলব্দিকে শুধু সাদামাটা উপলব্ধি বললে খুব কমই বলা হয়। আমাদের বাংলা স্যারের ভাষায় যাকে বলতে হয় একেবারে হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি।
মারাত্মক সেই উপলব্ধির ফলে পরের দুতিন সপ্তাহ আমার কাছে দুনিয়ার সব খাবার এমনকি মুক্তগাছার ‘মুক্তাগাছার বিখ্যাত সেই গোপাল পালের মডা’ পর্যন্ত করলার মতো তিতা-বিচ্ছিরি লেগেছে। ও-দিকে রাগে দুঃখে শাকের মামা তার নিজের মাথার লম্বা-ঘন-কালো চুল পটপট করে ছিঁড়তে ছিঁড়তে মাথাটা প্রায় ‘জিদান-মার্কা’ করে ফেলেছে। মাঝে-মধ্যে আবার হিংস্র দৃষ্টিতে তাকাতে তাকাতে অন্যদের মাথার
-
আমাদের মিল্কী মামাকে নিয়ে হয়েছে এক মহামুশকিল।
এমনি তো মিল্কী মামার সবই ভালো। সারাদিন টো-টো করে ঘুরছে, রাস্তায় অন্য পাড়ার ছেলেদের সাথে মারামারি করছে, সবাইকে নিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁয় খেয়ে নিজে সবার বিল দিচ্ছে। ফুটবল-হকি-ভলিবল নিয়ে খেলার মাঠে সকাল-বিকাল দৌড়াদৌড়ি করছে। সন্ধ্যায় ক্লাব ব্যাডমিন্টন-টেবিল টেনিস নিয়ে লাফালাফি করে রাত ন’টায় বাড়ি ফিরছে। এক কথায় দারুণ ফুর্তিবাজ, দুর্দান্ত ক্রীড়া-পাগল ছেলে।
কিন্তু মিল্কী মামার সামনে ক্রিকেট খেলার কথা উঠলে তো সেই মিল্কী মামা আর মিল্কী মামা নেই রেগে আগুন হয়ে তেলে বেগুনে জ্বলে, উঠবে যেন টেংরাটিলার গ্যাসক্ষেত্র। এদিকে মিল্কী মামা বাদে আমরা অন্য সবাই তো ক্রিকেট খেলার দারুণ ভক্ত। আর শুধু ভক্ত বললে কমই
-
ছুটির ঘণ্টা পড়িতেই বগলে খানকয়েক বই খাতা লইয়া নরেশ বাড়ির পথটি ধরিয়া চলিতে থাকে। পশ্চাতে যে এক বুড়া ডিটেকটিভের মত তাহার গতিবিধি লক্ষ করিতে পিছু লইয়াছে, ইহা সে লক্ষ করে নাই। লক্ষ করিলে বুড়ার ক্ষুধিত দৃষ্টি হইতে নিজেকে বাঁচাইবার জন্য সচেষ্ট হইত।
নরেশ মাইনর স্কুলের ছাত্র, তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। ভূষণের পারিপাটা নাই, চুলগুলি উদ্বু-খুস্থ।
অর্ধমলিন পাঞ্জাবীর হাতাটায় এক ছোপ কালির দাগ। উহা দ্বারা কখন সে মুখের ঘাম মুছিয়াছিল—মুখেও কালির সবুজ স্পর্শ লাগিয়াছে। কোঁচাটা মাটিতে লুটাইত যদি সে বাম হাতে উহা উঁচু করিয়া ধরিয়া
না রাখিত। মোটের উপর বেশ নিরীহ গোবেচারা ছেলে। ক্ষুধার তাড়নায় বেশ একটু জোরে জোরেই পা ফেলিয়া চলিতে
-
II ১ II
কম্যান্ড্যান্ট যখন মালবাহী জাহাজ ‘রেকর্ডের’ প্রখর আলোকিত সিড়ি বেয়ে ওপরে উঠল ততক্ষণে অন্ধকার হয়ে এসেছে। পোতাশ্রয়ে অতি জনপ্রিয়, বাহাত্তর বছর বয়সের এই ব্যক্তিটি ছিল ঋজু, সামান্য দুর্বল গড়নের এক বৃদ্ধ। শুকনো নাশপাতির মতো তার বলিরেখাঙ্কিত মুখটি ছিল নিখুঁত কামানো। মাছের পাখনার মতো দু পাশের জুলপিতে খাড়া খাড়া হয়ে থাকত সাদা চুল; পাকা ভুরু জোড়ার কানাতের নীচ থেকে মধুর হাসিতে ঝকঝক করত ছোট ছোট নীল দুটি চোখ। বিজলী বাতির উজ্জ্বল আলোয় কম্যান্ড্যান্টের জাহাজী টুপি, খয়েরী রঙের জ্যাকেট, সাদা প্যান্ট, নীল রঙের টাই আর সস্তা দামের ছড়ি—সেগুলির যে দৈন্যদশার সাক্ষ্য দিচ্ছিল, মেরামতের শত চেষ্টায়ও তা যাবার নয়। কম্যান্ড্যান্টের হলদে
-
সেপ্টেম্বর মাসের কোনো এক অন্ধকার রাত্রে, নটা বাজার কিছু পরে, জেমস্তভোর ডাক্তার কিরিলভের একমাত্র পুত্র ডিপথিরিয়া রোগে মারা গেল। ডাক্তারের স্ত্রী সবে মাত্র আশাভঙ্গের প্রথম আঘাতে মৃত সন্তানের শয্যাপাশে নতজানু হয়ে বসেছে, এমন সময় সদর দরজার ঘণ্টাটা সজোরে বেজে উঠল।
ডিপথিরিয়ার ভয়ে বাড়ির চাকরবাকরদের সকাল থেকেই বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিরিলভ যে অবস্থায় ছিল, পরনে শুধুমাত্র সার্ট আর বোতাম খোলা একটা ওয়েস্টকোট, সেই অবস্থাতেই, এমনকি চোখের জলে ভেজা মুখ ও কার্বলিক এসিডের দাগ-লাগা হাতদুটো না মুছেই, দরজা খুলতে গেল। হলঘরটা অন্ধকার, আগন্তুককে দেখে এইটুকু শুধু বোঝা গেল, সে মাঝারি লম্বা, তার গলায় একটা সাদা মাফলার জড়ানো আর তার প্রকাণ্ড
-
A GLOOMY winter morning.
On the smooth and glittering surface of the river Bystryanka, sprinkled here and there with snow, stand two peasants, scrubby little Seryozhka and the church beadle, Matvey. Seryozhka, a short-legged, ragged, mangy-looking fellow of thirty, stares angrily at the ice. Tufts of wool hang from his shaggy sheepskin like a mangy dog. In his hands he holds a compass made of two pointed sticks. Matvey, a fine-looking old man in a new sheepskin and high felt boots, looks with mild blue eyes upwards where on the high sloping bank a village nestles picturesquely. In his hands
-
এত বড়ো বটগাছ সচরাচর দেখা যায় না। পিরপুরের হাটকে যদি চিনিতে হয়, তবে যে-কোনো অশীতিপর ক্ষীণদৃষ্টি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করিলেও ইহার উত্তর মিলিবে—দূরে, সে যত দূরেই হোক না কেন, যেন আকাশেরও প্রায় অর্ধেক ছাইয়া আছে, এমন একটা দৈত্যের মতো প্রকাণ্ড গোলাকার গাছের দিকে দারুণ তৎপরতায় শীর্ণ হাতটি উঠাইয়া সে বলিবে, ‘আরে, তুমি কি কানা? ওই দৈত্যিটার বরাবর চলে যেতে পার না?’ যাহাকে বলা হইবে, সে যেন কোনো ব্যবসায়ী, ওই হাটের দিকেই যাইতেছে, আর কোনো উদ্দেশ্য তাহার নাই। পিরপুর গ্রামটি অন্যান্য গ্রামের মতো নয়, সেখানে কেউ ঘর বাঁধিয়া বাস করিতে পারে, একথা কেউ ভুলেও কল্পনা করিতে পারে না। কেবল একটি হাট লইয়াই
উৎস
- গল্পগুচ্ছ
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- ভেদ-বিভেদ (২)
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পুরাণের গল্প
- বাংলাদেশ কথা কয়
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- শিউলি-মালা
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- বারো মামার এক ডজন
- রাঙা পাল
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- মেঘমল্লার
- রূপহলুদ
- জন্ম ও মৃত্যু
- কিন্নর দল
- উপলখণ্ড
- ক্ষণভঙ্গুর
- অসাধারণ
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- পরিচয়
- বিজ্ঞান পাঠ
- গল্প ভারতী
- পাতাবাহার
- ফুলকি ও ফুল
- কথা পাঞ্জাব
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- মানুষের জন্ম
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- রূপের ডালি খেলা
- যাত্রাবদল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- নবাগত
- বিধু মাস্টার
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- ছায়াছবি
- মৌরীফুল
- তালনবমী
- জ্যোতিরিঙ্গন
- কুশলপাহাড়ী
- অনুসন্ধান
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.