-
অনেকদিন পর সতীশের সঙ্গে দেখা। বেচারা হন্তদন্ত হয়ে ভিড় ঠেলে বিকাল বেলা বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের বাঁ-দিকের ফুটপাথ দিয়ে উত্তর মুখে চলেছিল। সমস্ত আপিসের সবেমাত্র ছুটি হয়েছে। শীতকাল। আধো-অন্ধকার আধো-আলোয় পথ ছেয়ে ছিল। ক্লান্ত দেহে ছ্যাকরা গাড়ির মতো ধীরে ধীরে পথ ভেদ করে চলেছিলাম। সহসা সতীশকে দেখে ওর জামাটা চেপে ধরে চিৎকার করে উঠলাম— আরে সতীশ যে!
সতীশ সবিস্ময়ে আমার পানে চেয়ে বলে উঠল— খগেন! মাই গড! আমি তোমাকেই খুঁজছিলাম!
বললাম— তার প্রমাণ আমাকে ধাক্কা দিয়েই তুমি চলে গেছিলে আর একটু হলে! ভাগ্যিস ডাকলাম!
—সরি! আমি একটু বিশেষ ব্যস্ত।
—তা সে বুঝতেই পারছি। তা, কোথায় চলেছ শুনি?
—তোমাকেও আমার সঙ্গে যেতে হবে।
-
অনুবাদ: সুনীলকুমার ঘোষ
অ্যামেরিকান মিনিস্টার মি. হিরাম বি. ওটিস ক্যানটারভিলে চেস বাড়িটি কিনে যে নির্বুদ্ধিতার কাজ করেছেন এই কথাটা ঘুরে-পরে সবাই তাঁকে বলেছিল। কারণ বাড়িটি যে ভূতুড়ে সে বিষয়ে কারও কোনো সন্দেহ ছিল না। এমনকি ন্যায়নিষ্ঠ লর্ড ক্যানটারভিলে নিজেও মি. ওটিস তাঁর সঙ্গে দরদস্তুর করতে এলে, তাঁরে এ-বিষয়ে সাবধান করে দিয়েছিলেন।
লর্ড ক্যানটারভিলে বললেন—আমরা নিজেরাই ওই বাড়িটা বাসের উপযুক্ত বলে মনে করিনি। একবার আমার বিধবা পিতামহী বোলটনের ডাচেস ডিনারের জন্যে পোশাক পালটাচ্ছিলেন। এমন সময় দুটি কঙ্কাল হাত এসে তাঁর কাঁধের ওপরে পড়ে। এই দেখেই ভয়ে তিনি মূর্দা যান। আরো একটা কথা আপনাকে আমার বলা দরকার, মি. ওটিস, আমাদের সংসারের অনেকেই
ক্যাটাগরি
লেখক
- অস্কার ওয়াইল্ড (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- প্রক্রিয়াধীন (১)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (২)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৮)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- রাজশেখর বসু (১)
- লীলা মজুমদার (১)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সমরেশ বসু (১)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.