-
সারা গালচিনো জেলায় কুন্দকার মিস্ত্রি গ্রিগরি পেত্রভের নাম ওস্তাদ কারিগর হিসেবে যেমন, পাঁড় মাতাল ও পয়লা নম্বরের হতচ্ছাড়া বলেও তেমনি। সেই পেত্রভ তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে চলেছে জেমস্তভো হাসপাতালে। ত্রিশ ভেস্ট রাস্তা তাকে ঘোড়ার গাড়িটা চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে, আর রাস্তা ভয়াবহ, এমনকি ডাক হরকরাও এই রাস্তার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে হিমসিম খেয়ে যায়, কাঁড়ের রাজা কুন্দকার গ্রিগরির কথা ছেড়েই দিচ্ছি। হাড়-কাঁপানো হিমেল বাতাসের ঝাপটা তার মুখে এসে পড়ছে। তুষার পাপড়ির ঘূর্ণীতে চারদিক ছেয়ে গেছে, তুষার আকাশ থেকে পড়ছে না মাটি থেকে উঠে আসছে বোঝা ভার। মাঠ বন টেলিগ্রাফের থাম কিছুই ঠাওর করা যাচ্ছে না। ঝাপটাটা যখন জোর হচ্ছে গ্রিগরি
-
"THE wind has got up, friends, and it is beginning to get dark. Hadn't we better take ourselves off before it gets worse?"
The wind was frolicking among the yellow leaves of the old birch trees, and a shower of thick drops fell upon us from the leaves. One of our party slipped on the clayey soil, and clutched at a big grey cross to save himself from falling.
"Yegor Gryaznorukov, titular councillor and cavalier . . ." he read. "I knew that gentleman. He was fond of his wife, he wore the Stanislav ribbon, and read nothing. . .
-
ম. আ. স্তাখোভিচের স্মৃতিতে
১
ক্রমশঃ আকাশ খুলে যেতে লাগল। পূর্বরবির ছটা ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে, আরো চিকচিক করছে অস্বচ্ছ রূপালী শিশিরবিন্দু, ক্ষীণতর হয়ে এল চাঁদের কাস্তে, বনে জাগল সাড়া, লোকজন উঠে পড়ছে; জমিদার বাড়ির আস্তাবলে ঘোড়ার নাকের আওয়াজ আর খড়ে পায়ের খসখস আরো স্পষ্ট কানে আসছে। মাঝে মাঝে তীক্ষ্ণ ক্রুদ্ধ হ্রেষাধ্বনি, কী একটা নিয়ে খেয়োখেয়ি লেগে গিয়েছে ভিড়-করা ঘোড়াগুলোর মধ্যে।
‘হয়েছে, হয়েছে! তাড়া কীসের! এরি মধ্যে ভুখ লেগেছে দেখছি!’ ক্যাঁচকে'চে ফটকটা খুলতে খুলতে বলল বুড়ো ঘোড়াপালক। ‘কোথায় যাচ্ছিস!’ একটা ঘুড়ী ফটকের দিকে লাফিয়ে আসাতে হাত তুলে সে চেঁচিয়ে উঠল।
ঘোড়াপালক নেস্তেরের গায়ে কসাক জ্যাকেট[১] নক্সা-করা চামড়ার বেল্ট দিয়ে আটকানো; চাবুকটা
-
ঘুম যখনই ভাঙুক না কেন, একটা না একটা দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পাওয়াই যায়। এক অশরীরী দম্পতি হাত ধরাধরি করে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে যাচ্ছে। এখানে এটা তুলছে, ওখানে সেটা খুলছে। আবার দেখছে সব ঠিক আছে কি না।
‘দেখো দেখো! এটা এখানেই রেখে গিয়েছিলাম!’ মেয়েটা বলে।
ছেলেটা সঙ্গে জুড়ে দেয়, ‘হ্যাঁ! এই যে দেখো এখানেও!’
'ওপরতলায়', মেয়েটা বিড়বিড় করে, ‘আর বাগানেও।’
ছেলেটা ফিসফিস করে বলে, ‘আরে! চুপ চুপ!’ তারপর দুজনে একসঙ্গে বলে, ‘নইলে যে ওদের ঘুম ভেঙে যাবে!’
ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে ওরা আমাদের ঘুম ভাঙায়। একদমই অমন কিছু হয় না। ‘দেখেছ, ওরা না খুঁজেই চলেছে; কেমন পর্দা
-
চোর গেল রাজবাড়িতে চুরি করতে। কিন্তু রাজবাড়িতে চুরি করা—সে কি আর চাট্টিখানি কথা? পাহারাওয়ালাগুলো সারারাত জেগে জেগে পাহারা দেয়। একটু পায়ের শব্দ কি খচর মচর শুনলে আর কি রক্ষা আছে! অমনি বাজখাই গলায় হেকে ওঠে—কৌন হ্যায় রে? ওরে বাপরে বাপ, সে কি গাল, শুনলে পরে পেটের পিলে চমকে ওঠে।
আচ্ছা, এমন করলে চুরি করা যায়? চোর এদিকে যায়, ওদিকে যায়, উঁকি মেরে দেখে, উঁহুঃ, কোথাও একটু ফাঁক নেই। ভীমের মতো পালোয়ান সব লাঠি বাগিয়ে বসে আছে। একটু টের পেলেই পিটিয়ে ময়দা বানিয়ে ছাড়বে। নাঃ, এখানে চুরি করা যাবে না। চোর মনের দুঃখে রাজবাড়ি থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এলো।
রাজবাড়ী থেকে
-
মাছের রাজা বোয়াল। রাজার মতো রাজা। যেমন নাম তেমন কাম। নদীর যত মাছ সব তার প্রজা। তার কথায় ওঠে বসে।
এহেন রাজা রাঘব বোয়াল, তার মা গেল মারা। মা থাকলে মরবেই। যার মা নেই, একমাত্র তারই মা মরে না। সবাই এই বলে রাজাকে সান্ত্বনা দিল। রাজা বললেন, মায়ের শ্রাদ্ধে এমন খাওয়া খাওয়াও, যা কেউ জন্মে দেখে নি। আমি রাজা, আমার কাছে বড়-ছোট ধনী-গরীব ভেদ নেই। আমি সবাইকে নেমন্তন্ন দেব। রাজ্যের এক দিক থেকে আর এক দিক পর্যন্ত ঢোল পড়ল।
শোন শোন মৎস্যগণ, করি নিবেদন—
রাজ-জননীর হইল পরলোক গমন (ঢ্যান্ ঢ্যান্ ঢ্যান্)
তার স্বর্গ কামনায় ভোজন উৎসব (ঢ্যান্ ঢ্যান্)
বড় ছোট
-
পিঠোপিঠি দুটি ভাই। লোকে বলে রাম আর লক্ষ্মণ। আজকালকার দিনে এমন নাকি দেখা যায় না। যেখানে যাবে দুটিতে এক সঙ্গে যাবে, যাই করবে দুজনে এক সঙ্গে মিলে করবে। একজনকে ছেড়ে আর একজন একদণ্ড থাকতে পারে না। যে দেখে সেই বলে, নাঃ, সেই রাম-লক্ষ্মণই যেন ফিরে এসেছে।
ঘরে ঘরেই ওদের নিয়ে কথা। সবাই নিজের ছেলেমেয়েদের কাছে ওদের তুলনা দিয়ে বলে, দেখ তো, রাম-লক্ষ্মণ, কি সুন্দর দুটি ভাই। আর তোরা এমন? ওদের বাপ মা’র দেওয়া নামটা পেছনে পড়ে রইল। লোকের মুখে মুখে রাম-লক্ষ্মণ নাম ক্রমে চালু হয়ে গেল। ওদেরও শুনে শুনে অভ্যাস হয়ে গেছে। রাম-লক্ষ্মণ বলে ডাকলে ওরা সাড়া দেয়।
কিন্তু গ্রামের
-
বাঘ বলল, হালুম!
তার মানে? তার মানে আমার খিদে পেয়েছে, আমি খাব।
সেই ডাক শুনে সারা বনের পশু-পাখি চমকে উঠল। ওরে বাপরে বাপ, এক একটা ডাক ছাড়ে আর সারাটা বন যেন কাঁপতে থাকে থর থর করে। পশুরা হাঁকাহাঁকি ডাকাডাকি শুরু করে দিল—পালা, পালা, পালা!
একটা লম্বা ঘুম ঘুমিয়ে নিয়ে সন্ধ্যার পর গা মোড়ামুড়ি দিয়ে উঠে বসেছে বাঘ।
পেটে এখন খিদেয় আগুন জ্বলে উঠেছে। তাই বাঘ বলল,—হালুম! তার মানে আমার খিদে পেয়েছে, আমি খাব।
ঠিক এমনি সময় শেয়ালও বেরিয়েছে খাবারের খোঁজে। পড় তো পড় একে বারে বাঘের মুখোমুখি পড়ে গেল। অবশ্য বাঘ আর শেয়াল মামা-ভাগ্নে! মামা কি আর ভাগনেকে খাবে? কিন্তু
-
কুকুর থাকে ঘরের বাইরে। তাকে কেউ ঘরে ঢুকতে দেয় না। অবশ্য বিলেতী কুকুরদের বেলা অন্য ব্যাপার। তাদের সঙ্গে কথা কি। ভুলো একদম দেশী কুকুর, একেবারেই আসল দেশী, একটু ভেজাল নেই। তার বারো বছরের মনিব নীলু তাকে কোথা থেকে জোগাড় করে নিয়ে এসেছিল, ভুলো এখন আর সে কথা মনে করতে পারে না। সেই থেকে নীলুই তাকে একটু একটু করে বড় করে তুলেছে।
নীলুর মতো এমন মানুষ সারা পৃথিবী খুঁজলে মিলবে না, একথা ভুলোর ভালো করেই জানা আছে। সেই তো রোজ তাকে নিজের হাতে খেতে দেয়। মাঝে মাঝে আবার স্নান করিয়ে দেয়। দেশী কুকুরদের অবশ্য স্নান করতে নেই। কিন্তু নীলুকে সে কথা
-
নেকড়ের বাচ্চাটা জন্মাবার কয়েক দিন পরেই মরে গেল। নেকড়ে তার বাচ্চার শোকে কেঁদে কেঁদে ঘুরে বেড়ায়। আহা, কি সুন্দর ডাগর ডোগর বাচ্চাটা! কেমন কুঁত কুঁত করে চাইত, আর টলমল করে হাঁটত। কত নেকড়ে তো আছে বনে, কিন্তু কই, কারুর বাচ্চা তো এমন হয় না। এমন বাচ্চাটা মরে গেল, ওর মা কেমন করে সইবে?
নেকড়ে এদিকে যায়, ওদিকে যায়, সারাদিন কেবল ঘুরে ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু কিছুতেই আর শান্তি পায় না। পাঁচটা না, সাতটা না, একটা মোটে বাচ্চা, তাও মরে গেল! একা একা ও আর থাকতে পারে না।
একদিন চলতে চলতে হঠাৎ সে চমকে উঠল। দেখে, ঝোপের ধারে একটা বানর ছানা বসে
-
অনুবাদ: রেখা চট্টোপাধ্যায়
সহরের চেয়ে গ্রামে লেখার কাজ করা সর্বদাই সহজ বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। মনে হয় গ্রামের সব কিছুই একাগ্রতার সহায়ক, এমন কি ছোট্ট বাতিটার পল্তের পটপট শব্দ এবং বাইরের বাতাসের হুঙ্কার, অথবা সময় সময় সেই পরিপূর্ণ স্তব্ধতা যখন মনে হয় পৃথিবী বুঝি গেছে থেমে এবং অসীম শূন্যতার মধ্যে রয়েছে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে।
তাই ১৯৪৫-এর শরতের শেষ রিয়াজান ছাড়িয়ে এক গ্রামের জন্য আমি যাত্রা করলাম। সেখানে ছিল এক পুরোনো বাগান বাড়ী আর আগাছা ভরা বাগান। সেখানে থাকতেন ভাসিলিসা ইওনভ্না নামে রিয়াজান-এর এক ভূতপূর্ব গ্রন্থাগারিক। যখনই আামি কাজ করতে চেয়েছি প্রায়ই তার সঙ্গে থেকেছি আমি। প্রত্যেকবার এসেই দেখেছি বাগানটার
-
রমলা বিরক্ত হয়ে উঠল। যেন এত বিরক্তি তার কোনোদিন আসেনি। নইলে ইকনমিক্সের পপুলেশন চ্যাপ্টারটা তো জমে ওঠবার কথা কিন্তু আজকার ক্লাসে কিছুতেই যেন তার লেকচার গভীর হয়ে উঠল।
এমন এক-একটা দিন আসে সত্যি যখন কিছই ভালো লাগে না। আজ যেন তাই। সে যেন আজ প্রথম টের পেল, ইস্কুলের মেয়েদের চেয়ে কলেজের মেয়েরা গোলমাল করে বেশি। অথচ এখানে কিছুই বলা যায় না, ইস্কুলের মতো যায় না বেঞ্চির ওপর দাঁড় করানো, যায় না কান মলে দেওয়া। ইস্কুল থেকে কলেজে উঠে মনে করে, কী-না-কী করে ফেললাম; দুর্ভাগ্য সব। তার মেয়ে যদি হয়, সে কোনোদিন তাকে কলেজে পড়াবে না। পড়িয়ে বা লাভ কী? কিছু
উৎস
- পাতাবাহার
- প্রক্রিয়াধীন
- বনফুল গল্পসমগ্র
- সোমেন চন্দ গল্পসঞ্চয়ন
- গল্পগুচ্ছ
- বিজ্ঞান পাঠ
- ফুলকি ও ফুল
- জানলা : তৃতীয় বিশ্বের সাহিত্য
- মামার বিয়ের বরযাত্রী
- স্নেগোভেৎসের হোটেলে
- পুরাণের গল্প
- বাংলাদেশ কথা কয়
- পরিচয়
- ফজলুল হকের গল্পসংগ্রহ
- কথা পাঞ্জাব
- বারো মামার এক ডজন
- হাসির গোয়েন্দা গল্প
- বৃষ্টি আর নক্ষত্র
- রূপের ডালি খেলা
- কিন্নর দল
- মুখোশ ও মুখশ্রী
- নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
- শিউলি-মালা
- ভেদ-বিভেদ (২)
- বাংলাপুরাণ প্রতিস্বর
- রাঙা পাল
- মেঘমল্লার
- যাত্রাবদল
- বেণীগীর ফুলবাড়ি
- বিধু মাস্টার
- ক্ষণভঙ্গুর
- জ্যোতিরিঙ্গন
- অনুসন্ধান
- সুকান্তসমগ্র
- বিজ্ঞানচেতনা
- মানুষের জন্ম
- আজেরবাইজানের গল্প-সংগ্রহ
- নবাগত
- রূপহলুদ
- মৌরীফুল
- জন্ম ও মৃত্যু
- উপলখণ্ড
- কুশলপাহাড়ী
- গল্প ভারতী
- ছায়াছবি
- তালনবমী
- অসাধারণ
আর্কাইভ
- ২০২৬ (৮৩)
- ২০২৫ (৬৬)
- ২০২৪ (৮৪)
- ২০২০ (২৪)
- ২০১৭ (১২)
- ২০১৫ (২)
- ১৯৯৫ (১)
- ১৯৮৮ (৪)
- ১৯৮৪ (১৪)
- ১৯৮২ (১)
- ১৯৭৯ (৪)
- ১৯৭৮ (১০)
- ১৯৭৬ (১২)
- ১৯৭৩ (১২)
- ১৯৭১ (১২)
- ১৯৬৮ (১৯)
- ১৯৬৫ (২৬)
- ১৯৬৩ (১)
- ১৯৬০ (১৩)
- ১৯৫৯ (২)
- ১৯৫৭ (৪)
- ১৯৫৪ (৩)
- ১৯৫২ (৩)
- ১৯৫১ (১৩)
- ১৯৫০ (২)
- ১৯৪৯ (১)
- ১৯৪৮ (১)
- ১৯৪৭ (২)
- ১৯৪৬ (৮)
- ১৯৪৫ (১১)
- ১৯৪৪ (৭)
- ১৯৪১ (৫)
- ১৯৩৮ (৫)
- ১৯৩৭ (২)
- ১৯৩৬ (১)
- ১৯৩৪ (৬)
- ১৯৩২ (৪)
- ১৯৩১ (৩)
- ১৯২৯ (১)
- ১৯২৫ (১)
- ১৯১৭ (২)
- ১৯০৭ (১)
- ১৯০৩ (২)
- ১৯০০ (৩)
- ১৮৯৮ (৩)
- ১৮৯৫ (৩)
- ১৮৯৪ (২)
- ১৮৯৩ (২)
- ১৮৯২ (৪)
- ১৮৯১ (২)
লেখক
- অতীন্দ্রিয় পাঠক (১)
- অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১০)
- অনু ইসলাম (১)
- অমিয়ভূষণ মজুমদার (১)
- অরল্যান্ডো প্যাটারসন (১)
- অ্যাগনেস স্মেডলি (১)
- আনু মুহাম্মদ (১)
- আন্তন চেখভ (১৫)
- আন্দ্রেই দুগিনেৎস (১)
- আবদুল হাফিজ (১)
- আমা আতা আইদু (১)
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১)
- আলেক্সান্দর গ্রিন (৩)
- আলেক্সান্দর বাত্রভ (১)
- আলেক্সেই তলস্তয় (১)
- ইউরি ইয়াকভলেভ (১২)
- ইভান ইয়েফ্রেমভ (১)
- ইভোন ভেরা (১)
- ইসমৎ চুগতাই (১)
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী (২৮)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- এলবার্ট মালজ (১)
- ওয়ান্ডা ওয়াসিলেস্কা (১)
- কনস্তানতিন পাউস্তোভস্কি (৮)
- কনস্তানতিন লর্তকিপানিৎজে (১)
- কমলকুমার মজুমদার (১)
- কাজী নজরুল ইসলাম (৪)
- কৃষণ চন্দর (৭)
- ক্যাথারিন সুসানাহ প্রিচার্ড (১)
- খান মোহাম্মদ ফারাবী (১২)
- খালিদা হাসিলভা (১)
- গজেন্দ্রকুমার মিত্র (১)
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ (২)
- গিয়োরগি শাটবেরাশভিলি (১)
- গুরুবখ্শ্ সিং (১)
- চিঙ্গিস্ আইৎমাতভ্ (১)
- জন রিড (১)
- জহির রায়হান (৩)
- জুলিয়াস লেস্টার (১)
- জ্যাক লন্ডন (২)
- ড. হরভজন সিং (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- নাডিন গর্ডিমার (৩)
- নানক সিং (১)
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- নিকোলাই নোসভ (১)
- নির্মলেন্দু গুণ (১)
- পারভেজ হোসেন (১)
- পূর্ণেন্দু পত্রী (১)
- প্রক্রিয়াধীন (২০)
- প্রফুল্ল রায় (১)
- প্রেমেন্দ্র মিত্র (১)
- ফজলুল হক (১)
- ফরহাদ খুররম (১২)
- ফ্রাঞ্জ কাফকা (১)
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (১৫)
- বিনয় মজুমদার (১)
- বিপ্রদাশ বড়ুয়া (৩)
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (৯০)
- বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর (১)
- ভার্জিনিয়া উলফ (২)
- ভিক্টর গোলিয়ভকিন (১)
- ভিক্তর দ্রাগুনস্কি (১)
- ভ্যালেনটিনা ডিমিট্রিয়েভা (১)
- ভ্লাদিমির জেলেজনিকভ (১)
- ভ্লাদিস্লাভ ক্রাপিভিন (১)
- মনি হায়দার (১)
- মহমেৎ ইয়াখিয়ায়েভ (১)
- মাও টুন (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- মাৎভেই তেভেলেভ (১০)
- মিখাইল শলোখভ (৩)
- মুনীর চৌধুরী (৩)
- মুন্সী প্রেমচন্দ (১)
- মুলক রাজ আনন্দ (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (৬)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১১)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭৩)
- রাজশেখর বসু (৯)
- রিচার্ড রাইট (১)
- লীলা মজুমদার (২)
- লুইজি পিরানদেল্লো (১)
- লেভ তলস্তয় (৩)
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (৫)
- শিবরাম চক্রবর্তী (১)
- শেখর বসু (১)
- সত্যেন সেন (১৯)
- সমরেশ বসু (১)
- সমীর রায়চৌধুরী (১)
- সাদত হাসান মান্টো (৭)
- সাদ্রিদ্দিন আয়নি (১)
- সিনডিউই ম্যাগোনা (১)
- সুকান্ত ভট্টাচার্য (৫)
- সুখলতা রাও (১)
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (২)
- সুবীর বৈরাগী (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (২)
- সুশীল জানা (১)
- সেমিওন শুরতাকভ (১)
- সোমেন চন্দ (২৬)
- হরবোলা (১)
- হাসান তারেক (১)
- হেমেন্দ্রকুমার রায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.