সাময়িকী
ভাবনা সমবায়
ভাবনা সমবায় গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কিছু রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভাবনা আছে—ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার বদলে সমষ্টিবাদ ধারণা চর্চা। সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষেত্রে ‘অথরিটি’র বদলে যৌথ বিতর্ক, সমবায়ী আলোচনা ও যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ। শ্রমজীবীশ্রেণি বা সাধারণ মানুষের মুক্তি কেবল শুধু রাজনৈতিক সংগঠন নয়, চিন্তার সংগঠন তথা ‘ভাবনা সমবায়’ প্রয়োজন। কারণ প্রত্যেকের নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ ও এগুলোর সম্মিলিত যোগফল কার্যকর কৌশল নির্মাণ সম্ভব করে। আমরা মনে করি গবেষণা বা শিক্ষার ক্ষেত্রে নিয়মিত ভাবনা সমবায় গড়ে তোলা যায়, যেমন: পাঠচক্র, স্টাডি গ্রুপ, যৌথ কর্মশালা ইত্যাদি। মতভেদ, বিতর্ক ও পারস্পরিক সমালোচনা থেকেই নতুন সমাধান বের হয়ে আসবে। শ্রমজীবী মানুষের অভিজ্ঞতা ও কণ্ঠস্বর আলোচনায় যুক্ত করতে হলে আরও অনেক ‘ভাবনা সমবায়’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া কর্তব্য।
-
সাম্প্রতিককালে বহুল আলোচিত বিষয় হলো ‘পরিচয়ের রাজনীতি’ (Identity Politics)। অনেকেই এই শব্দটি সম্পর্কে আগে থেকেই কিছুটা অবগত। কারণ অনেক বিতর্ক, বিশেষ করে জাতি, লিঙ্গ এবং যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো, পরিচয়ের রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্সের ধারণাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। পরিচয়ের রাজনীতি এমন অনেক বিতর্কে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যাতে—অনেকেই মনে করতে পারে যে বামপন্থী রাজনীতি মানেই পরিচয়ের রাজনীতি, আর পরিচয়ের রাজনীতিই যেন বামপন্থী রাজনীতির পুরোটা। কিন্তু সত্যি বলতে, ব্যাপারটা এমন নয়।
ঐতিহ্যবাহী বামপন্থী রাজনীতি ছিল শ্রেণি রাজনীতির (Class Politics) ওপর ভিত্তি করে। কমিউনিস্ট সমাজতন্ত্রী ও অন্যান্য বামপন্থী দলগুলো শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে বড় গণসংগঠন তৈরি করত। এর পেছনের ধারণা ছিল সব জাতি,
Page 1 of 1
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
আর্কাইভ
লেখক
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.