-
রুশ দেশে গত দেড়শো বছর ধরে ভারতীয় সংস্কৃতি, ভাষা, সাহিত্য ইত্যাদির গবেষণা ও আলোচনা চলছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে গেরাসিম লেবেডেফ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে মিনায়েফ্ ছাড়া উনিশ শো সতেরো সালে নভেম্বর বিপ্লবের পূর্বেকার ভারতবিজ্ঞানী রুশ পণ্ডিতদের মধ্যে কেউই আধুনিক ভারতের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ইত্যাদির দিকে নজর দেননি। আলেক্সি পেত্রোভিচ্ বারান্নিকফ প্রথম দেশীয় পণ্ডিত যিনি সংস্কৃতের পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক ভারতের ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণার জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছেন। আধুনিক ভারতের সঙ্গে সোবিয়েতবাসীর গভীর পরিচয়ের কৃতিত্ব বহুলাংশে তাঁরই প্রাপ্য। আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যের জন্য এতবড় কাজ আর কোনো দেশে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান করেনি। বারান্নিকফের কাজ সব দিক দিয়ে অতুলনীয়। তাঁর
-
পূর্ব পাকিস্তানে ‘পরিচয়’-এর প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়েছে। পূর্ব পাকিস্তান আদেশক্রমে জ্যৈষ্ঠ, ১৩৫৯ সংখ্যা ও তৎপরবর্তী কোনো সংখ্যা ‘পরিচয়’ পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে পারবে না।
কেন এই আদেশ, আমরা জানি না। প্রকাশ ‘পরিচয়’-এ নাকি ‘আপত্তিকর সংবাদাদি’ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু কথাটা কি মূলত ঠিক?
‘পরিচয়’-এর পাঠকেরা জানেন, কী ধরনের লেখা ‘পরিচয়’ সাধারণত প্রকাশ করে এসেছে। বাঙলা ভাষায় যে সাহিত্য আমাদের আছে, তাকে অগ্রসর করাই ছিল ‘পরিচয়’-এর প্রধান কাজ। প্রগতিশীল সংস্কৃতির উজ্জীবনই ‘পরিচয়’-এর প্রধান লক্ষ্য।
এই লক্ষ্যসাধনে অন্যান্য অবশ্য প্রয়োজনীয় কর্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে ‘পরিচয়’ যে বিশেষ একটি ভূমিকা পালন করেছে তা আবার মনে করিয়ে দেই। সে-ভূমিকাটি হল শান্তির জন্য সংগ্রামের ভূমিকা ;
-
আইনস্টাইন-রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ নিয়ে আজ কিছু আলোচনা করব। আইনস্টাইন ছিলেন বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞানবিদ আর রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বিশ্বকবি, শিল্পী ও দার্শনিক। এই দুই মহামনীষীর মধ্যে কোথায় কতটুকু মিল ও পার্থক্য তা এই আলোচনা প্রসঙ্গে অনেকটা বোঝা যাবে।
বৈজ্ঞানিক খ্যাতির জন্যই যে রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন তা নয়। আইনস্টাইন বৈজ্ঞানিক অপেক্ষা আরও বড়-কিছু ছিলেন, যার জন্যে তাঁকে বিশ্বের মানুষ বলে বিশ্ববাসী স্বীকার করে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল। বিজ্ঞানজগতে তাঁর অবদানের তুলনা নেই—এ কথা যেমন সত্য, তাঁর বিশ্বমানবতা ও মানবপ্রীতি পৃথিবীর ইতিহাসে তাঁকে সমুচ্চ স্থান দিয়েছে—এ কথাও তেমনি সত্য। বিশ্বমানবতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হলেও আইনস্টাইন ছিলেন জাতীয়তাবাদী। এইখানেই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আইনস্টাইনের 'আশ্চর্য মিল। স্বজাতি ও স্বদেশকে স্বীকার
-
আমার মনের প্রান্তে তুমি হবে পল্লবপ্রচ্ছন্নশাখাশস্যের মঞ্জরী, আমার প্রাণের বৃত্তে করবীলাঞ্ছনআনত পুষ্পের ভার নিয়ে এসো তুমি। সোনাবালু ঢাকাএ প্রাণ ব্যর্থ হবে তা না হলে, তা না হলে অগণনপাপড়ি খুলে খুলে আকাশ ছড়িয়ে দিলেআশ্বিনের নীলকান্তচ্ছটা, তোমার আমার মাঝে সেতুবন্ধগানের রচনা হবে না; বিশ্বাস দেবে না কেউ জীবনে নিখিলে।তুমি দাও সৃষ্টির প্রেরণা, দাও মৃত্যু, অকরুণ অসহ্য দ্বন্দ্ব!
তুমি হবে শস্যের মঞ্জরী, আনত পুষ্পের ভারকরবীলাঞ্ছন। আমি তাই প্রতিদিন কৃষকের মতোএ প্রাণ করেছি ছিন্ন হালের আঘাতে। করেছি তো অঙ্গীকারচৈত্রের চণ্ডাল সূর্য, বন্যার হাহাকার। তুমি আছো রতআমার রক্তের স্রোতে শিকড়ের জিহবা মেলে দিয়ে রাত্রিদিনঅশ্রান্ত শোষণে, আমার মৃত্যুতে উদ্ভিন্ন মঞ্জরী তোমার হবে মৃত্যুহীন।
মৃগাঙ্ক রায়
পরিচয়
-
আমার বিশ্বাস, অর্থনীতি ও সামাজিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন এমন ব্যক্তির পক্ষে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করতে যাওয়া নানাকারণেই ঠিক নয়।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টা প্রথমে বিবেচনা করা যাক। মেথোডলজির (Methodological) দিক থেকে, মনে হয়, জ্যোতির্বিদ্যা ও অর্থনীতির মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই, উভয় ক্ষেত্রেই বৈজ্ঞানিকগণ সন্নিবিষ্ট ঘটনাবলীর মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র আবিষ্কারের জন্য সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য এমন কতগুলো সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করেন, যাতে বিষয়টা যতদূর সম্ভব সহজবোধ্য হয়ে ওঠে। বাস্তবক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতিগত পার্থক্য থেকেই যায়। পর্যবেক্ষিত অর্থনৈতিক ঘটনাবলী প্রায়শই এমন কতগুলো কারণ দ্বারা প্রভাবান্বিত, যেগুলোর পৃথক পৃথক মূল্যায়ণ প্রায় অসম্ভব। এমন ক্ষেত্রে অর্থনীতির সাধারণ সূত্রাবলীর আবিষ্কার কঠিন হয়ে পড়ে। অধিকন্তু, মানব-ইতিহাসের তথাকথিত
-
তুর্গিয়েনেফ : জীবন-সাহিত্য
১৮১৮—১৮৮৩
“আমার জীবনই আমার সাহিত্য।”— তুর্গিয়েনেফ
যে সমস্ত প্রতিভাধর সাহিত্যিকের রচনাসম্ভারে রুশ জাতীয় সংস্কৃতির গৌরব বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তুর্গিয়েনেফ। লেনিন এঁকে “স্বনামধন্য রুশ লেখক” বলে অভিহিত করেছেন।
সামন্ত-ভূমিদাস প্রথা থেকে বুর্জোয়া-ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে এক বিরাট পটপরিবর্তন হল, সেই এক সমগ্র ঐতিহাসিক যুগের রুশ জনজীবনের সার্থক প্রতিফলন দেখা যায় তুর্গিয়েনেফ-এর রচনায়। এই বিরাট শিল্পী-রিয়ালিস্ট রুশ সমাজ-আন্দোলনের যে সব উজ্জ্বল চিত্র এঁকেছেন তাদের সঞ্চারকাল ঊনবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ‘ছাত্র-চক্র’ থেকে শুরু করে ১৮৭৪-১৮৭৬ খৃষ্টাব্দের ‘জনগণের কাছে যাও’ আন্দোলনের সময় পর্যন্ত ৷
গভীর স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন তুর্গিয়েনেফ, এবং তারই উদ্দেশে পরিপূর্ণরূপে নিয়োজিত করেছিলেন
-
মস্কো শহরের মাঝখানে ক্রেমলিনের কাছাকাছি তিনতলা একটা বাড়ি। বাড়িটা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন কেন্দ্রীয় স্মৃতি-সৌধ ৷ এখানে দেখতে পাওয়া যাবে মহান নেতা লেনিনের হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, তাঁর নিজের লেখা বইয়ের প্রথম সংস্করণ, যে-সব বই তিনি পড়তেন, কাজে লাগাতেন সেই বই গুলি। আর তারই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত জিনিসপত্র—ফটো, ছবি, মূর্তি, দলিলপত্র। এর প্রত্যেকটি জিনিস দেখলেই মনে হবে কি এক অদ্ভুত অপূর্ব মানুষই না ছিলেন দুনিয়ার প্রথম সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা লেনিন ৷
হাজার হাজার জিনিসের প্রদর্শনী। প্রত্যেকটি জিনিসের পেছনেই রয়েছে তার নিজস্ব কাহিনী। ঐতিহাসিক দলিলপত্রের ভিতরে রয়েছে ভারতবাসীদের পাঠানো একখানা অভিনন্দপত্র। আবছা হয়ে এসেছে লেখা। কালি মুছে আসা বিবর্ণ সেই কাগজখানার দিকে তাকালেই
-
মানুষের জীবন এগিয়ে চলে নানা ঘাতপ্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে। যারা সচেতনভাবে বৃহত্তর জীবনের পথ বেছে নিতে চায় তাদের বেলায় সংঘাত হল অনুক্ষণের সাথী। তাই বুঝি কিছুদিন পরেই প্রিয় সঙ্গীর সঙ্গে তীব্র মতান্তর শুরু হয়। আমার ওপর তখন অধ্যাত্মবাদের প্রভাব খুব বেশি। বাড়িতে দাদার আমন্ত্রণে নানা আশ্রমের সন্ন্যাসীরা এসে সময়ে সময়ে অতিথি হন। দাদার সঙ্গে তাঁদের শাস্ত্র ও দর্শন সম্বন্ধে অনেক আলোচনা হয়। কখনও বা হয় তুমুল তর্কবিতর্ক। তার অনেক কিছুই বুঝতে পারি না, তবু মনে কিছু কিছু রেশ থেকে যায়। সেগুলিকে নিজের ধারণার রঙে রাঙিয়ে নিতে চাই। সেই সময়টা হিন্দু মিশন থেকে পার্থসারথিরূপে শ্রীকৃষ্ণের একখানা ছবিকে খুব জনপ্রিয় করে তুলেছিল। সেটি
-
“একটা ভাল ফিল্ম-স্টুডিয়ো তৈরি করা এমন কিছু কঠিন নয়। কিন্তু একটা ভাল ফিল্ম তৈরি করা খুবই কঠিন। বিষয় আর নির্মিতির অভাব ভাল স্টুডিয়ো আর ভাল যন্ত্রপাতি দিয়ে মেটানো যায় না। শিল্পের মানে শিল্পই। কোনো কিছুই শিল্পের বিকল্প নয়। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ হয় না। নতুন যন্ত্রপাতি দিয়েও হয় না। রাজনীতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলে শুধু শ্লোগান-বানানো হয়। যন্ত্রপাতি দিয়ে শিল্পের কাজ সারতে গেলেও ভাল কিছু হয় না। মানবজমিনই, হচ্ছে আসল কথা।
‘(শিল্প) প্রতিভার বিকাশ অত সহজ কাজ নয়, দু-এক বছরে এ কাজ হয়, না, এর জন্যে ধৈর্য দরকার। ...শিল্পীদের বেশি খাটানো কখনোই উচিত নয়। শিল্পীদের পক্ষে রাতদিন খাটা সম্ভব
-
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে শেখ সাহেবের আলোচনা ভেঙে গেছে। সংবাদটা সমস্ত শহরবাসীর মনের উপর কালো ছায়ার মত নেমে এসেছে। বাতাসটা যেন ক্রমেই ভারী হয়ে আসছে। বেশ বুঝতে পারছি এক মহাবিপর্যয়ের ধারালো খড়্গ ক্ষীণসূত্রে আমাদের মাথার উপর ঝুলছে। যে-কোনো সময় তা ছিঁড়ে পড়ে যেতে পারে। আমরা ক-জন বন্ধু সেই কথা নিয়েই আলাপ আলোচনা করছিলাম। কিন্তু সেই ভয়ঙ্কর সময়টা যে এখনই এসে গেছে তা আমরা কেউ ভাবতে পারিনি।
বড়ভাই হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরের মধ্যে এসে ঢুকলেন। বড়ভাই ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী। ঘরের মধ্যে ঢুকেই তিনি উত্তেজিত কণ্ঠে বলে উঠলেন, এখানে বসে বসে করছ কি তোমরা? এখন কি বসে থাকার সময় আছে! আজ রাত্রেই ওরা হামলা
-
বিশ্ব-লোকসংস্কৃতির একটি সমৃদ্ধ এলাকা হলো বাঙলাদেশ, কারণ লোকসংস্কৃতির এমন কোনো উপাদান নেই, যা বাঙলাদেশে নেই। জনগণের, বিশেষত বাঙালি কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে লোকসংস্কৃতির সম্বন্ধ ঘনিষ্ঠ। লিখিত সাহিত্যে যাদের পরিচয় নেই, তাদের প্রকৃত পরিচয় রয়েছে লোকসংস্কৃতির মধ্যে। কাজেই জনগণের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সন্ধান করতে হলে লোকসংস্কৃতির যথার্থ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও চর্চা অপরিহার্য। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন বাঙালি জনগণকে নিজের স্বরূপ জানার দিকে আগ্রহী করে তোলে। ভাষা-আন্দোলনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফল ‘বাঙলা একাডেমী’র প্রতিষ্ঠা। একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একটি লোকসাহিত্য বিভাগ খোলা হয়। প্রথম দিকে এ বিভাগের প্রধান কাজ ছিল লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন উদাহরণের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ। বৈজ্ঞানিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ কিভাবে হতে
-
পূর্ববাঙলা কবে স্বাধীন হবে এবং কিভাবে হবে সেসব প্রশ্নের নানাজাতীয় উত্তর দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাক্কায় যেহেতু এই লড়াইয়ে বাঙালিরা জয়ী হননি তাই আমরা মনেমনে এখন একটি দীর্ঘ অন্ধকার রাত্রির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছি। একটি কথা যুদ্ধ বিশারদ ও রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবং সাধারণ মানুষও একরকম বুঝতে পারছেন যে বহুদিন ধরে একাহাতে এই লড়াই চালিয়ে যাবার সাধ্য পশ্চিম-পাকিস্তানী রণনায়কদের নেই। তবে এই আত্মক্ষয়ী যুদ্ধকে কল্পতরু দাদারা কতদিন চালিয়ে যেতে সাহায্য করবেন সে বিষয়ে নানামুনির নানা মত। আমাদের দিক থেকে অন্তত কয়েক বছরের জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার।
এই প্রস্তুতির একটা বড় অঙ্গ হলো আমাদের লক্ষ্য সম্বন্ধে দৃষ্টিকে স্বচ্ছ রাখা। নয়ত শেষে আশাভঙ্গের
ক্যাটাগরি
ট্যাগ
- দুর্ভিক্ষ
- বাংলা
- জীবনী
- লেখক
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলোচনা
- বই
- রবীন্দ্রনাথ
- পাকিস্তান
- অনুবাদ
- গদ্যকাব্য
- কবিতা
- ছোটগল্প
- নৃত্য
- চীন
- জাতীয়তাবাদ
- শিল্পকলা
- উদ্ভাবন
- ওষুধ
- বিজ্ঞান
- ছড়া
- চিরায়ত
- ফ্যাসিবাদ
- যুদ্ধ
- গদ্য
- মার্কসবাদ
- স্মৃতিকথা
- রোজনামচা
- ক্রিকেট
- মুক্তিযুদ্ধ
- দর্শন
- চলচ্চিত্র
- ভারত
- সমাজ
- সমাজতন্ত্র
- লোককাহিনী
- ঢাকা
- পশ্চিমবঙ্গ
- নাট্যশালা
- আধ্যাত্মিকতা
আর্কাইভ
লেখক
- অন্নদাশঙ্কর রায় (১)
- অরুণ সেন (১)
- আনিসুজ্জামান (১)
- আন্তোনিও ফ্রাঞ্চেস্কো গ্রামশি (১)
- আলবার্ট আইনস্টাইন (১)
- আশুতোষ ভট্টাচার্য (১)
- ইভান তুর্গেনেভ (১)
- এরস্কিন কাল্ডওয়েল (১)
- কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত (১)
- গোপাল হালদার (৫)
- গৌরী আইয়ুব দত্ত (১)
- চিন্মোহন সেহানবীশ (১)
- জহির রায়হান (১)
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (১)
- ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (১)
- নিবারণ পণ্ডিত (১)
- পশুপতি ভট্টাচার্য (১)
- প্রক্রিয়াধীন (৩৬)
- বিজন চৌধুরী (১)
- বিষ্ণু দে (১)
- মমতাজুর রহমান তরফদার (১)
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- ম্যাক্সিম গোর্কি (১)
- রণেশ দাশগুপ্ত (১)
- লিও ট্রটস্কি (১)
- শান্তিময় রায় (১)
- শিবনাথ চট্টোপাধ্যায় (১)
- সত্যেন সেন (১)
- সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার (১)
- সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় (১)
- সুব্রত বড়ুয়া (১)
- সুশীল জানা (১)
- হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১)
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.